![]() |
| মুহাম্মদ আরিফ উল্যাহ |
“এ পোস্ট প্রকাশের পরবর্তী ভবিষ্যত জীবনের যে কোন সময়, এ পোস্টের শেষে, এ পোস্টের কমেন্টস সেকশনে আপনার পরিচয় হিসেবে নিজের ই-মেইল দিয়ে কমেন্টস করার বা মন্তব্য লিখতে বলে আমি যে আহবান করেছি, তা ভবিষ্যতের যে কোন সময়ের জন্য চলমান থাকবে। অর্থাৎ আজকে থেকে ভবিষ্যত জীবনের যে কোন সময়ে আমার সাথে সম্পর্ক হওয়া যে কোন ব্যক্তির প্রতি এ আবেদন থাকলো যে, জ্বী ভাই, আপনি আমার নতুন কিংবা পুরাতন যে বন্ধুই হন না কেন, যদি আপনার কাছে মনে হয় যে, বা যদি আপনি বুঝতে পারেন যে, আমি বা আমরা একজন ভালো মুসলিম মহিলা জিন বা ভালো মুসলিম জিন সম্প্রদায়, তবে আপনার প্রতি অনুরোধ থাকবে যে, আমার বা আমাদের বিষয়ে একটি ভালো মন্তব্য লিখে যান। আমি বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীদেরকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাতে চাই যে, ও প্রমাণ করতে চাই যে, মহান আল্লাহু তা’য়ালা জিন জাতি সৃষ্টি করেছেন; এবং আল কোরআন সত্য বলেছে। আমি বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীদের জ্ঞানে, তথা বিশ্ব জ্ঞান ভান্ডারে বাস্তব পরিবর্তন এনে ইতিহাস গড়তে চাই। ইতিহাসের পাতায় জিনের অস্তিত্বের বাস্তব ও প্রত্যক্ষ প্রমাণ এবং জিনের উত্তম গুণাবলী বা উত্তম বৈশিষ্ট্য উপস্থাপন বা লিপিবদ্ধ করে যেতে চাই। আমি আরও প্রমাণ করতে চাই যে, জিন মানেই শয়তান নয় এবং ইবলিশের বংশধরদের সবাই শয়তান নয়! তারাও ইচ্ছে করলে বা বুঝতে পারলে ঈমান আনতে পারে! আমি জিনের প্রকৃত স্বরূপ, শক্তি, সামর্থ, অর্থ, রূপ-সৌন্দয ইত্যাদি মানুষের মাঝে প্রদর্শন করে আল্লাহু তা’য়ালার সৃষ্টিতত্ত্বের পরিচয় দিতে চাই। আর আমাকে আল কোরআনের বাস্তবতার প্রমাণ বিশ্বদরবারে উপস্থাপন করতেই হবে। এটি আমার পণ! মুসলিম হিসেবে এটি আমার দায়িত্ব! তাই আল কুরআনের সত্যতার বাস্তব প্রমাণ যদি জ্ঞান-বিজ্ঞানের খাতায় লিপিবদ্ধ করাতে চান, অথবা যদি শুধু আমার বা মানুষের বা এ পৃথিবীর ভালো চান, তাহলে যদি বিষয়টি বুঝতে পারেন, তবে অবশ্যই একটি ভালো মন্তব্য করবেন। অপর পক্ষে কী বললে ভালো হবে বা কী বললে ভালো হবে না, কোনটি বললে আপনার স্বার্থে টাকা বা সম্মান প্রবেশ করবে, বা মানুষ বা পৃথিবীর ভালো হবে, বা বললে ভালো হবে না মন্দ হবে, এসব চিন্তা না করে আপনার বা আপনাদের উচিৎ একটা সত্য স্বাক্ষী দেয়া। যা আপনার নৈতিক ও ঈমানী দায়িত্ব বলেই আমি মনে করি। এবং এতে আপনি শতভাগ নিশ্চিত থাকেন যে, এ কারণে আপনার বিন্দুমাত্রও ক্ষতি হবে না।”
আমার রক্ত সম্পর্কিত নিকট আত্মীয়-স্বজন; আমার বাড়ির দুই দিকের দুই মসজিদ, হাজী জিনাত আলী ভুঁইয়া জামে মসজিদ ও আলী মুন্সী জামে মসজিদের খতিব, ইমাম এবং নিয়মিত মুসল্লিগণ; গোবিন্দপুরের ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান আকাশ ডিশকভারীর মালিক ও বিএনপি নেতা জনাব এম ফখরুদ্দীন ভূঁইয়া; গোবিন্দপুর হাজী জিনাত আলী ভুঁইয়া জামে মসজিদ ও নূরানী মাদ্রাসার সেক্রেটারি জনাব কেফায়েত উল্যাহ ভুঁইয়া সোহেল; উত্তর চাঁদপুর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ) মাদ্রাসার সুপার জনাব মাওঃ আইউব আলী সাহেব (দা.বা.) ও শিক্ষকবৃন্দ এবং আমার পরিচিতজন ও গোবিন্দপুর, ফেনীবাসী সহ বিশ্বের যে কোন প্রান্তের, জিন ও মানব জাতির সদস্যবৃন্দ।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
আমি জানি, এখনও আপনারা আমায় তুচ্ছ জ্ঞান করে, আমার লিখাটুকু এবারও পড়বেন না হয়তো। কারণ অতীতে এ রকম পরামর্শ আমি আরো কয়েকবার চেয়েছিলাম, কিন্তু আপনাদের কোন সাড়া আমি পাইনি। তবে এবার অন্তত আমার জন্ম স্থানের স্থানীয় বিএনপি নেতা এম ফখরুদ্দীন ভূঁইয়া, তোমার প্রতি অনুরোধ করছি যে, মূলত কী কারণে বা আমার কী বৈশিষ্ট্যের কারণে, তুমি আমাকে তোমার ওয়াইফাই দিচ্ছেলিনা? আমি তোমার বিল পরিশোধ করতে পারবো না এ ভয়ে? না কারো ইশারায় দিচ্ছিলে না? আমি এভাবে তোমার বা তোমার প্রতিষ্ঠানের পিছে পিছে ঘুরতে ছিলাম; মূলত কী কারণে দিচ্ছিলে না বা দিতে পারছিলে না, তা কষ্ট করে এ পোষ্টের মন্তব্যের মধ্যে লিখে জানাবে।
সে সাথে গোবিন্দপুর হাজী জিনাত আলী ভুঁইয়া জামে মসজিদ ও নূরানী মাদ্রাসার (ফেনী, বাংলাদেশ) সেক্রেটারি জনাব কেফায়েত উল্যাহ ভুঁইয়া সোহেলের কাছেও আমি জানতে চাইছি যে, আমাকে চাকুরী দেয়ার আশা দিয়ে, কয়েক সপ্তাহ ঘুরিয়ে, পরে জাহাঙ্গীরের মাধ্যমে কেন আমাকে আবার নিষেধ করলে!? প্রথমেতো আমার জন্য চাকুরীর ব্যবস্থা করতে তোমাকে সম্মতই দেখেছিলাম!
পরবর্তীতে কি ভয় করছিলে যে, আমি দুষ্ট বা শয়তান মানুষ, আমাকে চাকুরী দিয়ে কোন্ বিপদে পড়বা, এ রকম কিছু? এ রকম ভয় ছিল কি তোমার বা তোমাদের? না হয়, কেন ফিরিয়ে দিলে আমাকে? তোমাদের কারো কি চিন্তা হয় না বা হয়নি, আমরা যে কারো না কারো ইশারায় সবাই এ লোকটাকে যে ফিরিয়ে দিচ্ছি, তাহলে এ লোকের জীবন কিভাবে যাবে বা যাচ্ছে? বেঁচে থাকবে কিভাবে এ লোক!? তোমাদের সমাজে এ অবহেলিত, শিক্ষিত, উচ্চ ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন এ লোকের মানসিক অবস্থা কেমন হয়েছিলো তখন!! সবাইতো তাকে শয়তান মনে করতে, কেউতো তাকে ভালো হিসেবে গ্রহণ করতে না! ঘর কিংবা বাহির, সব জায়গায় একই অবস্থা ছিলো তার। সবাই মিলে ভবিষ্যত জীবনে সম্মানজনক কোন কাজ না দিতে সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছিলে। শুধু দাবিয়ে বা পদদলিত করে রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিলো তোমাদের সকলের।
তাহলে বল, শুধু কারো ইশারা-ইঙ্গিতই কি সব!? আমি কি তোমাদের প্রতিবেশী ছিলাম না!! কারো ইশারা ইঙ্গিত বা নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থের কারণে, তুমি আমার প্রতিবেশী ভাতিজা, আর তোমার বাবা আমার শ্রদ্ধেয় বড় ভাই, আমার মরহুম বাবার অনেকটা কাছের মানুষ ছিলো তোমার বাবা, এরপরও আমাদের এ স্থায়ী সম্পর্কটি ভেঙ্গে গিয়ে কেন আমি তোমাদের সামনে এভাবে মরে যাবো(?), বা মেরে ফেলবে? আর শুধু চেয়ে চেয়ে আমার তামাসা চাইবে! এ কেমন আমাদের বন্ধন? কেন! এসব ইশারা-ইঙ্গিত বা স্বার্থ বা ভয়ের বিপরীতে আমাকে চাকুরী দিলে আমি কি আসলেই মাদ্রাসায় পড়াতে পারতাম না!? কী মনে হয় তোমার বা তোমাদের? বল কাকা, কেমন তোমাদের সম্পর্ক! কার উপস্থিতিতে, কার ইশারায়, তোমরা নিজ কাকাকে এভাবে দুনিয়া থেকে শেষ করে দিচ্ছ ও সবাই মিলে তার তামাসা চাচ্ছ!? এ কেমন দয়া-মায়া, আর যুক্তি তোমাদের!! নিজ কাকা, আর ভায়ের জন্য কি এসবের বিপরীতে কাজ করা যায় না বা যেত না? তা না হলে কেমন কাকা, আর কেমন ভাই, আর কেমন সম্পর্ক তোমাদের? সামান্য ইশারা ইঙ্গিত আর স্বার্থই ডিঙ্গাতে পারনি নিজ কাকা আর ভায়ের জন্য! আর তাই, তোমাদের কার্যকলাপে এই প্রমাণিত হয়েছে যে, নিজ ভাই-বন্ধু, প্রতিবেশী, তোমাদের কাছে আপন নয়; টাকা-পয়সা, আর জিন-ভূতই আপন! জিন-ভূতই আজ আপন!! জিন-ভূত আর টাকা-পয়সাই সব তোমাদের, এইতো? কথাটা যেন ভালো করে মনে থাকে এ এলাকাবাসীর!?
আসলে আবেগ আপ্লুত হয়ে, আজ আমি শুধু আমার কথা বলিনি! আমাদের সমাজের প্রায় সকলেরই সম্পর্ক গুলো আজকে এ রকমই!! টাকা আর সম্মান যেদিকে, তোমরা সেদিকে, ন্যায় অন্যায় আর দয়া মায়ার চিন্তা পরে, তাইনা?
যাক, অনেক কথা বলেছি, মনে কষ্ট নিয়োনা, সমাজের এ অবস্থা গুলো দেখে ও সহ্যের পর সহ্য করে অতি দুঃখের সহিত এ কথাগুলো বলেছি!! অবশ্য চাকুরী না দিলেও, তুমি এবং তোমার বাবা অন্যান্য বিভিন্ন দিক দিয়ে আমার এ চরম মূহুর্তেও অনেক উপকার করেছ। আসলে বাস্তব অবস্থাকে স্মৃতিময় করে রাখতে এবং মনে অতি দুঃখ পাওয়ায় কথাগুলো লিখেছি।
আবার যেহেতু তুমিও আমাকে চাকুরী দাওনি, আশা দিয়েও ফিরিয়ে দিয়েছো, তাই, এ বিষয়গুলোও এ পোষ্টের মন্তব্যের মধ্যে লিখে আমাকে ও মানুষদেরকে জানানোর জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। এবং তোমার মন্তব্যের মধ্যে যদি পার বলবে যে, কেন আজ মানুষের পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কগুলো এ রকম!!??
এছাড়া যেহেতু বর্তমানে আমি উত্তর চাঁদপুর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ) মাদ্রাসায় কর্মরত রয়েছি, তাই এ মাদ্রাসার সুপার ও সকল শিক্ষকবৃন্দকে বলতে চাচ্ছি যে, আমি আপনাদের সাথে কর্মরত, তাই আপনারা আমার চরিত্র-বৈশিষ্ট্য খুব ভালো করেই বুঝতে পারছেন হয়তো, সুতরাং এ মাদ্রাসার সুপার জনাব মাওঃ আইউব আলী সাহেব (দা.বা.) সহ শিক্ষকবৃন্দকে অনুরোধ জানাবো, আপনারাও আমার বিষয়ে একটি করে মন্তব্য লিখে আমাকে উৎসাহ প্রদান করতে ও মনে সাহস যোগাতে আপনাদের সকলের প্রতিও আবেদন জানাচ্ছি। এছাড়া আমার আত্মীয়-স্বজন সহ গ্রাম ও শহরের দূরের কিংবা কাছের পরিচিতজনদের নিকটও একই আবেদন জানাচ্ছি। সম্পূর্ণ চিঠিটি পড়া ছাড়া হয়তো আপনাদের কেউই; কেন এভাবে আমার বিষয়ে মন্তব্য লিখে মানুষকে ও আমাকে দেখাতে বা স্টোরড করতে বলছি, তা হয়তো আপনাদের কারোরই বুঝে আসবে না। তাই আগে সম্পূর্ণ চিঠিটি পড়বেন এবং পরে মন্তব্য করবেন, সকলের প্রতি এ আশবাদ ব্যক্ত করছি।
মূলত স্থানীয় বিএনপি নেতা জনাব এম ফখরুদ্দীন ভুঁইয়ার ওয়াইফাই সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান 'আকাশ ডিশকভারীর' সংযোগ না পাওয়ায় দুঃখিত হয়ে এবং এ দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে ঐ প্রতিষ্ঠানের মালিক জনাব এম ফখরুদ্দীন ভূঁইয়ার প্রতি লিখতে গিয়ে, সিমিলারলি কেইস স্টাডি হওয়ায়, আমার আত্মীয়স্বজন ও আমার বর্তমান চাকুরীর স্থলের প্রধান, মাদ্রাসার সুপার জনাব মাওঃ আইউব আলী (দা.বা.) সহ উপরে উল্লেখিত ব্যক্তিবৃৃন্দের প্রতি এবং উক্তস্থানের আমজনতার প্রতি আমার জানতে চাওয়া, ও পরামর্শ চাওয়া বিষয়ক, আমার জীবনের একটি বেদনাময় খোলা চিঠি এ বিশ্ববাসির সকলের জ্ঞাতার্থে অনলাইন মিডিয়ার মাধ্যমে প্রেরণ করলাম।
যেহেতু আমি মনে করছি, আমার বিষয়ে আপনাদের পজেটিভ মনোভাব, সাক্ষ্য বা স্টেটম্যান্ট, এগুলো আমার বেঁচে থাকার জন্য সহায়ক হবে ও কাজ চালিয়ে যেতে আমার মনে শক্তি সঞ্চয় করবে, বিশ্ব দরবারে আমার একটা পজিটিভ ভিত্তি তৈরির সুযোগ বা সূচনা হবে ও আমার মনোবলকে অটুট রাখতে এগুলো আমাকে একান্তই সহযোগিতা করবে। এবং যা আমার ও আপনাদের ভবিষ্যত উন্নতিতে রেফারেন্স আকারে আমাদেরকে সংরক্ষিত রাখবে। এবং বিশ্বের জ্ঞানী-বিজ্ঞানীদের চোখেও, এটি আমাদের আবেদনের পক্ষে একটি ভালো অবস্থান হবে। এ কারণে এগুলো আমাদের উভয়ের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় হতে পারে।
তাছাড়া আপনারা যদি আমাকে ভালোই না বলেন, আমার পরিচয়ই প্রকাশ না করেন; মানে আমি যে জিন, তাই'ই বুঝতে না পারেন, বা বুঝেও প্রকাশ না করেন, বা মানুষকে না জানান; এবং আপনাদের মাঝে জিন হিসেবে আমার আগমনে আপনারা সন্তুষ্ট ও খুশি রয়েছেন, আমাকে পেলে আপনারা নিজেদেরকে ধন্য মনে করবেন, আমাকে ভালো জিন হিসেবে বা মুমেনা জিন হিসেবে বুঝতে পেরেছেন; এমন রিয়েল আশ্বাস, স্বীকারোক্তি ও মনোভাব যদি আমাকে না দেন, এবং জিন হিসেবে আমার শারীরীক, মানসিক কোন ক্ষতি আপনারা করবেন না; এরূপ প্রতিশ্রুতি যদি না দেন; সর্বপরি আপনাদের নিকট আমার নিরাপত্তা জনিত ব্যবস্থাপনায় ও এ বিষয়ক কর্মে কোন ত্রুটি থাকবে না, মানে এর সম্পূর্ণ দায়-দায়িত্ব আপনাদের; এ ধরনের বাস্তব কথা ও সত্য অঙ্গীকার আমি সহ দেশবাসিকে যদি না জানান; তাহলে আমি কার কাছে আসবো, কেন আসবো, কিভাবে আসবো? তা আপনারাই চিন্তা করুন!?
আর তাই এম ফখরুদ্দীনের কারণে লিখাটির সূচনা হলেও, আমার বিষয়ে আপনাদের স্ট্যাটমেন্ট দেয়া, এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হতে পারে ও বিশেষ গুরুত্ব বহন করতে পারে। তাই আমার বিষয়ে সম্পূর্ণ স্বাধীন ভাবে ও স্ব-জ্ঞানে, আপনি যা বুঝেন, আমার এ শারীরিক ও মানসিক এ সমস্যা টিকে আপনি যা মনে করেন, তা লিখে আমাকে একটি মন্তব্য প্রদান করতে আপনাদের সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ করছি।
না হয় বলুন, আপনাদের সামনে আমি কি এভাবে শেষ হয়ে যাবো? বর্তমানে শেষ হতে আমার আর বাকি আছে কী!? আপনাদের অনেকে কি আমার উপর জুলুম বা আমাকে অবহেলা করেননি!? এখনও যদি আপনারা আমাকে কে কী মনে করেন, এ ধরনের লিখিত একটি সত্য রিভিউ না দেন, তাহলে এটা কি মানুষ হিসেবে আপনাদের দায়িত্ব হলো? তাহলে আপনারা আমার কেমন আত্মীয় হলেন? কেমন আপনজন হলেন? কেমন বন্ধু-বান্ধব হলেন? তাছাড়া আপনারা কি সৎ কাজে আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ করবেন না!? তবে যদি লিখেন, তাহলে ধরুন বুঝেন একটি, কিন্তু বুদ্ধি খাটিয়ে কোনটি লিখা উচিৎ, এ রকম ভেবে আরেকটি বা উল্টো কিছু লিখলেন, এ রকম করবেন না! আপনি আমাকে যা বুঝেন, ঠিক তাই লিখবেন! এছাড়া আপনাদের মাঝে আমি জিন হিসেবে আবির্ভূত হতে চাইলেও, আমার ছোট বেলা থেকে সুদীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর জীন হিসেবে আমার কোন অস্তিত্বই আপনারা খুঁজে পাননি! তাই না? আমিতো মানুষই ছিলাম! এখন না হয় আমি জিন হিসেবে আবির্ভূত হলাম! বা হতে চাইছি! তাহলে নিজেদের একজন মানুষকে আপনারা কিভাবে এভাবে শেষ করে দিচ্ছেন? আপনারা কি খবর রেখেছেন(?), আমার পরিবার, ছেলে-মেয়ে, আমি নিজে, কী খেয়ে পরে বেঁচে আছি? এবং আমার এ বিষয়টি মানব স্বাস্থের বা জ্ঞান-বিজ্ঞানের বা স্রষ্টার সৃষ্টি তত্ত্বের কোন্ শাখা তাহলে!? এবং রোগ বলেন, আর জিন বলেন, শরীরের মধ্যে আরেকটি জীবাণু বা প্রজাতি নিয়ে বয়ে বেড়াতে আমার কি কোন কষ্ট হয় না!? আপনাদের দেশে বা এ মহাবিশ্বে স্বাস্থ্য বিষয়ক নাকি, মানুষদের অনেক গুলো প্রতিষ্ঠান আছে না? কিন্তু কই! আমার আগমন বা উদ্ভবের আজ প্রায় ২৫ বছর পেরিয়ে যাচ্ছে!? কই আপনাদের সেসব দায়িত্ব ও কর্তব্য, বা প্রতিষ্ঠান সমূহ? আর কেন এখনো তাহলে আপনারা আমার জন্যে একটা মন্তব্যও লিখতে পারবেন না? এসব বিষয়ে আপনাদের কি কোন চিন্তা হয় না? আমাকে বুঝি দাবিয়ে রাখা বা বিভিন্ন ভাবে জুলুম-অত্যাচার-নির্যাতন করে শেষ করে দেয়াটাই আপনাদের জ্ঞানে ধরেছে!? তাহলে এতো দিন যেভাবে আমায় মেরে ফেলার নীতি ও কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলেন; এখনো তাই কি অব্যাহত রাখবেন!? আপনাদের কি কোন জ্ঞান বুদ্ধি হবে না! আমার মতো এ রকম মানুষের দেহে সুস্পষ্ট জিনের বহিঃ প্রকাশ, আপনারা বিশ্বের আর কোথাও অন্য কোন মানুষের দেহে দেখেছেন কিনা? তাহলে আমাকে আপনাদের কী করা উচিৎ? দাবিয়ে বা পদদলিত করে রাখা উচিৎ? যেভাবেই হোক মেরে ফেলা উচিৎ? না বিশ্বদরবারে পরিচিত করা উচিৎ!?
তাহলে আমার বিষয়ে আপনি যা বুঝেন, এ রকম একটি মন্তব্য লিখতে আপনার অসুবিধা কোথায়? আমিতো বলছি না যে, আপনি আমাকে ভালো হিসেবে বুঝতে না পারলেও, আপনি আমাকে ভালো হিসেবে মন্তব্য লিখে বিশ্বকে জানান!
আমি জন্মেছি এ দেশে, ছোট বেলা থেকে বেড়ে উঠেছি আপনাদের সাথে এবং এখন পর্যন্ত আপনাদের সাথেই বসবাস করছি, তাহলে আমার বিষয়ে বিশ্বের মানুষ ও জিনদেরকে জানাবে কে বলেন!?
আপনাদেরকে আরো জানাতে চাই যে, এ লিখা ও এ চিঠিটি আমি লিখতে চাইনি, কারণ আপনারা আমার কোন লিখা বা ভিডিও পড়তে বা দেখতে রাজী নন; যা ইতিপূর্বে প্রমাণিত হয়েছে। তাই আপনারা গত বেশ কয়েক মাস ধরে হয়তো লক্ষ্য করেছেন আগের মতো অনলাইনে আমার কোন লিখা বা ভিডিও নাই। এবং আর খুব একটা লিখবো বলেও মনে হয় না। তবে এবার শুধু নিজের শরীরে থাকা অনুজীব বা জিন কর্তৃক বাধ্য হওয়ায় আজকের লিখাটুকু লিখতে বাধ্য হলাম।
তাই প্রথমে আজকে যে কারণে লিখা আরম্ভ করেছিলাম তা বলছি, শুনুন, ইতিপূর্বে জনাব এম ফখরুদ্দীন ভুঁইয়া সাহেবের ওয়াইফাই সংযোগ আমার প্রতিষ্ঠান, বন্ধন ফাউন্ডেশনে গত প্রায় ৩/৪ বছর ধরে ছিলো। এ প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমার আত্মীয়স্বজন সহ একান্ত আপনজনদের আগ্রহ ও সাডা না পাওয়ায়, বরং তাদের কাছ থেকে বিরোধিতা পাওয়ায় এবং অন্যান্য কারণে, যদিও কিছুদিন হলো আমি এ প্রতিষ্ঠানটি স্থায়ী ভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছি। কিন্তু প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করলেও আমার অন্যান্য কাজে ওয়াইফাই এর প্রয়োজন ছিলো।
তাই ওয়াইফাই সংযোগ অব্যাহত রাখলেও, মাঝে দিয়ে আমার কম্পিউটার নষ্ট হয়ে যাওয়ায়, আমি সাময়িক ভাবে সংযোগটি আর সচল রাখতে পারিনি। বর্তমানে আমার আবার ওয়াইফাই সংযোগের প্রয়োজন হওয়ায়, গত রোজার ঈদের কমপক্ষে এক সপ্তাহ পূর্ব থেকে এ পর্যন্ত অনেকবার আবেদন করেও আমি সংযোগ পাইনি বা পাচ্ছি না। বরং তার এবং তার কর্মচারীদের বিভিন্ন কথার মাঝে আমি ছলনা খুঁজে পেয়েছি এবং হয়েছি অপমাণিত। যেমন, ঈদের আগে একদিন তাদের দুইজন কর্মচারী আমার ঘরে লাইনটি লাগাতে এসে, হয়তো আমার নিজ শরীরের নেগেটিভ ইঙ্গিত পেয়ে বা আমার বাড়ির অন্য কারো বেড ইঙ্গিত পেয়ে তখন তাদের একজন আমাকে বললো, আপনার আগের তারটি নষ্ট হয়ে গেছে এখন আপনাকে ডাইরেক্ট করে দিতে হবে এবং আরেকজন বললো অনুঃ করে দিতে হবে, মানে পিছনে করে দিতে হবে। তখনই আমার মনে হয়েছিলো তাদের কথার মাঝে কেমন যেন অন্য কোন কিছুর ইঙ্গিত বহন করছে। মানে তারা আসলে লাইন লাগাবে না।
এরপর থেকে কয়েকবার ফখরুদ্দীনকে ব্যক্তিগত ভাবে বলেছি এবং যতবারই তাদের অফিসে গিয়েছি, ততবারই তারা আমায় কালকে আসবো, পরশু আসবো, এ রকম আশ্বাস দিয়ে আজ প্রায় একমাস হলো একবারও আসেনি। এছাড়া যতবারই ফোন করেছি তার কর্মচারীরা আমার মোবাইল খুব একটা রিসিভ করেনি। তার উপর গত কিছু দিন আগে একবার রিসিভ করলেও, আমি যখন বললাম, ঠিক কী কারণে আমাকে আসলে সংযোগটি দেয়া হচ্ছে না? তখন তাদের থেকে আমি একটু গরম মেজাজ অনুভব করি এবং এ সময় কেউ একজন বলে যে, ফখরুদ্দিন ঢাকা গেছে; অথচ সেদিনই বিকেলে আমি ফখরুদ্দিনকে নতুন বাজারে দেখতে পেয়েছি।
যাক ফখরুদ্দীন! এ ধরনের ছলনা মার্কা ব্যবহার আমার নিজ ঘর সহ প্রায় সর্বত্র আমাকে আজ বহু বছর ধরে সইতে হচ্ছে এবং এর কারণ হিসেবে বর্তমানে আমার নিজ শরীরেরই নেগেটিভ ইশারাকেই দেখতে পাচ্ছি; যা এখন আমি বুঝতে পাচ্ছি। তার মানে আমি হয়তো মুখে বলেছি, কিন্ত আমার চোখ, মুখ বা হাত বা আঙ্গুল দিয়ে আমি নিজেই হয়তো নিষেধ করেছি। তাই আমি স্থায়ী ভাবে মনে কষ্ট নিইনি। এখন তুমি শুধু আমাকে একটি মন্তব্য লিখে দিলেই হবে যে, তোমরা কি আসলে আমার মৌখিক আবেদন পেলেও আমার হাত বা চোখ বা ইত্যাদি থেকে কোন নেগেটিভ সিগনাল পাও? যার জন্য আমি মুখে আবেদন করলেও তোমরা অনেক সময়ই আমার চাহিত বিষয়টি দিতে পারনা? বিষয়টি পরিষ্কার করার অনুরোধ জানাবো!
এখন কথা হচ্ছে, তোমরা যখন আমাকে লাইন দাওনি বা দিবে না (সদিচ্ছা থাকলে এতোদিন লাগার কথা ছিলো না), তাই আমি বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে ফেলেছি। তাই এখন আমি আবার না বললে, তাহলে আমার এখানে আর লাইন লাগাতে আসবে না।
এ রকম আরেকটি ব্যবহার পেয়েছি, গোবিন্দপুর হাজী জিনাত আলী ভুঁইয়া জামে মসজিদ ও নূরানী মাদ্রাসার সেক্রেটারি জনাব কেফায়েত উল্যাহ ভুঁইয়া সোহেলের কাছ থেকে। তার মাদ্রাসায় একজন শিক্ষক নিয়োগ দিবে শুনে, আমার সংসার টিকিয়ে রাখতে এবং সন্তানদেরকে বাঁচিয়ে রাখতে তার কাছে ছুটে গিয়েছিলাম চাকুরি চাইতে। কী করবো! নিয়তি আমাকে এ রকম করেছে! না হয় এ এলাকার মানুষেরা জানে, আমি এ রকম ছিলাম না। আমারও ছিল একটি সম্ভাবনাময় সুন্দর ভবিষ্যত!
যাক, চাকুরী চাইতে গেলে, এতে সে প্রথমে রাজি ও খুশি থাকলেও, এবং আমাকে কিছু দিন ঘুরালেও, পরে হয়তো আমারই কোন অদৃশ্য ইশারায় আমায় সে চাকুরিটা দেয়নি! দেখুন আমি কিন্তু স্পষ্ট করেই জানি যে, সে এবং তার বাবা আমার কল্যাণ ও উন্নতি চায়। তাই তার কাছ থেকেও আমি জানতে চাই যে, এবং তার মাধ্যমে অন্যান্য মানুষদেরকেও জানাতে চাই যে, আসলেইকি আমি মুখে একটা বলি, কিন্তু ইশারা ইঙ্গিত বা ভাব ভঙ্গিমায় আরেকটি প্রকাশ করি? আমার এ স্বভাবটি সত্য কিনা!? যদি সত্য হয়, তাকেও এ বিষয়টি ব্যাখ্যা করে একটি মন্তব্য প্রকাশ করে, বলতে ও বিষয়টি মানুষদেরকে জানাতে অনুরোধ করবো যে, কেন সে আমায় চাকুরী দিতে পারেনি! এটা কি আমার বাড়ির পাশের মাদ্রাসা ছিলো না!? আমার কি এতে হক ছিলো না! তাছাড়া এখন কি আমার প্রাণ যায় যায় অবস্থা নয়!? এ অবস্থায় একজন প্রতিবেশী হিসেবে আমার প্রতি তার কি কোন দায়িত্ব নেই!? আমি বিপদে পড়েইতো গিয়েছিলাম, না হয় আমার কি যোগ্যতা একেবারেই নেই? এই এলাকার অনেক গুলো ছাত্রের প্রাইভেট টিউটর কি আমি ছিলাম না!? তাহলে কিসের প্রভাবে আজ আমি এমন হলাম? তার মন্তব্যের মধ্যে এ বিষয়গুলোর একটি সত্য উত্তর পেতে চাই! এবং জাতিকেও বুঝাতে চাই যে, আমাকে হয়তো জিন জাতি গ্রাস করেছে!
হ্যাঁ, এখন আসি এ চিঠি লিখার মূল উদ্দেশ্যে। এ বিষয়ে আমি তেমন বেশি বর্ণনা দিবো না। কারণ আপনারা সবাই আমাকে চিনেন ও জানেন। যেহেতু আজ প্রায় সুদীর্ঘ ২৫ বছরে আমার আচার আচরণে প্রমাণিত হয়েছে যে, আমার সাথে এবং আমার শরীরে এক বা একাধিক মহিলা জিন বা একটি পুরো জিন সম্প্রদায় থাকে। যে কারণে আপনারা জানেন, আমি আজ নিজ বংশীয় বন্ধন থেকে অনেকটা বঞ্চিত।
একেবারেই একাকী জীবন আমার, চরম অবহেলিত ও অনেক ক্ষেত্রেই জুলুমের শীকার। এবং আমার অর্থ, জমি জমা, চাকুরী, রাজনীতী, মানে মূল্যায়িত হওয়ার মতো আমার কিছুই নেই। অসহায়ত্বের আর সীমা পরিসীমা নেই আমার! অল্প কিছু জমি-জমা যা ছিলো, তা এ জিনজাতকে তাড়াতে গিয়ে শেষ হয়ে গেছে।
নতুন কেউ আমার বিষয়ে জানতে চাইলে, তাহলে আমার ব্লগ সমূহের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে আমার লিখা কন্টেন্ট সমূহ পড়লে, অনায়াসে বুঝে যাবেন।
আমাকে বুঝতে আপনারা নিম্নোক্ত লিংক সমূহে ক্লিক করে, আমার পূর্বে লিখিত কন্টেন্ট সমূহ পড়তে পারেন-
এবং
এই যে আমার সাথে মহিলা জিন বা জিন সম্পদায় রয়েছে বলে আমার ও আমার এলাকার আম জনতার প্রচলিত যে বিশ্বাস, এ বিষয়ে আমার এলাকার মানুষজন, আপনারা এখন পর্যন্ত বিষয়টি আমাকে বা মানুষদেরকে লিখিত বা মৌখিক ভাবে জানাননি। ফলে আমি আজও বুঝতে পারছিনা যে, আপনারা বা মানুষেরা আসলে আমাকে কিভাবে দেখছেন বা আমাকে আপনারা কিভাবে মূল্যায়ন করছেন। একজন মানুষ সে কী রকম, অনেক সময়ই নিজকে নিজে সে বুঝতে পারেনা। তেমনি ভাবে কোথাও গিয়ে আমার নিজের বিষয়ে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে যে কিছু বলবো, বা ভালো কিছু করতে চেষ্টা করবো, সে ক্ষেত্রেও প্রয়োজন পড়বে, মানুষের রিভিউ বা সমর্থন বা সাপোর্টের বা মানুষের মাঝে আমার গ্রহণযোগ্যতার। তা না হলে কথা বলতেতো আমি আত্মবিশ্বাস বা প্রাণশক্তি পাবো না! এবং মানুষও আমাকে সহজে মেনে নিবে না। নিজের পরিচয়ই যদি প্রকাশ করতে না পারি, সে ক্ষেত্রে আমি আপনাদের জন্য করবো কী, বা কী করতে পারবো বলেন!? বর্ণচোরা কি কখনো কিছু করতে পারে? আর তাই যখন অন্য মনষ্ক হই, তখন আমার নিজের কাছে, এখনো মাঝে-মধ্যে মনে হয়, হ্যাঁ রে, আসলেই কি আমার শরীরে জিন জাতির উদ্ভব হয়েছে!? মাঝে-মধ্যে এও মনে হয়, হ্যাঁ, বুঝলাম হয়েছে, কিন্তু এটা কি আমার নিজের জন্য বা বিশ্ববাসির জন্য বা চারদিকের মানুষের জন্য উপকারী হবে? না অপকারী!? এ বিষয়টি সঠিক ভাবে আমাকে ও মানুষদেরকে বুঝতে হলে, তখন অবশ্যই আমাকে ও মানুষদেরকে বুঝতে হবে, এ বিষয়ে আমার চারপাশের মানুষ আসলে কী বলছে, বা এ বিষয়ে মানুষের কাছে আমাকে কেমন মনে হয়েছে; তা বুঝার। আর মূলত এ জন্যেই, আমি আপনাদের নিকট আমার বিষয়ে একটি মন্তব্য লিখে তা জন সমক্ষে প্রকাশ করতে অনুরোধ করেছি।
এক্ষণে আমার বিষয়ে আপনি বা আপনারা যদি মন্তব্য করতে চান, তবে মন্তব্য শুধু এ প্ল্যাটফর্মেই লিখবেন; ফেসবুক বা অন্য কোথাও লিখবেন না। কারণ পোস্টটি যদিও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা হতে পারে, তবুও এর মূল পোস্ট এটিই। তাই অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের মন্তব্য সমূহ হারিয়ে যাবে; কিন্তু এ প্ল্যাটফর্মের মন্তব্য সমূহ সংরক্ষিত থাকবে।
সুতরাং, যারা আমার আবেদনে সাড়া দিয়ে এ পোস্টের মন্তব্য লিখবেন, তদেরকে অনুরোধ জানাবো, আপনারা মন্তব্য লিখার সময় অবশ্যই নিম্ন লিখিত প্রশ্ন/বিষয় সমূহের উত্তর প্রদান করে বা সে অনুসারে আপনার মন্তব্য লিখতে চেষ্টা করবেন। তবে আপনার মন্তব্যে নিম্নোক্ত সবগুলো প্রশ্নের উত্তর ম্যানশন করা আপনার দ্বারা সম্ভব না হলে, তবে যতটুকু সম্ভব, ততটুকু লিখে অন্তত বলুন যে, আমাকে আপনার কাছে, এই এই কারণে জিন বলে মনে হয়েছে। পারলে আমার জিনকে আপনার কাছে কেমন মনে হয়েছে, ভালো, না মন্দ, সেটিও উল্লেখ করবেন।
কিন্তু না বুঝে বা আবেগে পড়ে কোন ধরনের মন্তব্য করবেন না। আমি আপনাদেরকে এই বলে কোন কথা দিইনি যে, আমাকে একটি ভালো মন্তব্য দিলে আমি আপনাদেরকে এই এই দিবো বা দিতে পারবো। আপনারা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন, বর্তমানে আমার কাছে আমার ঘরের সদস্যদেরকে বাঁচিয়ে রাখতে চাউলের টাকাও ঠিকমতো আমার কাছে নাই। তাই কেউ প্রলুব্ধ হয়ে বা লোভে পড়ে বা ভবিষ্যত জীবনে কোন কিছু আশা করে আমাকে কোন ধরনের মন্তব্য দিবেন না, বা আমার প্রতি এ জাতীয় মুখস্থ কোন আশা রাখবেন না। যেহেতু ভবিষ্যত কেউ জানে না। তাই মনের ভুলে বা কোন কারণে এ জাতীয় কোন আশ্বাসের কথা কাউকে বলে ফেললেও এসব আমলে নিবেন না। আর আমি মহান আল্লাহ তা’য়ালার সাথে চুক্তি করেও আসিনি এবং যা সম্ভবও নয়। বরং নিজ জীবনের উপর নিজেই সীমাহীন রিক্স নিয়েছি এবং আপনাদের দোয়ার মোহতাজ হয়ে আছি! এ ব্যপারে আমি সকলকে কঠোর ভাবে নিষেধ করছি যে, এসব কারণে কেউ কোন ধরনের কমেন্টস লিখবেন না। এটা শুধুমাত্র যারা আমার সাথে মিশেছেন বা মিশতে পেরেছেন, আমাকে যারা ভালো করে বুঝতে পেরেছেন, কেবলমাত্র তারা কমেন্টস লিখবেন। এমন ভাবেও কেউ কমেন্টস লিখবেন না যে, দশ জন কমেন্টস করেছে বা আপনার বিশ্বস্থ কেউ কমেন্টস করেছে, আমার বিষয়ে ভালো বলেছে, আর তাই আপনিও একটা ভালো কমেন্টস করলেন; দয়া করে এ ভাবেও কেউ কমেন্টস করবেন না।
যে আমাকে আসলে বুঝতে পারেনি, আমি এ ধরনের কাউকে আমার এ পোস্টে আমার জন্য কমেন্টস করতে নিষেধ করছি।
আবার আমি এমন কাউকে কোন ধরনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি না যে, আমাকে কমেন্টস লিখলে, বা আমার সাথে ভালো ব্যবহার করলে বা আজকে আমাকে কোন কিছু দান করলে, ভবিষ্যতে আপনাকে, বা আপনার প্রতিষ্ঠানে এর চাইতে অনেক বেশি কিছু দান করবো। এ ধরনের লোভে পড়ে কেউ কোন ধরনের মন্তব্য করবেন না।
তবে মনে রাখতে হবে উপকারীর উপকার স্বীকার করা, এটা মুসলিম বা একজন ভালো মানুষ বা একজন ভালো জিন হিসাবে আপনাদের যেমন কর্তব্য, তেমনি আমারও কর্তব্য।
আর এ বিষয়ে বিশ্ব জানুক, আমার বর্তমানকার এ দৈন্যদশায় এবং একেবারেই ফকিরি ও চরম অসহায়ত্ব আর ঋণগ্রস্থ অবস্থায়; যেখানে অনেকগুলো মানুষ, এমনকি আমার আপনজনেরাও এখনো আমাকে শয়তান বলে উল্লেখ করছে; অর্থনৈতিক দূরাবস্থা ও আরো অনেকগুলো কারণে যেখানে এখনো সমাজের প্রায় সবগুলো মানুষ আমাকে নিয়ে তামাসা চাচ্ছে বা এখনো যেখানে আমার সাথে তেমন কারো ভালো সম্পর্ক নাই (এপ্রিল ২০২৬ ইং); সেখানে আমার পক্ষে, আমার এ পোস্টের যে কমেন্টস গুলো মানুষেরা লিখেছে (যদি কেউ লিখে, বর্তমান সময়ে), তা কখনোই মানুষদেরকে প্রলুব্ধ করে, বা লোভ দেখিয়ে বা যে কোন ভাবে বাধ্য করে, এমনকি কোন সার্ভিস দিয়ে আদায় করা হয়নি। এগুলোর সবগুলোই মানুষের অন্তর থেকে প্রদান করা শতভাগ রিয়েল কমেন্টস।
প্রশ্ন/বিষয় সমূহ নিম্নরূপ-
১। মন্তব্যের শুরুতে আপনার পরিচয় এবং আমার সাথে আপনার সম্পর্ক কী তা লিখুন। এরপর আপনি আমাকে গভীর পর্যবেক্ষণ করে বা ভালোভাবে বুঝে-শুনে স্ব-জ্ঞানে স্বাধীন ভাবে মন্তব্য প্রদান করছেন, এ বিষয়টি উল্লেখ করবেন।
২। আমার মন, শরীর ও ব্রেনে কি জিনের উদ্ভব হয়েছে? এ প্রশ্নের উত্তরে আপনি যা বুঝতে পারেন ঠিক তা লিখুন। দেখুন আপনি যদি হ্যাঁ উত্তর দেন, তবে এটি বর্তমান বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীদের বিপরীত হবে! জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিপরীত কথা বলার সে রকম ভাবে বুঝতে পারলেই কেবল হ্যাঁ উত্তর দিবেন।
৩। যদি আপনি জিন আছে বলে বিশ্বস্থ ও আশ্বস্থ হন, তবে আপনার কাছে মনে হয়েছে কি, এরা মহিলা জিন? যদি মহিলা জিন বুঝতে পারেন, তবে লজ্জ্যার কিছু নেই, শালীনতা ও ভদ্রতা বজায় রেখে, আপনি বলুন যে, এ বিষয়টি আপনি কিভাবে বুঝতে পারলেন! এবং জনাব/জনাবা, আপনি কি একজন মহিলা বুঝতে পেরেছেন (?),না মহিলা জিনদের বিশাল একটি গোষ্ঠী বুঝতে পেরেছেন? না, এক বা একাধিক পুরুষ জিন বুঝতে পেরেছেন? না, পুরুষ মহিলা মিলে জিনদের একটি পুরো সম্প্রদায় বুঝতে পেরেছেন? দয়া করে আপনি কী বুঝেছেন, কিভাবে বুঝেছেন, আপনার মন্তব্যের মধ্যে এ বিষয়গুলো ক্লিয়ার করবেন! তবে এতো কিছু না বুঝলে, যতটুকু বুঝেছেন, ততটুকু লিখুন।
৪। উত্তরে যদি আপনি হ্যাঁ বলেন, তবে এ জীনকে বা এ জীন সম্প্রদায়কে কি আপনার কাছে ভালো বলে মনে হয়েছে এবং কেন বা কোন্ যুক্তিতে আপনি এদেরকে ভালো বলছেন তার উল্লেখ করবেন? স্মরণ রাখবেন আমার কাছে মানুষ এখনো প্রায় ৭ লক্ষ টাকা পাবে (এপ্রিল ২০২৬ ইং এর হিসাবে)। আজ প্রায় ৫ বছর হয়ে গেছে এখনো এ টাকা দেয়ার কোন ওয়ে আমি করতে পারিনি। এবং আমার আত্মীয়-স্বজন থেকে শুরু করে অনেকগুলো মানুষ এখনো আমাকে শয়তান জিন বা অকর্মা মনে করে। অতএব আমাকে ভালো বলার আগে একটু চিন্তা ভাবনা করে বলবেন। আবার ভালো না বললেও তা আমার জন্য হয়তো শুভ হবে না।
৫। আপনি যদি আপনার মন্তব্যে, জিন আছে বলে স্বীকৃতি দেন, তবে আপনি কি বুঝতে চেষ্টা করেছেন যে, আমার শরীরে এদের উদ্ভবের বা আগমনের উদ্দেশ্য কী? তারা কি আসলে আমি সহ মানুষদেরকে শুধুই কষ্ট দিতে চায়? না, তাদের রয়েছে আমাকে এবং মানুষদেরকে নিয়ে ভালো কোন পরিকল্পনা? এককথায় এ জিন বা জিন সম্প্রদায়ের আগমনের উদ্দেশ্য বুঝতে চেষ্টা করার জন্য আপনাকে সবিনয়ে অনুরোধ করছি এবং তাদের উদ্দেশ্য যদি বুঝতে পারেন, তবে আপনি যা বুঝেছেন, তা আপনার মন্তব্যের মধ্যে লিখতে আহবান জানাচ্ছি।
৬। আমার শরীরে উদ্ভব হওয়া এ জিনেরা কি আমার জন্মগত সাথী(?), অর্থাৎ আমার সাথে একই সাথে, একই শরীরে এ পৃথিবীর মাটিতে জন্মিত? এরা বা এদের বয়স সম্পর্কে কি আপনার কোন আইডিয়া হয়েছে? অর্থাৎ এর বা এদের বয়স কত হতে পারে বলে আপনি মনে করেন? এদের বংশ পরিচয় কী? অথবা সে বা তারা কি, আমার জন্মের সময়তেই আমাকে গ্রাস বা আসর করা? না, আমার জন্মের পরে কোন একসময় আমাকে আসর করেছে বা গ্রাস করেছে? তাহলে এরা আমায় কেন গ্রাস বা আসর করেছে? অমাকে নিয়ে এদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে? সে বা এরা যে জিন, এ বিষয়টি যদি আপনি বুঝতে পারেন, তবে এ সব বিষয় সমূহও বুঝতে চেষ্টা করে মন্তব্যের মধ্যে লিপিবদ্ধ করার জন্য অনুরোধ করছি।
৭। আপনি যদি বুঝতে পারেন যে, আমার শরীরে জিন আছে, তবে আপনি কি এ বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন, এরা কি সবাই মুমেন/মুমেনা জিন? না, শয়তান জিনও আমার শরীরে রয়েছে। বাকী অন্যান্য মানুষের মতো এ রকন না, এক্সট্রা কোন শয়তান জিনের কথা বলছি, যেমনটি এরা আমার শরীরে এসেছে। অর্থাৎ মুুমেন/মুমেনা জিন ব্যতিত আমার শরীরে কোন শয়তান জিনের উপস্থিতি টের পেয়েছেন কিনা? পাইলে মন্তব্যের মধ্যে তা শেয়ার করবেন।
৮। আপনারা কি আমার চরিত্রে এ জাতীয় বৈশিষ্ট্য দেখেছেন যে, আমি মুখে এক রকম বললেও ইশারা-ইঙ্গিত বা ভাব-ভঙ্গিমায় এর বিপরীত বলি? অথবা ইশারা-ইঙ্গিত বা ভাব-ভঙ্গিমার মাধ্যমে বা বিভিন্ন কৌশলে আপনাদেরকে এমন কোন প্রশ্নের উত্তর দিই যে, যা আমি হয়তো নিজের জ্ঞানেই বুঝতে পারি না। মানে আমার শরীর থেকে অন্য কেউ হয়তো উত্তর দেয়, যা আমার ব্রেন হয়তো বুঝতে পারেনা বা বুঝতে পারলেও আমার অজান্তেই কাজটি, মানে উত্তর দেয়ার বিষয়টি ঘটে; অর্থাৎ আপনি আমাকে কিভাবে জিন বলে শনাক্ত করলেন বা স্বীকৃতি দিলেন; সে বিষয়টি ব্যাখ্যা করে সহজ ভাবে ও পরিষ্কার করে বলতে চেষ্টা করবেন।
৯। আপনি যদি আমার শরীরে জিন সাব্যস্থ করেন, তবে প্রিয় ভাই/বোন, আপনি একটি বিষয় কি চিন্তা করেছেন, এটি মানব স্বাস্থ্য ও এ পৃথিবীর জন্য একটি বিরল দৃষ্টান্ত। তাই নয় কি? তাছাড়া আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে, আল কোরআনের ভাষাকে সত্য রূপে প্রদর্শন করবো এবং বিজ্ঞানের ভাষাকে ভুল প্রমাণিত করবো। সুতরাং আমাদের এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে জাতীয় ও আন্তর্জাতীক ভাবে প্রতিষ্ঠিত কোন্ কোন্ প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারি। এবং এ ক্ষেত্রে আমাকে বা আমাদেরকে কী কী করতে হবে! আপনার জানা থাকলে দয়া করে আপনার মন্তব্যের মধ্যে আমাকে এর একটা সহজ গাইড লাইন দিয়ে ধন্য করবেন।
১০। আপনারা যারা বুঝতে পারছেন যে, আমার শরীরে জিন আছে, তাদের নিকট আমি একটি বিষয় জানতে চাই যে, আমার শরীরে জিন থাকা অবস্থায় আপনারা আমার শারীরিক, মানসিক ও ব্রেনগত অবস্থা কী রকম দেখতে পাচ্ছেন? ব্রেনের প্রকৃত অবস্থা এখন কী? আমার অনেক সময়ই ঘুম হয় না। মাঝে মধ্যে সারা রাতে ২/৩ ঘন্টা ঘুম যাই। আজ অনেক বছর হলো থাইরয়েডের ঔষুধ খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি, ডায়াবেটিসের ঔষুধ খাইনা, আর মানসিক রোগের ঔষুধ বন্ধ করেছি যে তো আজ প্রায় ১৫ বছরের কম না। অথচ ডাক্তার বলেছিলো এ ঔষুধগুলো আমাকে হয়তো আমার মরণ পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে বা অন্তত বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত খেয়ে যেতে হবে। ডান পায়ের কার্যকারিতা অনেকটা কমে গেছে আমার। আপনারা যারা আমার মসজিদের সাথী তারা নিশ্চয়ই দেখতে পেয়েছেন, আমি কেমন ভাবে মহিলা আর বুড়াদের মতো নামাজ পড়ি। নামাজের সময় প্রায়ই এ পা'টি আমার ব্যথা করে।
আবার কোন মানুষকে সাকসেস করতে হলে তো, যখন যে কাজ তখন সে কাজ করতে হয়। কিন্তু আমার ক্ষেত্রেতো চারদিকের মানুষ ও বিভিন্ন পশু পাখি ইত্যাদির শব্দ এবং তাদের মন-মানসিকতা গুলো আমাকে এটাক করে। এবং মনে মনেই বা ইশারা ইঙ্গিতে এগুলোর উত্তরও সচেতন বা অচেতন ভাবে দিয়ে যাই। এতে এবং হয়তো অন্য আরো একাধিক কারণে অনেক সময়ই আমার মাথা কামডায়, মাথা ধরে থাকে; আমার শরীরের অন্যান্য জায়গায়ও অনেক সময় খুব কামডায়, চুলকায়, ধরে থাকে, কখনো কখনো মনে হয় অবস হয়ে আছে, আবার অনেক সময় শরীরের কোথাও কোথাও প্রচন্ড ব্যাথা পাই, আর পেটের রোগতো লেগেই আছে আমার ইত্যাদি এবং ব্রেন ও মন-মানসিকতাকে হয়তো কখনো কখনো অস্বাভবিক বলে মনে হয়। যখন টেনশন একটু বেশি থাকে, তখন দেখি অনেক পরিচিত বিষয়ও অনেক সময় ভুলে যাই। বা কারো স্বার্থে জিন কর্তৃক হয়তো ভুলিয়ে দেয়া হয়।
আসলে মানুষ নিজের বিষয় ও প্রকৃত অবস্থাতো অনেক সময় নিজেই বুঝতে পারেনা, তাই আপনাদের নিকট আমার এ জিজ্ঞাস্য। আমার শরীর, মন ও ব্রেনের এখন কী অবস্থা? আমি কি সুস্থ আছি? আমার ব্রেন কি স্বাভাবিক আছে বা ঠিক আছে?
কারণ অনেকগুলো মানুষ ইতিপূর্বে আমাকে পাগল বা মানসিক রোগী, চাপাবাজ, ভন্ডামী করছি ইত্যাদি বলে আমায় তোহমত দিয়েছে। এতে নিশ্চয়ই তাদের কাছে আমাকে হয়তো ঐরকম কিছু একটা লেগেছে, তাই হয়তো বলেছে। আবার কেউ কেউ না বুঝে বা অনুমান সন্দেহ করে বা হিংসা বা শত্রুতা করেও বা কারো দ্বারা মিসগাইড হয়েও বলতে পারে। কিন্তু আমার কথা হচ্ছে, বাস্তবেই আমার শারীরিক, মানসিক ও ব্রেনগত অবস্থা কী রকম তা আমি এবং মানুষদের ও জিনদের জানা প্রয়োজন। আর তাই যারা আমার শরীরে জিনের উপস্থিতি রয়েছে, এ বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন, তারা দয়া করে আপনাদের মন্তব্যের মধ্যে বিষয়টি সম্পর্কে আমাকে এবং মানুষদেরকে এর একটি পরিষ্কার ধারনা দেয়ার চেষ্টা করবেন।
১১। আমার বর্তমান পরিস্থিতিতে আমি এখন কী কাজ করলে বা কিভাবে জীবন-যাপন করলে পরিবারের সদস্যদেরকে নিয়ে খেয়ে পরে সম্মানজনক ভাবে বেঁচে থাকতে পারবো এ বিষয়টি উল্লেখ করবেন? ও কিভাবে আমার ঋণ সমূহ শোধ করতে পারবো বলে আপনি মনে করেন; অর্থাৎ আমায় কিছু নছিহত করবেন? কারণ আর কত উপোষ মরতে পারবো বা জুলুম করে যাব!
১২। আমার সাথে থাকা এ মহিলা জিনকে বা জিন সম্প্রদায়কে বাস্তবে তাদের নিজস্ব অবয়বে বা মানব রূপে আমাদের পাশে, আমাদের সাথে নিয়ে আসতে আমাকে বা আমাদেরকে কী করা উচিৎ? এবং এটা কি সম্ভব? সম্ভব না হলে কেন নয়? কোরআন-হাদীসে কি জিন জাতি মানব রূপে বা তাদের নিজস্ব রূপে মানুষের নিকট উপস্থিত হতে নিষেধ আছে? তা না হলে কোরআন-হাদীস কি অসুম্পূর্ণ? এ বিষয়ে আপনার মতামত লিখবেন।
১৩। জনাব এম ফখরুদ্দীন ভূঁইয়া ও জনাব কেফায়েত উল্যাহ ভূঁইয়া সোহেল আপনারা কেন আমায় ওয়াইফাই সংযোগ দেননি ও কেন আমায় চাকুরী দিবেন বলেও দেননি তা বলুন। প্লিজ চুপ করে থাকবেন না। বা অন্যান্য মানুষদের মতো আমাকে মিথ্যা করে, বা ছলনা করে অন্য কিছু বুঝিয়ে দিয়েন না! এ রকম অপমাণ মূলক ব্যবহার বা ছলনাতো আমার সাথে আরো অনেকেই করেছে, আমি উদাহরন হিসেবে আপনাদের দুজনের নাম উল্লেখ করলাম। এর মাধ্যমে জাতি বুঝুক আসলে মূল সমস্যা কী বা কোথায়! যেহেতু মানবজাতির বেশির ভাগ সদস্যই আজ যে কোন কিছু সিউর করে বুঝতে পারলেও, এমনকি কোন কিছু আমলে পরিণত করে ফেললেও, তারপরও তাদের পক্ষীয় কারো ইশারা-ইঙ্গিতের কারণে ঐ সত্য কথাটিও তারা বলেনা বা ধামাচাপা দেয় বা দিতে চায়। যেমন আমার জীবনে ঘটতেছে; অনেকেই এ সব বিষয়ে আমার সাথে অনেক সময় মিথ্যা বলেছে বা ছলনা করেছে এবং অনেক সময় আমাকে করেছে চরম অপমাণিত। তাই একই ভাবে যদি আপনারাও সত্য কথাটি গোপন রাখতে চান, অর্থাৎ বুঝেও আমাকে জ্বীন হিসেবে যদি স্বীকৃতি না দিতে চান, তবে বুঝিয়ে বলুন, আমার কী দোষ ছিলো! আমার সাথে এ রকম ব্যবহার করে ছিলেন কেন!?
এ রকম প্রশ্ন করলে আমার নিকট আত্মীয় থেকে শুরু করে সমাজের অনেকগুলো মানুষকে করতে পারি। কিন্তু শুধু আপনাদেরকে করলাম! আমারওতো রক্ত-মাংস আছে ভাই! এসবে আমি কি কোন ব্যাথা পাইনি! না আমি অপমাণিত হইনি!
তাই বুঝিয়ে বলুন, কেন আপনারা এবং আমার ঘর, বাড়ি, বংশ, সমাজ সহ ছোট-বড়, ভালো-বখাটে, ধনী-গরীব সকলে আমার সাথে এ রকম করেছিলেন বা করে যাচ্ছেন (এপ্রিল ২০২৬)। এর প্রকৃত কারণ কী!!
প্রিয় ভায়েরা, এখানে আপনারা যারা এ পোস্টের মাধ্যমে আমাকে কমেন্টস করবেন, আপনাদেরকে আমি আশ্বস্থ করছি যে, আমার প্রতি খুব ঘোরতর অসম্মানজনক কোন মন্তব্য না হলে, তাহলে আপনাদের কোন কমেন্টস এর কোন প্রতি উত্তর আমি দিবো না।
এবং বিশ্বাস করেন আমি ব্যক্তিগত বা সামষ্টিক ভাবে কারো মনে কষ্ট দিতে এ পোস্ট লিখিনি।
ফলে আপনারা স্বাধীন ভাবে, আমাকে যে যেমন মনে করেন, আপনার কমেন্টস এর মধ্যে তা লিখতে পারেন।
আমি চাই আমার জিন গঠিত বিষয়টি বা আমার শারীরীক, মানসিক অবস্থার প্রকৃত কারণটি উদগঠিত হোক; মানুষ জানুক, বিশ্ব বুঝুক; আসলে আমার কী হয়েছে! প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসতে এটি সহায়ক হোক বা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করুক। ও আমার দৈন্যদশার এ অবস্থা সমূহ স্মৃতি বন্ধী হয়ে থাকুক।
এবং আমার শরীরে জিন বা জিন সম্প্রদায়ের আগমন ঘটেছে বা জিন বা জিন জাতির উদ্ভব হয়েছে; জিন বা জিন জাতির উপস্থিতির বা জিন বা জিন জাতি বাস্তবেই রয়েছে, এর অস্তিত্বের প্রমাণ স্বরূপ বা প্রত্যক্ষ দর্শন হিসেবে বিশ্ব জ্ঞান ভান্ডারে এ বিষয়টির যুক্তি প্রমাণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট হিসেবে মানুষের কমেন্টস সহ হয়তো পুরো পত্রটি পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় হতে পারে।
তাই এ পত্রটি, এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আমি লিখেছিলাম ও প্রকাশ করেছিলাম।
কাউকে ঘায়েল করা বা নিজের পান্ডিত্য প্রকাশ করা বা যে কোন দিক দিয়ে আমার ক্রেডিট প্রকাশ করা, এটা আমার উদ্দেশ্য নয়।
আপনাদেরকে জানিয়ে দিচ্ছি যে, এ পোস্টটির লিংক যাকে দেয়া দরকার বলে আমার কাছে মনে হবে বা যাকে দিলে তিনি আমায় একটি ভালো কমেন্টস দিবেন, এ ধরনের ব্যক্তি বা ব্যক্তিবৃৃন্দের ইমো, হোয়াটসএপ, ম্যাসেঞ্জার বা অনলাইনের অন্য কোন মাধ্যমে, ইনশাআল্লাহ্ তার নিকট প্রেরণ করবো এবং সময় সময় এটি ফেসবুক সহ বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হতে পারে।
জ্বী, এখন কেউ যদি মন্তব্য লিখতে চান, তবে বুঝে-শুনে, চিন্তা-ভাবনা করে উপরোক্ত সম্পূর্ণ পত্রটুকু পড়ে এরপর লিখবেন। কারণ আপনাদের মতামত বা মন্তব্যের ভাষার উপর নির্ভর করবে, জিন হিসেবে বা মানুষ হিসেবে আপনাদের এরিয়াতে আমার বা আমাদের আসার প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা! বা আপনারা আমাকে বা আমাদেরকে আসলেই চান কিনা! অথবা চাইলে কতটুকু চান, বা কী জন্য চান, বা আমি বা আমরা আসবো কিনা, বা আসলে, কখন আসবো, বা আমাকে আসতে হবে কিনা, বা কখন আসতে পারবো, অথবা জিন হিসেবে বা মানুষ হিসেবে আমাকে কী করতে হবে, বা কী করতে হবে না, বা কী করলে আপনারা খুশি হবেন, আর কী করলে আপনারা খুশি হবেন না, অথবা আপনারা আমায় কী করতে বলেছেন বা বলতেছেন, আর কী করতে নিষেধ করছেন বা করতেছেন ইত্যাদি বিষয়গুলো।
দেখুন, বর্তমানে যেখানে আমার অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসার কোন ভাল ব্যবস্থা নেই; চরম অভাব চলছে আমার। সেখানে এর বেশি আর লিখে আপনাদের ধৈয্যের বাঁধ ভাঁঙ্গতে চাই না এবং আমার দ্বারাও আর লিখা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এমনিতেই অনেক লিখেছি। মন-মানসিকতা, অর্থনৈতিক ও শারীরিক এ অবস্থায় যে এতটুকু লিখেছি বা লিখতে পেরেছি, এটাও মহান আল্লাহু তা’য়ালার অশেষ মেহেরবানি ছাড়া আর কিছু না। যারা নিকটে আছেন, তারা বিষয়টি বুঝতে পারছেন নিশ্চয়ই।
তাই আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ। সকলে ভালো থাকুন, সুন্দর থাকুন, সুস্থ থাকুন। শুভ হোক আপনাদের সকলের জীবন।
বিঃদ্রঃ আপনারা উপরে দেখতে পেয়েছেন, এ চিঠির প্রকাশকাল এপ্রিল ২০২৬ ইং। অতএব এ সময়ের পর ভবিষ্যত জীবনের যে কোন সময়ে যারা আমার সাথে বা আমার শরীরে জিন আছে, এ বিষয়টি বুঝতে পেরে, আমার এ চিঠির উপরোক্ত আবেদন অনুসারে মন্তব্য বা মতামত বা স্বীকারোক্তি লিখবেন, তাদেরকে বুঝে নিতে হবে যে, চিঠিটির ভাষা ও এর বিবরণ সমূহ এই সময় ও আমার এ সময়কার অবস্থা অনুযায়ী লিখিত হয়েছে। কিন্তু এর আবেদন, আমার ইন্তেকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। তবে পরবর্তী যে কোন সময়ে, বর্তমানকার স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখার উদ্দেশ্যে, এ চিঠির ভাষা ও বিবরণে কোন কিছুর পরিবর্তন আনয়ন করা হবে না, অর্থাৎ কোন কিছু মুছে ফেলা হবে না ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা। হ্যাঁ, যদি বিশেষ প্রয়োজন পড়ে, তবে সময়ে সময়ে নতুন ডাটা সংযোজন করা হতে পারে। আশা করি বিষয়টি বর্তমান সময়ের পরবর্তীতে পঠিত চিঠিটির পাঠক সমাজ বা পরবর্তী যে কোন সময়ের মন্তব্যকারীগণ সহজে বুঝে নিবেন। সবাইকে ধন্যবাদ।
উপরোক্ত পত্র প্রেরণের পরিপ্রেক্ষিতে আপডেট লেটারঃ
‘আমার চরম সিদ্ধান্ত সমূহ’
(এ সিদ্ধান্ত সমূহ চিঠির শেষের দিকে রয়েছে)
তাংঃ ০১ মে ২০২৬ খ্রি.
প্রিয় আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী, পরিচিতজন এবং ফেনীসহ বিশ্ববাসী-
দেখুন, জিন হিসেবে আমার মানব শরীরে, আমার উদয়ন ঘটেছিলো সেই ২০০১ সনে। তখন আমার আত্মীয়-স্বজন সহ আপনারা আমায় শয়তান/ইবলিশ হিসেবে শনাক্ত করে আমার উপর শারীরিক, মানসিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও আর্থিক ভাবে অকথ্য ও সীমাহীন নির্যাতন, অত্যাচার, জুলুম করলেন। কত গুণিন-বৈদ্য, তাবিজ-তুমার, ঔষুধ, হাসপাতাল, এবং আমার উপর শক্তি প্রয়োগ! পরিশেষে আমায় না তাড়াতে পেরে, আপনারা সকলে মিলে এক চরম সিদ্ধান্ত নিলেন যে, যেহেতু আমি ইবলিশ এবং যেহেতু আমি মানুষের শরীরেই অবস্থান করছি, তাই আমায় হত্যা করা যাবে না; তবে জীবনে জিন হিসেবে আমায় সম্মানজনক কিছু করতে দেয়া হবে না। ঔষুধ খাইয়ে খাইয়ে শরীরের মধ্যে জিন যাতে উদ্ভব হতে প্রয়োজনীয় শক্তি-সামার্থ না পায়, বা উঠতে না পারে, সে অবস্থা সৃষ্টি করে রাখতে হবে; তার মানে আমাকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে দূর্বল থেকে দূর্বলতর করে দাবিয়ে রাখতে হবে। ও আমাকে পদদলিত করে, অপমানের পর অপমান করে, তুচ্ছ-তাচিছল্য করে, আমার সাথে মাতবরী মূলক ব্যবহার করে আমাকে দাবিয়ে, হীন, ছোট করে, আমার সৎ সাহস এবং মন-মানসিকতা ও কলিজা ভেঙ্গে দিয়ে কোনমতে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। যেহেতু আপনারা আমাকে আপনাদের জন্য হুমকি বা ভয় হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন!
এবং বুঝ হওয়ার পর আমি দেখলাম, আপনারা আপনাদের উপরোক্ত সে সিদ্ধান্তই বাস্তবায়ন করতে থাকলেন। আপনজন হয়েও আপনাদের এমন নিষ্ঠুর ও দূর্ব্যবহারে আমার মন-প্রাণ দিন দিন ভেঙ্গে যেতে থাকলো। আত্মীয়-স্বজন সহ গ্রামের একটি লোক আমায় একবারও বলেননি যে, এটা জিনের কারণ, জিনকে পরাস্থ করার কৌশল, যার জন্য আপনারা এতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আপনারা আমায় শুধু বলতেন, ঔষুধ খা, যত দিন বাঁচস, তোকে ঔষুধ খেয়ে যেতে হবে।
যারা ছিলেন আমার একান্ত নিয়ারেস্ট, এই তারাই কিভাবে আমায় অপদস্থ করেছিলেন! সে সব ফিরিস্থি আজ আর দিচ্ছি না। তবে অল্প কিছু লিখে নিজের মনে শান্তনা খুঁজছি! আমার মন-মোগজকে ভেঙ্গে আপনারা কি খান খান করে দেননি!? আবার কৌশল হিসেবে আপনারা সমাজের মধ্যে, মানুষ ভেধে প্রচার করলেন, আমি পাগল-মানসিক রোগী হয়ে গেছি। মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েও কি শান্তি পেয়েছি!?
আমার বিষয়ে তাঁর মতো করে আমাকে ইবলিশ জিন বা দুষ্ট মানুষ হিসেবে বুঝে নিয়ে মুয়াজ্জিন বা ঈমাম সাহেব হুজুর আমার মাথার উপরের ফেনটা বন্ধ করে দিয়েছেন। শুক্রবার দিন যখন অনেক আগে সওয়াবের আশায় মসজিদে গিয়েছি, তখন মোয়াজ্জিন আমায় খারাপ উদ্দেশ্য প্রণোদিত মনেকরে বলেছেন, ও আপনি বুঝি সওয়াবের আসায় এসেছেন!? মসজিদে সুললিত কন্ঠে কোরআন তিলাওয়াত করতে চেষ্টা করা হলে, আপনারা সম্মান না করে, আমার তামাসা চাইতেন। যার কারণে আমি মসজিদে কোরআন তিলাওয়াত বন্ধ করে দিয়েছি। নিয়ত করেছিলাম জীবনে যত দিন বাঁচি প্রতি রমজানের শেষ দশক ইতেক্বাফ করে যাবো, কিন্তু আপনাদের তামাসা চাওয়া-চাওয়ির কারণে আমি অসুস্থ হয়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আমি সেটিও বন্ধ করে দিয়েছি। আবার পরবর্তীতে জীবনের যে কোন সময়ে যখনই আপনাদের সম্মুখে জিন হিসেবে পরিচয় প্রকাশ করেছি, তখন যে কোন কারণেই হোক না কেন হয়তো আপনাদের কেউ কেউ আমায় সামান্য মূল্যায়ণ করেছেন (তাও গত কয়েক বছরের মধ্যে, ২০২৬ ইং), কিন্তু যখনই আমি মানুষ হিসেবে আমার পরিচয় প্রকাশ করেছি, তখন আপনারা কিভাবে আমার সাথে অপমান মূলক ব্যবহার করেছেন; মনে পড়ে আপনাদের? অথচ আপনাদের বুঝে ধরেনি, মানুষতো আসলে একজনই আমি; তাহলে যে ব্যবহারে জিন সম্মান পাবে, সে একই ব্যবহারে মানুষ কেন অসম্মানিত হবে? আপনাদের এসব ব্যবহারের জন্য আপনারা কি একটুও দায়ী না? আপনারা সবাই মিলে আমায় লাথির পর লাথি মারছেন এবং মেরে চলেছেন, এতে আপনাদের কারো কোন দোষ হয়না বা হয়নি, অথচ আমি কাউকে সামান্য পা দেখালেও আপনারা সবাই মিলে আমায় ঝাপড়ে ধরেন, আমার মহা দোষ ধরেন? আচ্ছা আমরা না হয় শয়তান হলাম, আপনাদের এসব ব্যবহারে আপনারা কেমন মানুষ বলেন!? ইয়াতিম শিশু আর অসহায় গরীবদের জন্য দয়া হতো, কিন্তু তাদের দিকেও তাকাতে পারতাম না, উপহাস করতো। শাসনের ছলে কখনো যদি ছোটদের দিকে অথবা শিশু ভাতিজাদের দিকে তাকাতাম, তখন তারা উল্টো আমায় পাল্টা চরম অপমান মূলক দৃষ্টিপাত ও ব্যবহার করে আমার মাথাই খারাপ করে দিত। আমি যেন বাড়ির ও সমাজের উচ্ছিষ্ট মানুষ!!
মাইন্ড করবেন না, সমাজে আপনারা আমার বিষয়ে মিস গাইড ও ব্লাক ম্যাসেজ প্রদান করতেন। আর এতে বালক শ্রেণীর ছেলেরা ও রিক্সা ওয়ালা ও মূর্খ টাইপের মানুষেরা কি এতো কিছু বুঝতো! কেমন ব্যবহার করে ছিলো তারা আমার সাথে!? অথচ আপনারা এতে মজা পাইলেন, তামাসা চাইলেন! কিন্তু একবারও ভাবলেন না, এ তো আমাদেরই ভাই, আমাদেরই প্রতিবেশী, আমাদেরই আপনজন!
দেখুন, আমার ঘাড় ভেঙ্গে দিতে, মন-মোগজ ভেঙ্গে দিতে, আমাকে রাত ২/৩টা পর্যন্ত শক্ত মোটা রশি দিয়ে বেঁধে রেখে আমার রক্ত চলাচল প্রায় বন্ধ করে দিয়ে আমাকে এক রুমে আঁটকিয়ে রাখলেন। একই উদ্দেশ্যে আমাকে এক রুমে তালাবন্ধি করে রাখলেন একটানা প্রায় ৮/১০ দিন। ধমক দিয়ে বললেন, তোর দাঁড়িতে আগুন ধরামু, আমার মেচওয়াক কেড়ে পুকুরের মাঝে ফেলে দিলেন, বেশি বেশি দোয়া-দরুদ পড়লে ধমক দিয়ে বলতেন, এতো কী পড়স! আমি কোরআন শরীফ একটু বেশি তিলাওয়াত করার কারণে আমার হাত থেকে কোরআন শরীফ কেড়ে নিয়েছিলেন। আমি খাটে ঘুম যাওয়ার পর, নিচে আমার পায়ে পরার জুতোর উপর কোরআন শরীফ রাখলেন, যাতে ঘুম থেকে উঠে জুতা পরতে গিয়ে কুরআন শরীফকে লাথি মারি! এতো অতিরিক্ত করার কারণে আমার দিলে কি একটুও কালো দাগ পড়েনি বুঝি!? জ্বী, চেয়েছিলেন আপনাদের প্রতি ভয় সৃষ্টি করতে, যাতে আপনাদেরকে নম নম করি! আপনাদের কাছে সবসময় যেন দূর্বল থাকি! অবশ্য অনেকটা সফলও হয়েছেন। নিশ্চয় লক্ষ্য করেছেন, আপনাদেরকে দেখলে আমি যেন একেবারেই হিম হয়ে যাই! কিন্তু
কাজটা কি ভালো হয়েছে? এভাবে উদ্বমতা হারিয়ে, নিস্তেজ হয়ে দুনিয়ার কোন কাজ হবে!? দুনিয়ার কোন কাজ দরকার?
না, আপনারা আমার আব্বা বা মোডল হওয়া দরকার?
জানিনা কোনটা আপনাদের দরকার মনে করে আমার সাথে এমনটা করলেন! অথবা কিভাবে আমাকে শয়তান রূপে চিহ্নিত করলেন!? আর আজ
আমি যদি ফেইলিউর হই, তবে আপনাদের এসব কর্মকান্ডের দায়ে আপনারা
কি কাল কেয়ামতের মাঠে একটুও দায়ী হবেন না!?
এবং এরপর আমি নিজেও এমন কিছু কথা ফেসবুকের মাধ্যমে লিখলাম যে, যে জিন ও মানুষের বিয়ে জায়েজ, আমি সামর্থবান হলে ৪ বিয়ে করবো, দাসী রাখবো এবং আমি আরো লিখলাম একই বিছানায় স্ত্রীদের সাথে বা দাসীদের সাথে, প্রত্যেকের সামনে, একসাথে সহবাস বা গ্রুফ সেক্স করা জায়েজ। আর আমার এ আগ্রহ বা মনোভাব যখন আমার চোখে, মুখে ও ইঙ্গিত বা ভাব-ভঙ্গিমায় প্রকাশ পাচ্ছিলো, তখন আমার প্রতি আপনাদের ব্যবহার কেমন
ছিলো!? বাড়ি বা ঘরে বা এ সমাজে কিভাবে বেঁচে ছিলাম আমি!?
আপনাদের শত অত্যাচার সয়েছি! এবং যার ফলশ্রুতিতে আজ আমার ও আমার সংসারের সদস্যদের জীবন প্রায় বিপন্ন; আমরা আজ এক চরম মানবেতর জীবন-যাপন করছি।
আর এখন আপনাদের ব্যবহারিক মনোভাব অনুযায়ী, আপনাদের ব্যাপক মানুষের মৌন সমর্থন ও কিছু লোকের মৌখিক স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, যেহেতু আপনাদের কিছু লোক আমাকে মুখেও বলেছেন যে, আমি জিন; তখন আমি উপরোক্ত পত্রের মাধ্যমে আপনাদের নিকট আবেদন করেছিলাম, আপনারা আমার বিষয়ে যে, যা
বুঝতে পেরেছিলেন, ঠিক সে মন্তব্যটি লিখে বিশ্বের জ্ঞানী-বিজ্ঞানীদের প্রতি আমার জন্য একটি দলিল
বা স্বাক্ষী রেডি করে দিতে যে, আসলে কেন আমার বৈশিষ্ট্য এ রকম অস্বাভাবিক হয়ে গেছে! বা গিয়েছিলো বা আসলে আপনারা কেন আমার সাথে এ রকম ব্যবহার করেছিলেন এবং আমার উপরোক্ত পত্রে আপনাদের প্রতি আমি অনুরোধ করে ছিলাম, আপনাদের কাছে যদি মনে হয় যে, আমার শরীরে জ্বীনের উদয়ন ঘটেছে বা পৃথিবীতে এটা জিন জাতির আত্মপ্রকাশ বা এভাবে এভাবে আমি বা আমরা এটিকে জিন হিসেবে সনাক্ত করতে পেরেছি। তখন আপনাদের কেউ আমার উপরোক্ত পোস্টটির একটা মন্তব্য পর্যন্ত লিখেননি।
এটা আমি এ জন্য চেয়েছিলাম যে, একদিকে যেমন মানুষ নিজের পরিচয় নিজে
পুরোপুরি বুঝার কথা না! বা নিজে কী, সঠিক
ভাবে সেটা নিজে বলতে পারেনা!! ঠিক তেমনি আমি যখন বিশ্ব সাস্থ্য
সংস্থা বা এ জাতীয় প্রতিষ্ঠানকে লিখিত ভাবে বিষয়টি জানাবো, তখন
আমার বিষয়ে আপনাদের দেয়া এ স্বাক্ষী বা মন্তব্য বা সে্টটম্যান্ট; জিন হিসেবে আমার একটি দালিলিক প্রমাণ পত্র হিসেবে ঐ পরিপত্রের সাথে দাখিল করতে
পারবো। এবং নিজেও বিষয়টি ভালো ভাবে বুঝতে পারবো ও আত্মবিশ্বাসের সহিত কাজ চালিয়ে যেতে পারবো!
কিন্তু আমার আত্মীয়-স্বজন,
প্রতিবেশী ও আলেম সমাজ যখন এ বিষয়ে মুখই খুলেননি,
একটি মন্তব্যও লিখেননি; তখন আমি হতাশ হয়েছি,
মনে দুঃখ পেয়েছি। তাহলে আপনারা কেন আজ প্রায় সু-দীর্ঘ ২৫টি বছর আমায় এতো কষ্ট দিলেন,
আর আজ সে কথাটি বলতেও পারলেন না!? বা বলতেও নারাজ!
তাহলে আপনারা আমার কেমন স্বজন!!
আমি আমার আত্মীয়-স্বজন সহ আমার এলাকার প্রায় ৪০ জন মানুষের নিকট উপরোক্ত পোস্টের লিংক ইমোতে
পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু আপনারা কেউ উত্তর দেননি! তাহলে এখন আমি দেশি বা আন্তর্জাতিক কোন প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে বা জানান দিতে,
আমি যে জিন হিসেবে এ মহাবিশ্বে উদয় বা প্রকাশিত হয়েছি, বা আগমিত হতে চেষ্টা করছি; আমার পরিচয় প্রকাশ করার জন্য
বা মহান রবের সৃষ্টিগত পরিচয় প্রকাশের জন্য, তথা সর্বশক্তিমান
আল্লাহু তা’য়ালার পরিচয় প্রদান করার জন্য বা মানুষের জন্য কল্যাণকর
নেয়ামত নিয়ে আসার জন্য; এখন এর স্বপক্ষে আমি কী দলিল পেশ করবো,
আপনারা বলেন!? ইতিপূর্বেও আমি আপনাদের নিকট,
এ বিষয়ে আপনাদের সাপোর্ট বা সমর্থন চেয়েছিলান। কিন্তু তখনও আমি আপনাদের থেকে
কোন সাড়া পাইনি!
হয়তো আপনাদের কথা হলো, আমি এক মহা শক্তিধর ইবলিশ জিন! তাই আমাকে কোন ধরনের সহযোগিতা
আপনারা করবেন না, শুধু বাধা দিবেন, দাবিয়ে
রাখবেন। তাছাড়া আপনাদের আরো চিন্তা হচ্ছে আমার মতো এমন গেঁও, আনকালচার্ড অল্প শিক্ষিত মানুষের দ্বারা
এসব কখনোই সম্ভব হবে না! আর তাই আপনারা আমার ওয়াইফাইটা পর্যন্ত
বন্ধ করে দিয়েছেন, যাতে বাহিরের কারো সাথে আমি যোগাযোগ করতে না
পারি; কারণ যেহেতু আমি কাফেরী মতবাদ প্রকাশ করছি, আমি মোরতাদ হয়ে গেছি, তাই আমাকে বেঁধে রাখাই আপনারা উত্তম
বলে মনে করছেন হয়তো! অথবা আপনারা এ ভেবেও আমাকে ওয়াইফাই না দিতে পারেন যে, আমার
কাছে ভাত খাওয়ার টাকা নেই, আমি ওয়াইফাই দিয়ে করবো কী, কিছু পারলেতো আগেই করতে পারতাম!
তাহলে বার বার আবেদন করার পরও কেন ওয়াইফাই সংযোগ দিচ্ছে না আমায়!?
কিন্তু ওয়াইফাই কর্তৃপক্ষের স্মরণ রাখা উচিৎ ছিলো, প্রথমে এ ওয়াইফাই লাইন আনতে তারা
আমার কাছ থেকে মনেহয় ৩/৪ হাজার টাকা নিয়েছিলো, আর এখন আমি মাসে ৫০০ টাকাও দিতে পারবো
না!? যাক তাদের মনের খবরতো আর আমি জানিনা!!
এখন কথা হচ্ছে, আপনাদের
ফতোয়ায় আছে, জিন এবং মানুষের বিয়ে নাজায়েজ, হারাম; এছাড়া আপনাদের বিজ্ঞানীরা বলছেন জিন বলতে কিছু
নেই। এছাড়াও আমি বলছি, স্ত্রীদের সাথে এবং দাসীদের সাথে একই বিছানায়, একই সময়ে সহবাস জায়েজ বা তাদের সাথে গ্রুপ সেক্স জায়েজ; অপরদিকে আপনারা বলছেন, এটা শুধু হারামই নয়, কাট্টা হারাম। আমি জানি, হয়তো আমার সাথে জিন থাকাতে আপনারা আমাকে শুধু মৃত্যু প্রায় করে রেখেছেন, না হয় এতো দিনে হয়তো আপনাদের কোন একটা দল আমাকে মোরতাদ ঘোষণা করে জেন্তই মেরে ফেলতেন! যেহেতু ইসলামে মোরতাদের শাস্তি হচ্ছে, হয় বেঁধে বা আঁটকিয়ে রাখতে হবে, না হয় মেরে ফেলতে হবে।
এবং যেহেতু হারাম হচ্ছে ফরজের বিপরীত। তার মানে আপনারা যাকে হারাম ফতোয়া দিচ্ছেন, আমি তা মানছিনা,
বরং আমি তা অবজ্ঞা করে, না মেনে, তাকে জায়েজ ও সওয়াবের কাজ বলছি। দেখুন, ইসলামী শরিয়তের একটি আইন হচ্ছে, কোন মুসলমান যদি কোন হারামকে হালাল মনে করে, তবে সে যদি জেনে বুঝে ও সুস্থ মস্তিষ্কে এটা করে, তাহলে তার ঈমান থাকে না, সে কাফের এবং ধর্মদ্রোহী বা মোরতাদ।
তাহলে আমার প্রতি আপনাদের
এমন গুরুতর নেগেটিভ মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এবং চিরদিন এ অসুস্থতা ও অর্থনৈতিক ফকিরি
অবস্থা নিয়ে আমি কিভাবে আপনাদের সাথে বসবাস করবো, আর কিভাবে বাঁচবো,
আপনারা বলেন?
যে শিশু ভাতিজা, আমাকে
সম্মান করার কথা; সে শিশু ভাতিজা আমাকে তুচ্ছ্য-তাচ্ছিল্য করছে; অপমানজনক ভাবে দৃষ্টিপাত করছে,
এখন পর্যন্ত আমার দিকে চোখ রাংঙ্গিয়ে থাকছে বা ভাষা-ব্যবহার করছে। আমাকে তার সমান সমান মনে করে, বাহুবল দেখাচ্ছে, আমাকে তার আপনজন মনে করতে পারছে না। আমার সাথে সে অপমানজনক ব্যবহার
করছে! আমি তার বাবার ভাই,
অথচ আমার বিষয়ে তার সমান সমান ও অপমানজনক চিন্তা! তাদের সকলের এ রকম অগ্রহণযোগ্য ও অপমাণজনক মনোভাব এবং দৃষ্টিভঙ্গির কারণে বাড়ির
দিকে ঢুকতে এখন আমি ইতস্তত করি, চুপিসারে ঢুকতে চাই, নিজকে বিব্রতবোধ ও অপমাণিতবোধ মনে করি।
আবার আমারই ভাই,
অথচ আমাকে দেখছে তারা ছোট ও খাট চোখে এবং আমার সাথে চলছে তারা অনেক অনেক
দূরত্ব বজিয়ে! আমার যে কোন সম্মানজনক কাজের বিরোধিতা করে। আমার বাবার পুকুর থেকে আমার
বসত ঘরের জন্য যখন ভিটি বাঁধাই করতে অল্প কিছু মাটি আনতে যাই, আর আমারই বড় ভাই আমাকে আনতে দেয় না,
আমার লেবারকে জোর পূর্বক তুলে দেয়; আর এ অবস্থায়
আমি মজলুম হিসেবে বাড়িতে আমার পক্ষে কেউ কথা বলার থাকে না, তখন
আমার ভাইদের কাছে আমি গ্রহণযোগ্য আছি বলে কি আপনারা মনে করেন!? রাস্তার পাশে আমার সমিতির ঘর দিতে প্রথম যে দিন ইট আনি
ও রাস্তার পাশে ফেলি, তখন আমারই বড় ভাই বাড়ি থেকে তেড়ে আসে এবং
লেবারদের সাথে অনেক অনেক বকা-বকি ও রাগা-রাগি করে। তার ওজুহাত হচ্ছে, আমার
কিছু ইট তার নাইচ্ছা গাছের (পাট শাক, ৮/১০টি) মধ্যে পড়েছে। আসলে এটা ছিলো তার হিংসা ও
গায়ের জোরের এবং আমার প্রতি তার বিরোধিতার বহিঃ প্রকাশ! যে ভাতিজাকে ছোট বেলায় কোলে নিয়েছি,
আদর করেছি, সে ভাতিজার কাছে কোরআন তিলোয়াতের একটি
ভিডিও শেয়ার করলে, সে বলে, নেক্সটটাইম আমার
কাছে এ ধরনের কোন কিছু শেয়ার করবেন না! ভায়ের ঘরে মাকে দেখতে
গেলে, ভাবী বলে কেন ঘন ঘন আসি, করনার জীবানু
আসতেছে!
যে মহিলাদেরকে আমি দূর্বল
মনে করে, তাদের হক আদায়ে সচেষ্ট হতে চাচ্ছি, তাদের হয়ে কথা বলতে চাচ্ছি, তারাই অতিরিক্ত পর্দার কথা
বলি, নির্লজ্জ্যতার কথা বলি ইত্যাদি অযুহাতে আমাকে ঘরে রেখে তালা
মেরে দিচ্ছে এবং এর নেতৃত্ব দিচ্ছে আমারই বোন! এবং অনেক সময়ই
তারা আমার সাথে পর্দাতো করছেই নাা, বরং আমার সামনে আমাকে মুখ
ভেংচি কাটছে, আমি ভাসুর হয়েছি ইত্যাদি কথা বলছে, মাথা নিচু করে পাচায় তাকাতে ইঙ্গিত করছে।
না বললেই নয়, রাত ১১/১২ টায় যখন স্ত্রী সহবাসে থেকেছি, ঠিক তখন আমার ভাবি এসে জানালায় পিঠতে থাকে ও আমার বউকে অনবরত ডাকতে থাকে। আমরা কেউ জবাব না দিলে, এবার আমার বড় মেয়ের নাম ধরে ডাকতে থাকে
অনরগল। এবং ফেসবুকে বিষয়টির সাধু ভাষায় প্রতিবাদ করলে, পরদিন সকালে আমার ভাই তার ছেলে সহ এসে আমার সাথে মার মুখি অবস্থান
গ্রহণ করে ও উত্তপ্ত ব্যবহার করে!
আমার সম্পত্তিতে আমি থাকি;
অথচ আমার জেঠাতো ভাই আমাকে শাসায় ও বলে,
তুই বেশি করতেচস, তুই বাড়ি থেকে বের হ!
যে আলেমকে আমি সবচাইতে বেশি সম্মান করি, অথচ তিনি ও তারা এবং আমার আত্মীয়-স্বজনেরাই
আমাকে বলছে কাফের! করছে দূর দূর! ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা আমি মুমেন, অথচ
সকলের মাঝে আমি কাফের হিসেবে সাব্যস্থ!
যে স্ত্রীর কাছে শান্তি পাওয়ার কথা ছিলো, সেই’ই তার বেঁচে থাকার স্বার্থে, খাওয়া পরার স্বার্থে,
তার ভাসুর ও ভাবীদেরকে করছে অতি সম্মান, আর আমাকে
করছে নির্লজ্জ্য অপমান। যেভাবে আমার মাথা গরম হয়ে যাবে,
যেভাবে করলে আমার কাছ থেকে অপমানজনক ব্যবহার বেরুবে, আমি অপমাণিত হবো, সেভাবে ব্যবহার করছে, যাতে আমাকে দাবিয়ে রাখা যায়, যাতে বাড়ির অন্যান্যদেরকে
খুশি করে রাখা যায়!
আলহামদুলিল্লাহ, আমি
৫ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে পড়ি, এবং আগে যেখানে মানুষ আমাকে অনেক
সময় আযান দিতে, ইকামত দিতে এবং সময় সময় নামাজের ঈমামতি করতে আহবান
জানাতো, সেই ক্ষেত্রে এখন মানুষ আমাকে যেন এসবে সহ্যই করতে পারছে
না, আমার কাছ থেকে যেন ফাতিহা সূরাটিও শুনবেনা আর! যার কাছে দ্বীনের তেমন কোন জ্ঞান নেই, সেও ইকামত দিচ্ছে,
আর আমি তুচ্ছিত হয়ে, মসজিদের সর্ব বামে বা সর্ব
ডানে বসতে বাধ্য হচ্ছি! কারণ আমার প্রতি মানুষের গ্রহণ যোগ্যতা
নেই এবং আমাকে মানুষ অযোগ্য ও পাপী মনে করছে। মসজিদে বেশি বেশি কোরআন তিলোয়াত
করলে, নামাজ পড়লে সে হওয়ার
কথা সম্মানিত, অথচ আমি হই তামাসার পাত্র!
তার উপর আমার কাছে এখনো মানুষ প্রায় ৭ লক্ষ টাকা পাবে এবং যা দিতে পারছিনা আজ প্রায় ৫ বছর হয়ে গেছে, যার জন্য এ সমাজে বসবাস করতে আমার নিজেরই মন মরা!
(সঠিক অবস্থা ও ঘটনা বোঝার স্বার্থে অল্প কিছু তুলে ধরলাম!)
এভাবে বিভিন্ন কারণে আমার আত্মীয়-স্বজন এবং আমার এলাকার মানুষগুলো আমায় এড়িয়ে চলে; ধনী
গোচের এবং আমার কাছের মানুষগুলো ও আলেম সমাজ আমাকে তাদের সাথে সম্মানজনক ভাবে মিশতেই
দেয় না, আমার সাথে তারা অনেক দূরত্ব বজিয়ে চলে, আমি তাদের সাথে চললে, তাদের সাথে কথা বললে যেন তাদের
সম্মান হানি হয়, তাদের যেন মান-ইজ্জত চলে
যায়! কোন প্রয়োজনে তাদের নিকট ফোন করলে, তারা ফোনতো ধরেইনা, অনেক সময়ই উল্টো ফোন কেটে দেয়!
শুনুন ভায়েরা, আমি যেখানেই গিয়েছি বা যেখানেই থাকছি, আমার নিজ জন্মস্থান বলেন কি বাহিরের কোথাও বলেন, চাকুরির প্রয়োজনে অনেক মাদ্রাসায় ও অনেক স্থান বা এসব স্থানের অফিস-আদালতে আমি গিয়েছি, আপনাদের থেকে ফতোয়া আনতে কয়েকটি মাদ্রাসা ও সরকারী প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাউন্ডেশনেও গিয়েছি, সকল জায়গাতেই আমাকে মাথা নিচু করে, আপনাদের-মানুষদের পা চেয়ে চেয়ে, আপনাদেরকে কুর্ণিশ করে করে, নতজানু হয়ে, আপনাদেরকে ও আপনাদের আইন-কানুনকে আব্বা ডেকে ডেকে মাথা নুইয়ে নুইয়ে, আপনাদের শিশু-বুড়ো সকলের থু থু গিলতে গিলতে এবং ২৪ ঘন্টা আপনাদের নজরবন্দী হয়ে, কোনমতে আধমরা হয়ে বেঁচে থাকতে হয়েছে বা হচ্ছে।
কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না, জিন হিসেবে আমি এসেছি আপনাদেরকে আমার আইন অনুযায়ী আপনাদের জীবন চালাতে, আপনাদের আইন অনুযায়ী মাথা নুইয়ে নুইয়ে আমার জীবন চালাতে নয়; মানে আপনাদের চলমান আইন সমূহকে আমার দ্বারা যটটুকু সম্ভব কোরআন-হাদিস অনুযায়ী সংশোধন করতে।
সব মিলিয়ে আপনাদের এ রূপ বিরূপ
ও নিষ্ঠুর ব্যবহারে গত ২৫ বছরে আল্লাহর রহমতে আমার যথেষ্ট জ্ঞান হয়েছে যে, মুসলিম বিশ্বের কোথাও হয়তো আমাকে গ্রহণ
করা হবে না। ফলে মুসলিম জনগণের মাঝে জিন হিসেবে আলাদা ভাবে আমি হয়তো কোন দিনই আসতে পারবো না। তবে ভয় পাবার কারণ নেই, আমি যদি কোথাও চলেও যাই, সেটা প্রকাশ্যেই যাবো। এবং যারা আমার কাছে টাকা পাবেন বা বিভিন্ন সময়ে আমার
উপকার করেছেন বা এখনো করছেন, আমি এ ধরনের সকল ব্যক্তি বা ব্যক্তিদ্বয়ের প্রতি চির কৃতজ্ঞ থাকবো ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা।
তবে আমার মনে হয় ইংরেজ সমাজ আমার এ সব মানসিকতা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে মেনে নিতে পারে। কিন্তু কথা হচ্ছে, তারা আমার এ অল্প কয়েকটি মাসআলাকে সামাজিক ভাবে মেনে নিলেও, ইসলামের অন্যান্য হাজারো মাসআলাকে তারা মেনে নিবে না। এবং তাদের সমাজ-সংস্কৃতিতে, যেখানে নিকটে হয়তো মসজিদও নেই, যেখানকার মানুষ প্রায় অর্ধ-উলঙ্গ, এরূপ একটি পরিবেশে ১০০% ইসলাম মেনে সর্বোত্ততম ইবাদত করা অনেকটাই অসম্ভব। আবার মুসলিম জাহানে আমার এ মাসআলা সমূহকে জায়েজ বলা এবং আমাকে পদবী ছেড়ে দিয়ে চেয়ার দিয়ে দায়িত্ব দেয়া, তা শক্তি প্রয়োগ ব্যতিরেকে হয়তো কিছুতেই সম্ভব হবে না বা কেউ মেনে নিবে না।
আবার আমি জন্মভূমি থেকে হিজরত করতে পারি, যেহেতু তা সুন্নাত। কিন্তু নিজ সম্প্রদায় ত্যাগ করে চলে যাওয়া, তাহলেতো আমি কাপূরুষ! মুসলিম কি কাপূরুষ হতে পারে!?
তবে যেতে পারি শুধু এক যুক্তিতে, আর সেটি হচ্ছে যদি কোন আগুনের বাসিন্দা, মানে যারা অমুসলিম বা নাস্তিক, তারা যদি ইসলাম গ্রহণ করে বা করবে, আমার জিন যদি এ রকম কিছু পারবে, যদি তার কাছে এ রকম মনে হয়, এ বিষয়ে যদি তার সৎ সাহস থাকে, তাহলে যদি এসব ফলপ্রসু দাওয়াতি কাজ মক্কায় মসজিদে হারাম শরীফের পাশে বসে সম্ভব না হয়, তাহলেই কেবল ইংরেজ দেশে যাওয়াটাকে আমি সমর্থন করতে পারি এবং আমি এতে প্রস্তুত রয়েছি।
তবে আমি মনে করি আধুনিক প্রযুক্তির উৎকর্সতার এ দিনে মসজিদে হারাম শরীফের পাশে এক ভবনে থেকেই পুরো পৃথিবী পরিচালনা করা এবং এর সমস্ত কাজ সম্পাদন করা সম্ভব!
যাক আমার সব কিছু জিনের বা জিন সম্প্রদায়ের ইচ্ছার, তারা রাজি থাকার উপরই নির্ভর!
তাই সব কিছু বিবেচনা করে আমার মুক্তি কোন্ পথে আমি নিজেই জানি না।
অন্যদিকে এতোদিনে আমি যা দেখলাম আমার চারপাশের মুসলিমদের সবচাইতে বড় একটি মূর্খতা হচ্ছে, ওরা আমার কাছ থেকে শুধু জিন চায়। জিনকে ভয় করে হোক বা লোভে পড়ে হোক বা কৌতুহল বশে হোক, যখনই আমি জিন হিসেবে জনাব আরিফের শরীরে দৃশ্যমান হই বা মাইন্ড করবেন না, আপনাদের মতো জ্ঞানহীন বা মূর্খদেরকে বুঝাই, শুধু তখন আপনারা আমায় মূল্যায়ন করেন, কিন্তু যখনই আমি মানুষের বেশে, একজন স্বাভাবিক মানুষের মতো করে দৃশ্যমান হই, তখন আপনারা আমায় মূল্যায়নতো করেনই না; উল্টো অপমানের চরম সীমায় পৌঁছিয়ে দেন। আপনাদের কেউ বুঝতে পারেন না যে, আমরা মানুষ হই বা জিন হই, আমরা একজনই। একটিই শরীর আমাদের। জিন হিসেবে যখন আমরা আপনাদেরকে বুঝাই, তখন মানুষটি যায় কোথায় বলেন (?), আবার মানুষ হিসেবে যখন আপনাদেরকে বুঝাই, তখন জিনটি যায় কোথায় বলেন!? আমাদেরকি ব্রেন একটি নয়!? জিন হিসেবে হোক বা মানুষ হিসেবে হোক, আমরা যেভাবেই উদিত হই না কেন, আমরা ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা উভয়ে উভয়কেই বুঝতে পারবো। শুধু আপনাদেরকে বুঝাতে গিয়ে বা আপনারা যা বুঝেন, সে হিসেবেই আপনারা আমাদেরকে এরূপ দেখতে পান বা দেখাতে হয়। না হয় এ লিখনির মধ্যে এতো কিছু কিভাবে লিখেছি বলেন?
তাছাড়া মানুষের সাথে, মানুষের মাঝে কাজ করতে হলে মানুষের মতো হয়ে কাজ করতে হবে! জিন হিসেবে রোগীর বেশে বা পাগলামি করে করে অথবা মানসিক রোগীর মতো থেকে থেকে কি কোন কাজ করা সম্ভব হবে!?
কিন্তু অতীব আশ্চর্যের বিষয়, যখনই আমরা মানুষ হিসেবে উদিত হতে চাই বা উদিত হই, তখন আপনারা কোন কাজতো দিতে চানই না, উল্টো মনে হয় আমাদের মুখে চুন-কালি লাগিয়ে দিবেন, এ রকম অবস্থা!
আচ্ছা আপনারা কি আমাকে জিন হিসেবে অস্বাভবিক বা পাগল বেশে দেখতে চান (?), না, সুস্থ সবল একজন মানুষ হিসেবে দেখতে চান!? আপনাদের কবে জ্ঞান হবে?
আমি কি এতোদিন আপনাদেরকে জিন হিসেবে পরিচয় দিইনি?
এখন আপনাদের উচিৎ আমাকে একজন যোগ্য মানুষ হতে সহযোগিতা করা, কিন্তু আপনারা তা না করে, এখনো শুধু তামাসাই চান।
তাহলে আপনাদের সাথে আমি কিভাবে থাকবো, আর কিভাবে কাজ করবো? বা আপনাদের বা আমার উন্নতি করবো! আবার আমাকে জিন হিসেবে মানুষের শরীরে যদি উদিত হতেই হয়, এবং কোন কাজ যদি করতেই হয়, তবে অবশ্যই বাকি দশ জন মানুষের মতোই আমাকে থাকতে হবে। আমার পরিচয়তো আর আপনাদেরকে কম দিইনি, তাইনা!?
এছাড়া আপনাদেরকে যখন কোন সহজ সত্য বিষয়েও যদি আমি না বোধক ইঙ্গিত দিই, আপনারা সকলে সে না’য়ের উপরেই দায়েম ও কায়েম থাকেন; ফলে অসত্যই বা যা সঠিক নয়, এরূপ বিষয়ই কি কায়েম হবে!? বা আপনারা কি আমার প্রকৃত বন্ধু হবেন না কখনো! যা হলে ভালো হবে, তাই কি হবে না!?
বলেন আপনারা কি সবাই একচেটিয়া আমায় অনুকরণ করতে চান? আপনাদের এতো উদ্ভট বন্ধুতো আমি নই!
শুনুন, আমি যদি আপনাদেরকে সত্য ও সঠিকটিকে না বলি, আর আপনারা যদি তখন, আমার না বোধককে ডিঙ্গিয়ে হ্যাঁ বলতে না পারেন, তাহলে আপনাদের মাঝে আমি চিরদিন থাকলেওতো কোনরূপ কাজ হবে বলে মনে হয় না!
বলেন আমি কি আপনাদের জন্য কোন রূপ বেহেশতের বা হিরা-রত্নের জাহাজ নিয়ে নেমেছি!? নিজেদের বিবেক একধম ছেড়ে
দিবেন!? তাহলে আপনাদের এমন মানসিকতা ও জ্ঞান-গরীমার মাঝে আমি কী করতে পারবো বলেন!?
আবার আপনারা জানেন, একজন মানুষের উপর যখন সমাজের বাকি মানুষেরা বছরকে বছর খারাপ আইডিয়া রাখে বা অপমানজনক ব্যবহার করে, অথবা সহযোগিতা না করে শুধু তামাসা চায়, কোনখানদিয়ে ভূল করলো, কী কী ভূল করলো, নামাজ-রোজা ইত্যাদি কিভাবে কিভাবে করলো, নামাজ কয় রাকাত পড়লো, ঠিক মতো পড়লো কিনা, কী বাজার করলো, কিভাবে হাঁটে, কী খায়, সে কী পাস করেছে, এ কয় ক্লাস পড়ে, এ সামান্য পড়ে সে কী পারবে, তার এ সব পাগলামী অথবা তাকে ঔষুধ খাওয়াইয়া দমাইয়া রাখ ইত্যাদি ইত্যাদি;
আর তার নামে এ অপপ্রচার গুলো যখন সমাজে ছড়াতে থাকে, তখন ঐ মজলুম মানুষটি পরবর্তীতে ঐ জালেম ব্যক্তিটির বা ব্যক্তিদের সাথে বা ঐ সমাজে আর কিছু না হোক, অন্তত মিলেমিশে হাসিখুশি ভাবে চলার বা ভালো কিছু করার যোগ্যতা হারায় এবং তার যোগ্যতা ঐ জালেম বা অবহেলাকারী বা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্ল্যকারী ব্যক্তিদের নিকট বা তাদের সামনে প্রকাশ করতে সে স্বাভাবিক হতে পারে না!
বা এদের সামনে হয়তো সে তার যোগ্যতা প্রকাশ করতে পারেই না!
আমি মনে করি এটা মানু্ষের সৃষ্টিগত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য! আর আমার প্রতি আপনাদের মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গিতো এ রকমই! আমি মিথ্যে বললে আপনারা মন্তব্যে তা লিখেন!?
অন্যদিকে আমাকে আপনারা আইনগত ভাবে প্রকাশ্যে মেনে না নিলে আমি কেন আপনাদেরকে জিন বা জিন সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে কোন সার্ভিস দিবো বলেন?
বর্তমানে আমরা কাফের জিন বা কাফের জিন সম্প্রদায় নই যে, যেভাবে সেভাবে আইন-আদালত বা বৈধতা বা সকলের নিকট সম্মানজনক গ্রহণ যোগ্যতা ব্যতিত এমনি এমনি বা আমাদের দাবি পূরণ ব্যতিতই চলে আসবো বা আপনাদেরকে বা এ পৃথিবীকে সার্ভিস দেয়া শুরু করবো!?
এমতাবস্থায়, আমার ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি সহ আমার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের কোন কিছু আপনারা গ্রহণ বা সম্মানতো করছেনই’না, উপরুন্ত তামাসা চেয়ে চেয়ে আমার বা আমাদের ব্রেনটাকেই দিচ্ছেন হয়তো দিনের পর দিন ডাল বা শেষ করে বা নিম্নমুখী করে।
যে জায়গাতেই গিয়েছি বা যেখানেই থেকেছি, জন্মভূমি হোক বা জন্মভূমির বাহিরে হোক, কোথাও নিজের ব্যক্তিত্ব বজিয়ে, মাথা উঁচু করে, ওয়েটপূর্ণ ভাবে চলতে পারিনি, বলতে পারিনি! সব সময় আপনাদের নিকট আপনাদের পায়ের দিকে চেয়ে চেয়ে, মাথা নত করে থাকতে হয়েছে, অসম্মানিত ফকিরি জীবন-যাপন করতে হয়েছে আমাদেরকে!
কী, সত্য বলিনি আমি!?
আপনারা বলেন, এমন একটি পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে আমি কি বাঁকি দশজন মানুষের মতো বাঁচতে পারি!?
তাই বাধ্য হয়েই চুড়ান্ত ভাবে, আপনাদের প্রতি চরম পত্র
হিসেবে, আমার বেঁচে থাকার স্বার্থে, জিনকে
বা জিন সম্প্রদায়কে এ পৃথিবীতে মানুষের মতো করে, আমার থেকে আলাদা
ভাবে মানব শরীরে, আমার নিকট নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে আমি নিম্নোক্ত
সিদ্ধান্ত সমূহ গ্রহণ করলাম।
মূলত আমার নিজ আত্মীয়-স্বজন ও আলেম সমাজ থেকে কেউই যখন আমার উপরোক্ত পোস্টের কোন মন্তব্য করেনি এবং যেহেতু এর আগেও আমি যখন এ বিষয়টিতে মন্তব্য দিতে বলেছিলাম, তখনও কেউ যখন দেয়নি, ঠিক তখন আমি দুঃখিত মনে নিম্নোক্ত এ সিদ্ধান্ত সমূহ গ্রহণ করেছি। কারণ নিজেরাই যখন আমাকে চায় না, তখন অপরাপর মানুষগুলো চাইলেও আমার মনে শান্তি আসবে না!
এবং এখন কেউ মন্তব্য করলেও আমার এ সিদ্ধান্ত সমূহ অপরিবর্তনীয়ই থাকবে!
বিষয়টি সর্বসাধারণকে জানানোর উদ্দেশ্যে আজ আমি আমার ফেসবুক একাউন্টে এ পোস্টটি প্রকাশ করলাম ও ফেসবুকে শেয়ার করলাম। যাতে সকলে বিষয়টি জানতে পারে এবং ভবিষ্যত জীবনে কেউ যেন আমায় দোষারোপ করতে না পারে। সবাই যেন বুঝতে পারে আমি কোন্ অবস্থা ও পরিস্থিতির শীকার হয়ে এরূপ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি!
আপনারা আরো জানেন, আমি যা সিদ্ধান্ত নিই, তা বাস্তবায়ন করি। আমি অগ্রীম ঘোষণা দিয়ে কাজ করি! এবং আমার ভিতর বাহির সব প্রকাশ্য। ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা এ হিম্মত আমারই। কারণ আমি হযরত উমর ফারুক (রাঃ) এর শিষ্য। সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের বা কোন কিছু লিখে ফেললে বা বলে ফেললে তা কর্তনের বা পরিবর্তনের ইতিহাস আমার জীবনে খুব একটা নেই।
আর আমার সিদ্ধান্তের এ বিষয়গুলো আমি আপনাদের নিকট প্রাপ্য। যেহেতু ইসলাম অনুযায়ী, কেউ একজন যখন কারো কাছ থেকে যতটুকু জুলুমের
স্বীকার হয় বা ক্ষতিগ্রস্থ হয়, তখন ঠিক ততটুকু হদ আদায়ের সে অধিকারী
হয়! এ ক্ষেত্রে আজ প্রায় ২৫ বছর আপনাদের দ্বারা আমি নিগৃহীত হওয়ার
পর আমি এ সিদ্ধান্ত সমূহ নিতে বাধ্য হয়েছি। যা আমি ন্যায় সঙ্গত ভাবে প্রাপ্য। এবং সম্মাসজনক ভাবে বেঁচে থাকতে আমার অবশ্য আর কোন বিকল্প পথও খোলা নাই এখন!
সুতরাং আমার নিজ থেকে ইনকাম করে হোক বা যে কোন ভাবে আমার অর্থনৈতিক সাবলম্বিতা
অর্জন হলে বা জিন আসলে বা জিনের কাছ থেকে কোন ভাবে অর্থ পেলে ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা
আমি এ সব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবো!
আমি যে সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি, তা নিম্নরূপ-
১। যে কোন ভাবে হোক, আমার
অর্থনৈতিক সামর্থ হলে বা জিন বা জিন সম্প্রদায় কর্তৃক আমায় টাকা-পয়সা বা ধন-দৌলত দিলে, তখন আমি
পৃথিবীর যে দেশে গেলে, আমাকে এবং আমার এ সব ধর্মীয় দৃষ্টি-ভঙ্গি ও স্বভাব সমষ্টি, ওখানকার চারদিকের মানুষেরা সম্মানের
সহিত মেনে নিবে, আমি তা পৃথিবীর যেখানেই হোক, আমি আমার পরিবার নিয়ে সেখানে অথবা সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় বা মদীনায় চলে যাবো। এতে আমার আত্মীয়-স্বজন, আলেম-উলামা, প্রতিবেশী, পরিচিত বা সরকার;
মানে কেউই কোন রূপ (সরাসরি বা কৌশলগত ভাবে)
বাধা দিতে পারবেন না। এতে আমি কারো বাধা শুনবো
না।
২। আর আমি যদি একবার চলে যেতে পারি, ২য় বার আপনাদের এ এলাকায় বা এ বঙ্গভূমে আসবো কিনা, সেটা সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত বিবেচনার বিষয় হিসেবে থাকবে। তবে যদি কখনো কোথাও যেতে পারি এবং সেখানে যদি শান্তি পাই, আর যদি ইসলাম ধর্মের এ কয়েকটি মাসআলার বিষয়ে সৌদি আরব, বাংলাদেশ সহ মুসলিম জাহান এগুলোকে জায়েজ হিসেবে ওপেন ফতোয়া না দেয়, তবে হয়তো কোন দিনই আর ফিরে আসবো না। এক্ষেত্রে আমার মা বা ভাই-বোন বা অন্য যে কোন আত্মীয়ই বলেন বা আলেম সমাজই বলেন, বা প্রতিবেশি বলেন বা যেই’ই বলেন, আমাকে ফিরে আসতে কোন ধরনের আবেদন, অনুরোধ, চেষ্টা, তদবীর, দাওয়াত বা কোন ধরনের কৌশল কিছুই করতে পারবেন না। আমি সব কিছু অগ্রাহ্য করবো। কারণ আমি মনে করি, আল কোরআন যাকে জায়েজ করেছে, আপনারা তাকে নাজায়েজ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে উল্টো আমাকেই কাফের সাব্যস্ত করে রাখছেন এবং এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমার সাথে যে সব ব্যবহার করেছেন, তার হদ বা ক্ষতিপূরণ স্বরূপ আমি নিজ বাসভূমে না আসলে এটা আমার জন্য অন্যায় হবে না।
মনেরাখতে হবে, আমার এ জেহাদ আল কোরআনের জন্য! আল কোরআনের বাণীকে বাস্তব দেখতে ও দেখাতে পারার জন্য ও এ বাণী যে সর্বকালের মানুষের জন্য অশেষ উপকারী তা প্রমাণ করার জন্য। এবং কোরআনের বাণী যে শাশ্বত, শুধু কোন এককালের জন্য নয়, তা বোঝানোর জন্য।
৩। কী কী ফতোয়ায় ইসলামী স্কলার গণ জায়েজ হিসেবে ফরমান জারি করলে আমি আমার স্বদেশ-ভূমে বা মুসলিম জাহানে ফিরে আসবো বা আসতে পারি, বা আসলে আমি কোন্ কোন্ ফতোয়ায় হ্যাঁ বোধক বা ওকে চাই, তা জানতে আপনারা বাংলাদেশের জাতীয় পত্রিকায় এবং ইউটিউব, ফেসবুক এসব প্ল্যাটফর্মে চোখ রাখবেন। আমার কাছে টাকা হলে আমি এসব অনলাইন ও অফলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমি আপনাদেরকে সহ পুরো বিশ্ববাসীকে তা জানিয়ে দিবো।
৪। চিন্তা করুন, আমার কাছে মানুষেরা এখনো প্রায় ৭ লক্ষ টাকা পাবে। দেখুন, যারা আমার সব চাইতে কাছের লোক, আমার ভাই-বোন, নিকট আত্মীয় বা আলেম সমাজ বা তাদের কেউ; অর্থাৎ আমার আপনজনদের বা আলেম সমাজের তেমন কেউই কিন্তু এ টাকার এক টাকাও পাবে না। তাহলে ইহা সুস্পষ্ট যে, আমার সাথে আমার নিকট আত্মীয় বা আলেম সমাজের তেমন কেউ নেই বা ছিলো না। আমার মহান রব তাদেরকে ধন দিয়েছে, জ্ঞান দিয়েছে তাদেরকে মোটা মানুষদের সাথে, শুধু ধনীদের সাথে মিশতে, তাদের পাশে থাকতে, শুধু সমানে সমানে লোকদের সাথে জীবন-যাপন
করতে।
আমি দেখেছি, একটু বিত্তবান না হলে, একদিকে যেমন আত্মীয়দেরকে পাওয়া যায় না, ঠিক তেমনি হুজুরদেরকেও পাওয়া যায় না!
এভাবে আমি গরীব বিধায় আমার নিজেদের কাউকে আপন করে, আমার দূর্দিনে আমার সঙ্গে আমি পাইনি। এমনকি আত্মীয় হওয়া সত্ত্বেও আপনাদের সাথে সম্মান ও মর্যাদার সহিত চলতে পারিনি। ফোন করলেও আপনারা অনেক সময় আমার ফোন ধরেননি বা ফোন কেটে দিয়েছেন।
আপনারা পেট ভরে খেয়েছেন, আমি ও আমার পরিবারের সদস্য গণ অনেক সময় প্রায় অভূক্তই থেকেছি বা থাকতে হয়েছে।
অতএব, এ বিষয়ে আমার সিদ্ধান্ত হচ্ছে, যেহেতু আমার অভূক্ত অবস্থায় আমি আপনাদের থেকে খেতে পাইনি, মহান রব জিনের মাধ্যমে হোক বা যেভাবে হোক যদি আমাকে ধনী করে, তাহলে কেউ আমাকে দাওয়াত দিবেন না; আমি কারো দাওয়াত খাবো না।
হাদিয়া, তোহফা কিছুই দিবেন না। এসব আমি গ্রহণ করবো না।
যেহেতু আমার দূর্দীনে যখন আমার প্রয়োজন ছিলো তখন আমায় কেউ দেননি। আর এখন আমার কাছে যদি থাকে, তাহলে আপনার টাকা দিয়ে আমি কী করবো বলেন?
আবার এখন মূলত আপনিতো আমাকে দিবেন না, আপনিতো আসলে ধান্দা করার জন্যই দিবেন!
আমার এতো সম্মানের প্রয়োজন নেই ভাই! আপনাদের টাকা-পয়সা, আর সামাজিক মর্যাদা নিয়ে আপনারা থাকেন!
জীবনে আপনাদের কেউ কখনো ফুলের মালা দিতে আসিয়েন না আমায়!
অবশ্য এ কথা গুলো আপনাদের ব্যবহারে অতীষ্ট হয়ে এর আগেও আমি আমার অন্য পোস্টে বলেছিলাম।
আপনারা লক্ষ্য করছেন কিনা জানিনা, যেহেতু
ইসলামের নিয়ম হচ্ছে, রাস্তার ডান দিক দিয়ে হাঁটা। তাই আমি রাস্তায় হাঁটতে সবসময়
ডান দিক দিয়ে হাঁটি বা হাাঁটার আপ্রাণ চেষ্টা করি। কিন্তু আপনাদের নিয়ম হচ্ছে, আপনারা সবাই মুখস্তই বাম দিকে হাঁটেন,
বামদিকে গাড়ি-ঘোড়া সব কিছু চালান। এতে হাইরোড়ে ডানদিকে চলা আমার
দ্বারা কিছুতেই সম্ভব হয় না। আর গ্রামের রোড়ে ডান দিকে চলতে চেষ্টা করলেও, আপনাদের বাম দিকে চলার অটো অভ্যাসের কারণে আমার বিপরীত দিক থেকে
আসা লোকটিকে বা লোকদেরকে আমাকে ডানদিক থেকে ছেড়ে বাম দিকে চলে যেতে হয়; না হয় আপনারা মনে করেন, আমি মোডল, আমি ইবলিশ, না হয় আমি আপনাদেরকে জায়গা ছেড়ে দিচ্ছিনা
কেন!? আপনাদের মাথায় নাই যে, আসলে ডানদিকে
চলা এটাই ইসলামী তরীকা, বরং আমরাই ভুল পথে আছি!
মনেকষ্ট নেবেন না, আপনাদের
এ দুনিয়ার সব কিছুই এখন বামাবর্তে ঘুরছে! আর আমিও আপনাদের মতো
করে বামাবর্তে চললেই, আমাকে তখন আপনারা ভালো বলছেন! বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা, গত ২৫ বছরে আমার সাথে এ রকম
অহরহ ঘটনা ঘটেছে!! যা আপনাদের অনেকে হয়তো বুঝতেও পারেননাই যে,
আমি কেন আপনাদের সাথে এ রকম ব্যবহার করেছি বা করেছিলাম!
কিন্তু আপনাদের সাথে বামে ঘুরতে, বামে চলতে আমি পারবো না!! যেহেতু ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা আমি আল্লাহু তা’য়ালার প্রতিনিধি!
বিষয়টা এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, একটা ইবলিশ টাইপের মানুষ আর একটা আল্লাহ ওয়ালা মানুষ
প্রচন্ড রোদের মধ্যে পথ চলতে গিয়ে, শয়তান টাইপের লোকটা শয়তানী
করার খেয়ালে, ভালো লোকটিকে বলছে, চল সামনের
পুকুরটিতে গোসল করি। এবং উভয়ে গোসল করতে নেমে ইবলিশ লোকটি বলছে, একডুবে কথক্ষণ থাকতে পারবা, প্রতিযোগিতা হোক! এতে উভয়ে ডুব দিলে দুষ্ট শয়তানটি সাথে সাথে উঠে ভালো লোকটির জামাগুলো পরে ও
তার নিজের জামা গুলো হাতে নিয়ে লোকালয়ে চলে যায় এবং নিজের জামাগুলো কোন একজায়গায় ফেলে
মানুষের সাথে মিশে যায়! আর মানুষ না বুঝে ও ভালো লোকের পোষাক
দেখে সবাই তাকে ভালো বলে গ্রহণ করে নেয় ও সম্মান করে। অন্যদিকে প্রকৃত ভালো লোকটি
অনেক্ষণ পানির মধ্যে ডুব দিয়ে থেকে এবং পরে তার পোষাক না পেয়ে, মানুষের নিকট উলঙ্গ বেসে গিয়ে একেবারেই
মন্দ লোক সাব্যস্ত হয় ও পিছার বাডি, আর জুতার বাডি তার ভাগ্যে
জুটে!
আসলে ভায়েরা, আপনাদের মাঝে আজ আমার অবস্থাও অনেকটা ঠিক এরকমই!
তাই কিছুই করার নেই। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, আমি আজ প্রায় ২৫টি বছর আপনাদের মাঝে শেষ হয়ে যাচ্ছি! পঁচে যাচ্ছি! আমার কাছে এখন বাঁকি আছে আর কী!। অতএব আমিও বাধ্য হয়ে এই সিদ্ধান্ত
নিয়েছি যে, আল্লাহর অশেষ
মেহেরবানিতে জিনের সহযোগিতায়, জিনদের থেকে, যদি আমার মহান রব আমাকে সামর্থবান করে, তবে আমিও বৃহৎ
স্বার্থে আপনাদের মতো আচরণ করবো! বা আচরণ করতে বাধ্য হবো!
বা সময়ে সময়ে হলেও কারো কারো সাথে করতে হতে পারে! এবং এতে অনেক সময় হয়তো বেহুশির
কারণে আপনাদের সাথে আমি ভালো আচরণ করতে নাও পারি!
যেমন দেখুন, বর্তমানে যে কোন কাজ করাতে মনিবগণকে প্রায় মোডলের মতো, দাম্ভিক বা অহংকারীর মতো থাকতে হয় বা বাস্তবেই থাকে ও ব্যবহার করতে হয়, এবং প্রতিষ্ঠানের উন্নতির স্বার্থে অবশ্যই কঠিন ও কার্যকরী শাস্তির ব্যবস্থা রাখতে হয়, না হয় কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ঠিকমতো কাজ করে না বা দায়িত্বে অবহেলা করে এমনকি প্রতিষ্ঠানের পবিত্র আমানত খেয়ানত করে, বা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ চুরি করে এবং দলাদলি বা গ্রুপিং করার মাধ্যমে এক বা একাধিক লোক বৈধ বা অবৈধ ভাবে ভোগ করে, আর অন্যান্য এক বা একাধিক লোককে ঠকায় বা তাদের হক নষ্ট করে বা তাদের ওপর জুলুম করে।
এ সব রোদ কল্পে ঠিক আমিও যদি কোন কাজ হাতে নিই, তাহলে আমাকেও হয়তো সময় সময় এ রকম দাম্বিকতা বা কাজের গুরুত্ব বা অপরাধের গভীরতা অনুযায়ী এর চাইতেও বেশি দাম্বিকতা বা কঠোরতা করতে হতে পারে!
আর এতেও আমার কিছু করার নেই। এটা আপনাদেরই সমাজের শিক্ষা! আপনারাই সমাজকে এভাবে গড়েছেন! আর আপনাদের সমাজে আমাকে কিছু করতে হলে আমাকেওতো এ রকমই হতে হবে, তাই না?
আসলে এটা আমার চরিত্র নয়, বা আমার চরিত্র ছিলো না! বা আমাকে এ রকম হতে বা উপস্থিত
এ রকম ব্যবহার করতে আপনারাই বাধ্য করেছেন! এটা আপনাদেরই কর্ম
দোষের ফল, আপনাদেরই সিস্টেমের কারণে আপনারা আমার কাছ থেকে আজ
এ রকম প্রাপ্য হচ্ছেন।
কী করবো! আপনাদের চরিত্র,
বৈশিষ্ট্য, ও সিস্টেমের কারণে অনেক সময়ই হয়তো নিজকে
নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো না! এবং কাজ চালানোর স্বার্থে আমাকে হয়তো
এ রকম করতে হবে! আর তখন আপনারা আমার ভুল ধরলে চলবে না;
আপনাদেরকে চিন্তা করতে হবে যে, আমি আজ সু-দীর্ঘ ২৫ বছর কম জুলুমের শীকার হয়ে এ রকম হইনি! অথবা
আপনাদেরকে চিন্তা করতে হবে যে, কাজ চালানোর স্বার্থে বর্তমান
যুগের মানুষদের ও দুষ্ট জিনদের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে হয়তো আমি এ রকম হয়ে গেছি!
তাই আপনাদেরকে আগাম ইঙ্গিত দিচ্ছি যে, একান্ত প্রয়োজন না হলে, আমার কাছে সব সময় সব কিছু নিয়ে আসবেন না বা আমাকে শুনাবেন না, বা সাধারণ কাজ সমূহে আমার সাথে যোগাযোগ করবেন না! বাকি দশ জন যেমন আমার সিস্টেমের নিকট আবেদন করবে বা করে, আপনিও ঠিক সেভাবেই আবেদন করবেন ও আপনার কার্জ সমাধা করবেন! এতে আমাকে জানানোরও দরকার নেই।
আর আত্মীয়, আপনজন বা দেশি বা পরিচিত, এ সব দাবী নিয়ে যদি আমার সাথে যোগাযোগ করতে চান, তাহলে
হয়তো আপনার ভালো হওয়ার চাইতে খারাপই হয়ে যাবে! বা হয়ে যেতে পারে!
যেহেতু আমাকে এ রকম আপনারাই বানিয়েছেন।
আর তখন আমি ভালো মানুষ নই, ভালো মানুষের আচরণ কী হওয়া উচিৎ, এ সব বললে চলবে না!
এখানে ভালো মানুষের চরিত্রের সাথে আমার এ ধরনের ব্যবহার সমূহের
(যদি সংগঠিত হয়ে যায়) কোন সম্পর্ক নেই বা থাকবে
না। এটা হবে সু-দীর্ঘ কাল
ধরে আমার সাথে আপনাদের জুলুম, প্রতারণা ও অসাহায়ত্ব মূলক কর্মের
প্রতিফল! মহান রব সিস্টেমেটিক্যালী ভাবে সৃষ্ট আমার এ সব
ব্যবহার ও কর্মের পাপ থেকে আমায় মাফ করুন (যদি
হয়ে যায়)। আমি আমার মালিকের নিকট, তার প্রতি ভয় করে, আমার এসব অনাকাংঙ্খিত ব্যবহার থেকে
আগাম মাফ চাচ্ছি!
আর শুধু বন্ধুত্বের খাতিরে কেউ কুশলাদি বিনিময়ের জন্য বা দোয়া-খায়েরের জন্য বা কোন রূপ হাদিয়া, তোহফা বা উপহার দেয়ার জন্য বা আমাকে দাওয়াত দেয়ার জন্য, আমার সাথে, আপনিই যেই হন না কেন, কোন ধরনের যোগাযোগের বা চেষ্টা-তদবীর, ফোন কিছুই করবেন না, এ সুযোগ আমি আপনাদের কাউকে দেবো না। এবং বার বার এ কাজ করার চেষ্টা করলে হয়তো আপনি ব্লক হয়ে যেতে পারেন। যেহেতু আজ ২৫ বছর যে আপনারই পাশে আমি মরতে বসেছিলাম, আপনি তখন আমার কী খবর নিয়েছেন বা কতটুকু নিয়েছিলেন বলেন (?), উল্টো আমার দীর্ঘ সময় আপনারা লস করিয়েছেন, আমায় মজলুম বানিয়েছেন, আমায় মরতে বসিয়েছেন।আর এখন আপনি আমার আপনজন হয়েছেন, আমার জন্য আপনার প্রাণ পোডে, তাই না!?
এছাড়া আত্মীয় হওয়া সত্ত্বেও, রাসূলের (সাঃ) সুন্নাত পালনের মাধ্যমে আলেমের মতো জীবন-যাপন করার পরও এখন যখন আপনার বা আপনাদের সাথে চলতে পারিনি, কাল আমার কাছে সামর্থ এলে, আল্লাহু তা’য়ালা যদি দেয়, তাহলে আমাকে আপনাদের কোন মজলিসে আহবান বা দাওয়াত করবেন না।
যেহেতু আমি নিজে গরীব, অসহায়, দূর্বল, মজলুম; তাই ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা আমি চিরদিন, দুনিয়া ও আখিরাতে এদের সাথেই থাকবো।
এবং যেহেতু এখন আমাকে, আমার ফোনকে আপনি গুরত্ব দেননি, ফোন ধরেননি, ফোন কেটে দিয়েছেন; ঠিক আমিও যদি সামর্থবান হতে পারি, আপনার ফোনও ঠিক এভাবেই গুরুত্ব দিবো না, সরাসরি কেটে দিবো।
এবং আজ আপনি যখন আপনার সাথে আমাকে মিশতে দেননি বা অসম্মানিত বোধ করেছেন, ঠিক আমিও সামর্থবান হলে আপনার বা আপনাদের সাথে একই ব্যবহার করবো।
দেখুন, আমার সালামের উত্তর অনেক সময়ই আপনারা দেননি, বা শুনিয়ে দেননি, ঠিক পরবর্তীতে আমিও আপনাদের সালামের উত্তর শুনিয়ে দিবো না।
আমি গরীব ও অসহায় বলে প্রায় সবসময় আপনাদেরকে আমাকেই আগে সালাম দিতে হয়েছে, আমি খুব একটা আপনাদের থেকে আগে সালাম পাইনি, (আপনাদের এহেন ব্যবহার আমার প্রতি তাচ্ছিল্ল্য বা হেয় মানসিকতার কারণে হয়েছে)
অতএব যদি আমার মহান রব আমায় সামর্থবান করে, তখন আমিও আপনাদেরকে আগে সালাম দিবো না।
এবং আমার অন্যান্য সিদ্ধান্ত সমূহও আমি বাস্তবায়ন করবো।
দেখিয়েন তখন আমায় হাদিসের বরাত দিয়েন না; বা হাদিসের বাণী শুনাইয়েন না। আর এটা হবে শুধুই আমার প্রতি আপনাদের দূর্ব্যবহারের প্রতিফল। এখানে হাদিস মানা বা না মানা বা আমল না করার সাথে আমার এ সব সিদ্ধান্তের কোন সম্পর্ক নেই।
তাছাড়া আপনাদের অনেকেই সালাম আদান-প্রদান করেনতো শুধু ভয়ে বা লোভে বা কিছু প্রাপ্তির আশায় বা শুধু বিনিময়ের কারণে!
আর আমার মহান রব আমায় যদি তাওফিক দেয়, তখন আমার এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন কালে, আশা করি তখন আপনারা আমার দোষ ধরতে পারবেন না।
অন্যদিকে প্রতিবেশী, সমাজ, পরিচিত, ফেনীবাসী ও দেশবাসীকে লক্ষ্য করে বলছি, দেখেন বাড়িতে শান্তিপূর্ণ ভাবে থাকতে না পেরে, ঘুমাতে না পেরে রাস্তার পাশের ঘরটিতে থাকছি, অথচ এখানেও অনেক সময় বালক ছেলেরা এসে মোবাইলে এটা সেটা খেলার নামে,গল্প-গুজবের নামে আমায় ডিস্টার্ব দিচ্ছে। প্রায় সময়ই বালক ও শিশু ছেলেরা চারদিক থেকে কূ কূ শব্দ করছে। খেলার মাঠে বালকেরা একজন একজনকে বলছে, হাফপ্যন্ট পরে খেলার জন্য, একজন একজনকে খেলার জন্য ডাকছে, এরাতো আসলে অন্য বালককে ডাকছে না, এরা আমকেই অপমান করছে, আমাকেই বলছে।
আমি স্পষ্ট বুঝতে পারছি এ শব্দ গুলো, এ শিশু ছেলেরা আমাকে তিরষ্কার করেই করছে। কারণ আমি এমন কিছু কথা বলছি, যা মুসলিম সমাজে বা ইসলামে যে জায়েজ হতে পারে, এবং মানুষের জন্য যে উপকারী হতে পারে, তা এখানকার মানুষ হয়তো স্বপ্নেও চিন্তা করতে পারে না!
তাই তাদের মা-বাবা, ভাই-বোন বা অন্য কারো কাছে শুনে তারা আমাকে এ অপমান গুলো করে যাচ্ছে।
আবার বড়রা অনেক সময় আমার এ অফিস ঘরের কাছে এসে থু থু ফেলছে, কাশি দিচ্ছে; বা বিভিন্ন ধরনের নেতিবাচক কথা শুনাচ্ছে, আসলে এসব আমাকেই ঘৃণ করে করছে।
তাই আপনাদের প্রতিও আমার কথা হচ্ছে, আপনারাও যদি কখনো আমার মহান রব, আমাকে সামর্থবান করেন, তাহলে আপনারাও কখনো কোন কিছু পাওয়ার জন্য, আপনি আমার পরিচিত, আপনি আমার প্রতিবেশী বা ফেনীবাসী বা দেশবাসী, এ পরিচয় গুলো দিবেন না।
কারণ আমি যখন মরতে বসে ছিলাম, ঠিকমতো খাওয়ার পাইনি, পরনের কাপড় পাইনি, তার উপর বাচ্ছা ছেলে কতো গুলো দিয়ে বা মূর্খ টাইপের কতগুলো মানুষ দিয়ে, আমায় বিভিন্ন ভাবে অপমান করিয়েছেন; কখনো আমার বিষয়ে তদেরকে ভালো শিক্ষা দেননি, তাহলে আজ কোন যুক্তিতে এবং কোন অধিকারে আমাকে আপনার এসব ধান্দা মূলক কথা-বার্তা বলবেন!?
আপনার বা আপনাদের অধিকারতো তখনই শেষ হয়ে গেছে, যখন আমি আপনার পাশেই মরতে বসেছিলাম, আর আপনি আমার কোন খবরই রাখেননি তখন! উপরুন্ত আমাকে কষ্ট দিয়েছেন!
হ্যাঁ, আমার নিকট আপনার যদি কখনো প্রয়োজন পড়ে, তাহলে পৃথিবীর অন্যস্থানের মানুষ যেমন আমার সিস্টেমের নিকট আবেদন করবে, ঠিক আপনিও সেভাবেই আবেদন করবেন। সাবধান! ঘূর্ণাক্ষরেও আমার নিকট ফোন করবেন না বা ফোন করে আপনার পরিচয় দিতে যাবেন না। আমি সরাসরি আপনার ফোন কেটে দিবো; তবে যারা আমায় উপকার করেছে, কেবল তারা ছাড়া।
হে আমার গ্রামবাসী, ফেনীবাসী ও দেশবাসী কথাগুলো ভালো করে মনে রাখবেন!
তাহলে বলেন, আপনি যদি আমায় আপনই মনে করেন বা করতেন, তাহলে গত প্রায় ২৫টি বছর আমি যখন মরতে বসেছিলাম, তখন কোথায় গিয়েছিলেন আপনি (?), আর কোথায় গিয়েছিলো আপনার হৃদয়!!??
আমি ভূল বললে আপনি আমায় যুক্তি দেখান। আর এটা হচ্ছে আমার প্রতি আপনার বা আপনাদের কর্মের বা ব্যবহারের প্রতিফল। এখানে প্রতিবেশীর হক বা বন্ধুুত্বের হক বা পরিচিতের হকের কোন সম্পর্ক নেই।
আমার এ আইন, আপনি আমার
ভাই-বোন হোন বা আলেম সমাজের কেউ হোন বা প্রতিবেশীদের কেউ হোন,
অথবা নিকট কিংবা দূরবর্তী আত্মীয় হোন বা যেই’ই হোন, সকলের
জন্য সমান ভাবে প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ আমার কাছে কিছু চাইতে বা আমার সাথে মিশতে আপনাকে
চিন্তা করতে হবে যে, অতীতে
আপনি আমার সাথে কেমন ব্যবহার করেছিলেন?
যাক, আপনাদের অনেকের
কাছে আমার এ সিদ্ধান্ত সমূহ শুনতে খারাপ লাগলেও, আশা করি আমি
কোনরূপ বিচার বহির্ভূত বা অন্যায় সিদ্ধান্ত নিইনি। এবং আমার প্রতি আপনাদের নির্মম, নির্দয় ও এরূপ নিষ্ঠুর ব্যবহারের কারণেই
আজ আমি উপরোক্ত এ সিদ্ধান্ত সমূহ নিতে বাধ্য হয়েছি।
আজ এ পর্যন্তই। সকলে ভালো থাকুন।
নিবেদক,
সৈয়দ (সিদ্ধান্তকৃত, পরিবর্তনের অপেক্ষায়) আরিফ উল্যাহ


0 Comments