মুহাম্মদ আরিফ উল্যাহ

প্রকাশকালঃ ১০ এপ্রিল, শুক্রবার, ২০২৬ খ্রি.

#মুহাম্মদ আরিফ উল্যাহ, পিতা- মরহুম ডাঃ ছিদ্দিক আহাম্মদ, ডাঃ ছিদ্দিক আহাম্মদের বাড়ি, তরঙ্গি রোড়, গ্রাম- 123 গোবিন্দপুর, ডাকঘর- হাজীর বাজার, উপজেলাঃ ফেনী সদর, জেলাঃ ফেনী, বাংলাদেশ।

#আমার জন্মস্থান গোবিন্দপুর, ফেনীর বিএনপি নেতা এম ফখরুদ্দীন ভূঁইয়া ও অন্যান্য নির্দিষ্ট ব্যক্তির নিকট জানতে চাই, পরামর্শ চাই এবং গোবিন্দপুর, ফেনী বাসীকে লিখা খোলা চিঠি

#প্রিয় বন্ধুরা! আমার আবেদনের পর, বিজ্ঞানীগণ ‍যখন বলবেন, জিন বলতে কিছু নেই। তখন প্রতিউত্তরে আমি বলবো, আমার সাথে এবং আমার শরীরেই জিন আছে। তখন তারা বলবে, এর কী প্রমাণ আছে আপনার কাছে!? এবার আমি বলবো, দেখুন হাজার হাজার মানুষ যুক্তি সহকারে প্রমাণ পেয়েছে যে, বা তারা বুঝতে পেরেছে যে, আমার কাছে জিন আছে, এই দেখুন তাদের মন্তব্য! তখন এ পোস্টের মাধ্যমে আমাকে প্রদান করা আপনাদের আজকের এ মন্তব্য, আমার এ কথার যুক্তি প্রমাণের ক্ষেত্রে একটি এসেট হবে। তাছাড়া না দেখে বিশ্বাস করা, এটা আপনাকে-আমাকে কোরআন শিখিয়েছে। 
তাহলে এখন যদি আপনি বুঝতে পারেন, তবে যুক্তি সহকারে আপনার মত ও মন প্রকাশ করতে সমস্যা কোথায়! 
জ্বী ভাই, আপনি যদি বিজ্ঞানের ভাষায় পরিবর্তন আনতে চান, কোরআনের ভাষাকে পৃথিবীর বিপুল সংখ্যক মানুষের নিকট অনর্থক বা মিথ্যা হিসেবে  উপস্থাপন করে রাখতে না চান, তাহলে আপনার মন ‍যদি বলে, তবে আমায় একটি সত্য স্বাক্ষি দেন যে, হ্যাঁ আপনার শরীরে জিন উদ্ভব হয়েছে, বা জিন এসেছে; যা আমরা এভাবে এভাবে প্রমাণ পেয়েছি। 
সুতরাং আল কোরআনের ভাষাকে সত্য হিসেবে প্রদর্শন করার স্বার্থে এ পোস্টের একটি যৌক্তিক মন্তব্য লিখুন।
 আর জিন হিসেবে আমি কথা দিচ্ছি, জনাব আরিফের ইন্তেকাল পর্যন্ত আমি বা আমরা তার শরীরে অবস্থান করবো। এবং এ সময়ের মধ্যে ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা, জিনের সকল বৈশিষ্ট্য পৃথিবীর মানুষদেরকে প্রদর্শন করতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাবো।
 তাই মন্তব্যে ঠিক কী লিখবেন, তা বুঝতে, পোস্টটি সম্পূুর্ণ পড়ুন।
মনে রাখরবেন, আমাদের পণ, কোরআনের আয়াতকে নির্জীব বা মিথ্যা প্রমাণিত করে রাখবো না; বরং এ বিষয়ে বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীরাই মূর্খ, ভূল; এটিই প্রমাণ করবো। 
আর এভাবে আরো কিছু মূল বিষয় প্রমাণিত করা যাবে। যেমন, ফেরেশতাদেরকেও দেখা যায় না; আল্লাহকে দেখা যায় না। অতএব, যা দেখা যায় না, তা বিশ্বাস করা যাবে না; বিজ্ঞানের এ ধরনের যুক্তি খন্ডন করে তা সম্পূর্ণ ভূল প্রমাণিত করা যাবে। আমরা পৃথিবীর অনেক গুলো জ্ঞানী-বিজ্ঞানীর ভূল ভাঙ্গাবো। এভাবে তাদেরকে বিশ্বাস করাবো যে, মহান রব আছেন; এবং আমাদের ভিতরে, চারপাশে ও এ মহাসৃষ্টির মাঝে তাঁর সৃষ্ট ফেরেশতারাও আছেন। 
অতএব, এখন আপনি চিন্তা করুন, আমাকে মন্তব্য না দিয়ে কি, যা দেখা যায় না, তা বিশ্বাস করা যায় না, এই বলে বর্তমানকার বিজ্ঞানী হতে বা বিজ্ঞানীদের সাথে থাকতে চাইবেন!? না, যদি বুঝতে পারেন তাহলে আমাকে জিন বলে আল কোরআনের সাথে একাত্মতা পোষণ করবেন!?    

#জ্বি! আপনাদের সকলের নিকট আমার বিষয়ে এই বলে একটি মন্তব্য/কমেন্টস লিখার আবেদন করছি যে (এ পোস্টের মধ্যে), আমার শরীর, মন ও ব্রেনে কি মহিলা জিন অথবা জিন সম্প্রদায়ের উদ্ভব হয়েছে, বা আমার উপর জিন ভর করেছে বা আমাকে জিনে আসর করেছে বলে স্পষ্ট ভাবে বুঝতে পারছেন আপনারা? যদি বুঝতে পারেন, তবে এটি বা এরা কি মুসলিমা বা মুমেনা জিন(?) এবং তাকে বা তাদেরকে কি ভালো বলে মনে হচ্ছে আপনাদের কাছে? যেখানে বিজ্ঞান বলছে, জিন বলতে কিছু নেই, সেখানে আপনি কিভাবে নিশ্চিত হলেন যে, আমার শরীরে এটি একটি জিন বা জিন সম্প্রদায় ছাড়া আর কিছুই নয়? 
 ‍

“এ পোস্ট প্রকাশের পরবর্তী ভবিষ্যত জীবনের যে কোন সময়, এ পোস্টের শেষে, এ পোস্টের কমেন্টস সেকশনে আপনার পরিচয় হিসেবে নিজের ই-মেইল দিয়ে কমেন্টস করার বা মন্তব্য লিখতে বলে আমি যে আহবান করেছি, তা ভবিষ্যতের যে কোন সময়ের জন্য চলমান থাকবে। অর্থাৎ আজকে থেকে ভবিষ্যত জীবনের যে কোন সময়ে আমার সাথে সম্পর্ক হওয়া যে কোন ব্যক্তির প্রতি এ আবেদন থাকলো যে, জ্বী ভাই, আপনি আমার নতুন কিংবা পুরাতন যে বন্ধুই হন না কেন, যদি আপনার কাছে মনে হয় যে, বা যদি আপনি বুঝতে পারেন যে, আমি বা আমরা একজন ভালো মুসলিম মহিলা জিন বা ভালো মুসলিম জিন সম্প্রদায়, তবে আপনার প্রতি অনুরোধ থাকবে যে, আমার বা আমাদের বিষয়ে একটি ভালো মন্তব্য লিখে যান। আমি বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীদেরকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাতে চাই যে, ও প্রমাণ করতে চাই যে, মহান আল্লাহু তা’য়ালা জিন জাতি সৃষ্টি করেছেন; এবং আল কোরআন সত্য বলেছে। আমি বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীদের জ্ঞানে, তথা বিশ্ব জ্ঞান ভান্ডারে বাস্তব পরিবর্তন এনে ইতিহাস গড়তে চাই। ইতিহাসের পাতায় জিনের অস্তিত্বের ‍বাস্তব ও প্রত্যক্ষ প্রমাণ এবং জিনের উত্তম গুণাবলী বা উত্তম বৈশিষ্ট্য উপস্থাপন বা লিপিবদ্ধ করে যেতে চাই। আমি আরও প্রমাণ করতে চাই যে, জিন মানেই শয়তান নয় এবং ইবলিশের বংশধরদের সবাই শয়তান নয়! তারাও ইচ্ছে করলে বা বুঝতে পারলে ঈমান আনতে পারে! আমি জিনের প্রকৃত স্বরূপ, শক্তি, সামর্থ, অর্থ, রূপ-সৌন্দয ইত্যাদি মানুষের মাঝে প্রদর্শন করে আল্লাহু তা’য়ালার সৃষ্টিতত্ত্বের পরিচয় দিতে চাই। আর আমাকে আল কোরআনের বাস্তবতার প্রমাণ বিশ্বদরবারে উপস্থাপন করতেই হবে। এটি আমার পণ! মুসলিম হিসেবে এটি আমার দায়িত্ব! তাই আল কুরআনের সত্যতার বাস্তব প্রমাণ যদি জ্ঞান-বিজ্ঞানের খাতায় লিপিবদ্ধ করাতে চান, অথবা যদি শুধু আমার বা মানুষের বা এ পৃথিবীর ভালো চান, তাহলে যদি বিষয়টি বুঝতে পারেন, তবে অবশ্যই একটি ভালো মন্তব্য করবেন। অপর পক্ষে কী বললে ভালো হবে বা কী বললে ভালো হবে না, কোনটি বললে আপনার স্বার্থে টাকা বা সম্মান প্রবেশ করবে, বা মানুষ বা পৃথিবীর ভালো হবে, এসব চিন্তা না করে আপনার বা আপনাদের উচিৎ একটা সত্য স্বাক্ষী দেয়া। যা আপনার নৈতিক ও ঈমানী দায়িত্ব বলেই আমি মনে করি। এবং এতে আপনি শতভাগ  নিশ্চিত  থাকেন যে, এ কারণে আপনার বিন্দুমাত্রও ক্ষতি হবে না।”  

আমার রক্ত সম্পর্কিত নিকট আত্মীয়-স্বজন; আমার বাড়ির দুই দিকের দুই মসজিদ, হাজী জিনাত আলী ভুঁইয়া জামে মসজিদ ও আলী মুন্সী জামে মসজিদের খতিব, ইমাম এবং নিয়মিত মুসল্লিগণ; গোবিন্দপুরের ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান আকাশ ডিশকভারীর মালিক ও বিএনপি নেতা জনাব এম ফখরুদ্দীন ভূঁইয়া; গোবিন্দপুর হাজী জিনাত আলী ভুঁইয়া জামে মসজিদ ও নূরানী মাদ্রাসার সেক্রেটারি জনাব কেফায়েত উল্যাহ ভুঁইয়া সোহেল; উত্তর চাঁদপুর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ) মাদ্রাসার সুপার জনাব মাওঃ আইউব আলী সাহেব (দা.বা.) ও শিক্ষকবৃন্দ এবং আমার পরিচিতজন ও গোবিন্দপুর, ফেনীবাসী। 

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

আমি জানি, এখনও আপনারা আমায় তুচ্ছ জ্ঞান করে, আমার লিখাটুকু এবারও পড়বেন না হয়তো। কারণ অতীতে এ রকম পরামর্শ আমি আরো কয়েকবার চেয়েছিলাম, কিন্তু আপনাদের কোন সাড়া আমি পাইনি। তবে এবার অন্তত বিএনপি নেতা এম ফখরুদ্দীন ভূঁইয়া, তোমার প্রতি অনুরোধ করছি যে, মূলত কী কারণে বা আমার কী বৈশিষ্ট্যের কারণে, তুমি আমাকে তোমার ‍ওয়াইফাই দিচ্ছেলিনা? আমি তোমার বিল পরিশোধ করতে পারবো না এ কারণে? না কারো ইশারায় দিচ্ছিলে না? আমি এভাবে তোমার বা তোমার প্রতিষ্ঠানের পিছে পিছে ঘুরতে ছিলাম; মূলত কী কারণে দিচ্ছিলে না বা দিতে পারছিলে না, তা কষ্ট করে এ পোষ্টের মন্তব্যের মধ্যে লিখে জানাবে।

সে সাথে গোবিন্দপুর হাজী জিনাত আলী ভুঁইয়া জামে মসজিদ ও নূরানী মাদ্রাসার সেক্রেটারি জনাব কেফায়েত উল্যাহ ভুঁইয়া সোহেলের কাছেও আমি জানতে চাইছি যে, আমাকে চাকুরী দেয়ার আশা দিয়ে, কয়েক সপ্তাহ ঘুরিয়ে, পরে জাহাঙ্গীরের মাধ্যমে কেন আমাকে আবার নিষেধ করলে!? প্রথমেতো আমার জন্য চাকুরীর ব্যবস্থা করতে তোমাকে সম্মতই দেখেছিলাম! 

পরবর্তীতে কি ভয় করছিলে যে, আমি পাগল-ছাগল বা শয়তান মানুষ, আমাকে চাকুরী দিয়ে কোন্ বিপদে পড়বা, এ রকম কিছু? এ রকম ভয় ছিল কি তোমার বা তোমাদের? না হয়, কেন ফিরিয়ে দিলে আমাকে? তোমাদের কারো কি চিন্তা হয় না বা হয়নি, আমরা যে কারো না কারো ইশারায় সবাই এ লোকটাকে যে ফিরিয়ে দিচ্ছি, তাহলে এ লোকের জীবন কিভাবে যাবে বা যাচ্ছে? বেঁচে থাকবে কিভাবে এ লোক!? তোমাদের সমাজে এ অবহেলিত, শিক্ষিত, উচ্চ ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন এ লোকের মানসিক অবস্থা কেমন হয়েছিলো তখন!! সবাইতো তাকে শয়তান মনে করতে, কেউতো তাকে ভালো হিসেবে গ্রহণ করতে না! ঘর কিংবা বাহির সব জায়গায় একই অবস্থা ছিলো তার। সবাই মিলে ভবিষ্যত জীবনে সম্মানজনক কোন কাজ না দিতে সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছিলে। শুধু দাবিয়ে বা পদদলিত করে রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিলো তোমাদের সকলের। 

তাহলে বল, শুধু কারো ইশারা-ইঙ্গিতই কি সব!? আমি কি তোমাদের প্রতিবেশী ছিলাম না!! কারো ইশারা ইঙ্গিত বা নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থের কারণে, তুমি আমার প্রতিবেশী ভাতিজা, আর তোমার বাবা আমার শ্রদ্ধেয় বড় ভাই, আমার মরহুম বাবার অনেকটা কাছের মানুষ ছিলো তোমার বাবা! এরপরও আমাদের এ স্থায়ী সম্পর্কটি ভেঙ্গে গিয়ে কেন আমি তোমাদের সামনে এভাবে মরে যাবো(?), বা মেরে ফেলবে? আর শুধু চেয়ে চেয়ে আমার তামাসা চাইবে! এ কেমন আমাদের বন্ধন? কেন! এসব ইশারা-ইঙ্গিত বা স্বার্থ বা ভয়ের বিপরীতে আমাকে চাকুরী দিলে আমি কি আসলেই মাদ্রাসায় পড়াতে পারতাম না!? কী মনে হয় তোমার বা তোমাদের? বল কাকা, কেমন তোমাদের সম্পর্ক! কার উপস্থিতিতে, কার ইশারায়, তোমরা নিজ কাকাকে এভাবে দুনিয়া থেকে শেষ করে দিচ্ছ ও সবাই মিলে তার তামাসা চাচ্ছ!? এ কেমন দয়া-মায়া, আর যুক্তি তোমাদের!! নিজ কাকা, আর ভায়ের জন্য কি এসবের বিপরীতে কাজ করা যায় না বা যেত না? তা না হলে কেমন কাকা, আর কেমন ভাই, আর কেমন সম্পর্ক তোমাদের? সামান্য ইশারা ইঙ্গিত আর স্বার্থই ডিঙ্গাতে পারনি নিজ কাকা আর ভায়ের জন্য! আর তাই, তোমাদের কার্যকলাপে এই প্রমাণিত হয়েছে যে, নিজ ভাই-বন্ধু, প্রতিবেশী, তোমাদের কাছে আপন নয়; টাকা-পয়সা, আর জিন-ভূতই আপন! জিন-ভূতই আজ আপন;  জিন-ভূত আর টাকা-পয়সাই সব তোমাদের, এইতো? কথাটা যেন ভালো করে মনে থাকে এ এলাকাবাসীর!?

আসলে আবেগ আপ্লুত হয়ে, আজ আমি শুধু আমার কথা বলিনি! আমাদের সমাজের প্রায় সকলেরই  সম্পর্ক গুলো আজকে এ রকমই!! টাকা আর সম্মান যেদিকে, তোমরা সেদিকে, ন্যায় অন্যায়ের চিন্তা পরে, তাইনা?

যাক, অনেক কথা বলেছি, মনে কষ্ট নিয়োনা, সমাজের এ অবস্থা গুলো দেখে ও সহ্যের পর সহ্য করে অতি দুঃখের সহিত এ কথাগুলো বলেছি!!

যেহেতু তুমিও আমাকে চাকুরী দাওনি, আশা দিয়েও ফিরিয়ে দিয়েছো, তাই, এ বিষয়গুলোও এ পোষ্টের মন্তব্যের মধ্যে লিখে আমাকে ও মানুষদেরকে জানানোর জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। এবং তোমার মন্তব্যের মধ্যে যদি পার বলবে যে, কেন আজ মানুষের পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কগুলো এ রকম!!??

এছাড়া যেহেতু বর্তমানে আমি উত্তর চাঁদপুর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ) মাদ্রাসায় কর্মরত রয়েছি, তাই এ মাদ্রাসার সুপার ও সকল শিক্ষকবৃন্দকে বলতে চাচ্ছি যে, আমি আপনাদের সাথে কর্মরত, তাই আপনারা আমার চরিত্র-বৈশিষ্ট্য খুব ভালো করেই বুঝতে পারছেন হয়তো, সুতরাং এ মাদ্রাসার সুপার জনাব মাওঃ আইউব আলী সাহেব (দা.বা.) সহ শিক্ষকবৃন্দকে অনুরোধ জানাবো, আপনারাও আমার বিষয়ে একটি করে মন্তব্য লিখে আমাকে উৎসাহ প্রদান করতে ও মনে সাহস যোগাতে আপনাদের সকলের প্রতিও আবেদন জানাচ্ছি। এছাড়া আমার আত্মীয়-স্বজন সহ গ্রাম ও শহরের দূরের কিংবা কাছের পরিচিতজনদের নিকটও একই আবেদন জানাচ্ছি। সম্পূর্ণ চিঠিটি পড়া ছাড়া হয়তো আপনাদের কেউই; কেন এভাবে আমার বিষয়ে মন্তব্য লিখে মানুষকে ও আমাকে দেখাতে বা স্টোরড করতে বলছি, তা হয়তো আপনাদের কারোরই বুঝে আসবে না। তাই আগে সম্পূর্ণ চিঠিটি পড়বেন এবং পরে মন্তব্য করবেন, সকলের প্রতি এ আশবাদ ব্যক্ত করছি।     

মূলত স্থানীয় বিএনপি নেতা জনাব এম ফখরুদ্দীন ভুঁইয়ার ওয়াইফাই সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান 'আকাশ ডিশকভারীর' সংযোগ না পাওয়ায় দুঃখিত হয়ে এবং এ দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে ঐ প্রতিষ্ঠানের মালিক জনাব এম ফখরুদ্দীন ভূঁইয়ার প্রতি লিখতে গিয়ে, সিমিলারলি কেইস স্টাডি হওয়ায়, আমার আত্মীয়স্বজন ও আমার বর্তমান চাকুরীর স্থলের প্রধান, মাদ্রাসার সুপার জনাব মাওঃ আইউব আলী (দা.বা.) সহ উপরে উল্লেখিত ব্যক্তিবৃৃন্দের প্রতি এবং উক্তস্থানের আমজনতার প্রতি আমার জানতে চাওয়া, ও পরামর্শ চাওয়া বিষয়ক, আমার জীবনের একটি  বেদনাময় খোলা চিঠি আপনাদের সকলের জ্ঞাতার্থে অনলাইন মিডিয়ার মাধ্যমে প্রেরণ করলাম।

যেহেতু আমি মনে করছি, আমার বিষয়ে আপনাদের পজেটিভ মনোভাব, সাক্ষ্য বা স্টেটম্যান্ট, এগুলো আমার বেঁচে থাকার জন্য সহায়ক হবে ও কাজ চালিয়ে যেতে আমার মনে শক্তি সঞ্চয় করবে, বিশ্ব দরবারে আমার একটা পজিটিভ ভিত্তি তৈরির সুযোগ বা সূচনা হবে ও আমার মনোবলকে অটুট রাখতে এগুলো আমাকে একান্তই সহযোগিতা করবে। এবং যা আমার ও আপনাদের ভবিষ্যত উন্নতিতে রেফারেন্স আকারে আমাদেরকে সংরক্ষিত রাখবে। এবং বিশ্বের জ্ঞানী-বিজ্ঞানীদের চোখেও, এটি আমাদের আবেদনের পক্ষে একটি ভালো অবস্থান হবে। এ কারণে এগুলো আমাদের উভয়ের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় হতে পারে।

তাছাড়া আপনারা যদি আমাকে ভালোই না বলেন, আমার পরিচই প্রকাশ না করেন; মানে আমি যে জিন, তাই'ই বুঝতে না পারেন, বা বুঝেও প্রকাশ না করেন, বা মানুষকে না জানান; এবং আপনাদের মাঝে জিন হিসেবে আমার আগমনে আপনারা সন্তুষ্ট ও খুশি রয়েছেন, আমাকে পেলে আপনারা নিজেদেরকে ধন্য মনে করবেন, আমাকে ভালো জিন হিসেবে বা মুমেনা জিন হিসেবে বুঝতে পেরেছেন; এমন রিয়েল আশ্বাস, স্বীকারোক্তি ও মনোভাব যদি আমাকে না দেন, এবং জিন হিসেবে আমার শারীরীক, মানসিক কোন ক্ষতি আপনারা করবেন না; এরূপ প্রতিশ্রুতি যদি না দেন; সর্বপরি আপনাদের নিকট আমার নিরাপত্তা জনিত ব্যবস্থাপনায় ও এ বিষয়ক কর্মে কোন ত্রুটি থাকবে না, মানে এর সম্পূর্ণ দায়-দায়িত্ব আপনাদের; এ ধরনের বাস্তব কথা ও সত্য অঙ্গীকার আমি সহ দেশবাসিকে যদি না জানান; তাহলে আমি কার কাছে আসবো, কেন আসবো, কিভাবে আসবো? তা আপনারাই চিন্তা করুন!? 

আর তাই এম ফখরুদ্দীনের কারণে লিখাটির সূচনা হলেও, আমার বিষয়ে আপনাদের স্ট্যাটমেন্ট দেয়া, এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হতে পারে ও বিশেষ গুরুত্ব বহন করতে পারে। তাই আমার বিষয়ে সম্পূর্ণ স্বাধীন ভাবে ও স্ব-জ্ঞানে, আপনি যা বুঝেন, আমার এ শারীরিক ও মানসিক এ সমস্যা টিকে আপনি যা মনে করেন, তা লিখে আমাকে একটি মন্তব্য প্রদান করতে আপনাদের সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ করছি।

না হয় বলুন, আপনাদের সামনে আমি কি এভাবে শেষ হয়ে যাবো? বর্তমানে ‍শেষ হতে আমার আর বাকি আছে কী!? আপনাদের অনেকে কি আমার উপর জুলুম বা আমাকে অবহেলা করেননি!? এখনও যদি আপনারা আমাকে কে কী মনে করেন, এ ধরনের লিখিত একটি সত্য রিভিউ না দেন, তাহলে এটা কি মানুষ হিসেবে আপনাদের দায়িত্ব হলো? তাহলে আপনারা আমার কেমন আত্মীয় হলেন? কেমন আপনজন হলেন? কেমন বন্ধু-বান্ধব হলেন? তাছাড়া আপনারা কি সৎ কাজে আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ করবেন না!? তবে যদি লিখেন, তাহলে ধরুন বুঝেন একটি, কিন্তু বুদ্ধি খাটিয়ে কোনটি লিখা উচিৎ, এ রকম ভেবে আরেকটি বা উল্টো কিছু লিখলেন, এ রকম করবেন না! আপনি আমাকে যা বুঝেন, ঠিক তাই লিখবেন! এছাড়া আপনাদের মাঝে আমি জিন হিসেবে আবির্ভূত হতে চাইলেও, আমার ছোট বেলা থেকে সুদীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর জীন হিসেবে আমার কোন অস্তিত্বই আপনারা খুঁজে পাননি! তাই না? আমিতো মানুষই ছিলাম! এখন না হয় আমি জিন হিসেবে আবির্ভূত হলাম! বা হতে চাইছি! তাহলে নিজেদের একজন মানুষকে আপনারা কিভাবে এভাবে শেষ করে দিচ্ছেন? আপনারা কি খবর রেখেছেন(?), আমার পরিবার, ছেলে-মেয়ে, আমি নিজে, কী খেয়ে পরে বেঁচে আছি? এবং আমার এ বিষয়টি মানব স্বাস্থের বা জ্ঞান-বিজ্ঞানের বা স্রষ্টার সৃষ্টি তত্বের কোন শাখা তাহলে!? এবং রোগ বলেন,  আর জিন বলেন, শরীরের মধ্যে আরেকটি জীবাণু বা প্রজাতি নিয়ে বয়ে বেড়াতে আমার কি কোন কষ্ট হয় না!? আপনাদের দেশে বা এ মহাবিশ্বে স্বাস্থ্য বিষয়ক নাকি, মানুষদের অনেক গুলো প্রতিষ্ঠান আছে না? কিন্তু কই!  আমার আগমন বা উদ্ভবের আজ প্রায় ২৫ বছর পেরিয়ে যাচ্ছে!? কই আপনাদের সেসব দায়িত্ব ও কর্তব্য, বা প্রতিষ্ঠান সমূহ? আর কেন এখনো তাহলে আপনারা আমার জন্যে একটা মন্তব্যও লিখতে পারবেন না? এসব বিষয়ে আপনাদের কি কোন চিন্তা হয় না? আমাকে বুঝি দাবিয়ে রাখা বা বিভিন্ন ভাবে জুলুম-অত্যাচার-নির্যাতন করে শেষ করে দেয়াটাই আপনাদের জ্ঞানে ধরেছে!? তাহলে এতো দিন যেভাবে আমায় মেরে ফেলার নীতি ও কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলেন; এখনো তাই কি অব্যাহত রাখবেন!? আপনাদের কি কোন জ্ঞান বুদ্ধি হবে না! আমার মতো এ রকম মানুষের দেহে সুস্পষ্ট জিনের বহিঃ প্রকাশ, আপনারা বিশ্বের আর কোথাও অন্য কোন মানুষের দেহে দেখেছেন কিনা? তাহলে আমাকে আপনাদের কী করা উচিৎ? দাবিয়ে বা পদদলিত করে রাখা উচিৎ? যেভাবেই হোক মেরে ফেলা উচিৎ? না বিশ্বদরবারে পরিচিত করা উচিৎ!? 

তাহলে আমার বিষয়ে আপনি যা বুঝেন, এ রকম একটি মন্তব্য লিখতে আপনার অসুবিধা কোথায়? আমিতো বলছি না যে, আপনি আমাকে ভালো হিসেবে বুঝতে না পারলেও, আপনি আমাকে ভালো হিসেবে মন্তব্য লিখে বিশ্বকে জানান! 

আমি জন্মেছি এ দেশে, ছোট বেলা থেকে বেড়ে উঠেছি আপনাদের সাথে এবং এখপর্যন্ত আপনাদের সাথেই বসবাস করছি, তাহলে আমার বিষয়ে বিশ্বের মানুষ ও জিনদেরকে জানাবে কে বলেন!?   

আপনাদেরকে আরো জানাতে চাই যে, এ লিখা ও এ চিঠিটি আমি লিখতে চাইনি, কারণ আপনারা আমার কোন লিখা বা ভিডিও পড়তে বা দেখতে রাজী নন; যা ইতিপূর্বে প্রমাণিত হয়েছে। তাই আপনারা গত বেশ কয়েক মাস ধরে হয়তো লক্ষ্য করেছেন আগের মতো অনলাইনে আমার কোন লিখা বা ভিডিও নাই। এবং আর খুব একটা লিখবো বলেও মনে হয় না। তবে এবার শুধু নিজের শরীরে থাকা অনুজীব বা জিন কর্তৃক বাধ্য হওয়ায় আজকের লিখাটুকু লিখতে বাধ্য হলাম।

তাই প্রথমে আজকে যে কারণে লিখা আরম্ভ করেছিলাম তা বলছি, শুনুন, ইতিপূর্বে জনাব এম ফখরুদ্দীন ভুঁইয়া সাহেবের ‍ওয়াইফাই সংযোগ আমার প্রতিষ্ঠান, বন্ধন ফাউন্ডেশনে গত প্রায় ৩/৪ বছর ধরে  ছিলো। এ প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমার আত্মীয়স্বজন সহ একান্ত আপনজনদের আগ্রহ ও সাডা না পাওয়ায়, বরং তাদের কাছ থেকে বিরোধিতা পাওয়ায় এবং অন্যান্য কারণে, যদিও  কিছুদিন হলো আমি এ প্রতিষ্ঠানটি স্থায়ী ভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছি। কিন্তু প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করলেও আমার অন্যান্য কাজে ওয়াইফাই এর প্রয়োজন ছিলো।

তাই ওয়াইফাই সংযোগ অব্যাহত ‍রাখলেও, মাঝে দিয়ে আমার কম্পিউটার নষ্ট হয়ে যাওয়ায়, আমি সাময়িক ভাবে সংযোগটি আর সচল রাখতে পারিনি। বর্তমানে আমার আবার ওয়াইফাই সংযোগের প্রয়োজন হওয়ায়, গত রোজার ঈদের কমপক্ষে এক সপ্তাহ পূর্ব থেকে এ পর্যন্ত অনেকবার আবেদন করেও আমি সংযোগ পাইনি বা পাচ্ছি না। বরং তার এবং তার কর্মচারীদের বিভিন্ন কথার মাঝে আমি ছলনা খুঁজে পেয়েছি এবং হয়েছি অপমাণিত। যেমন, ঈদের আগে একদিন তাদের দুইজন কর্মচারী আমার ঘরে লাইনটি লাগাতে এসে, হয়তো আমার নিজ শরীরের নেগেটিভ ইঙ্গিত পেয়ে বা আমার বাড়ির অন্য কারো বেড ইঙ্গিত পেয়ে তখন তাদের একজন আমাকে বললো, আপনার আগের তারটি নষ্ট হয়ে গেছে এখন আপনাকে ডাইরেক্ট করে দিতে হবে এবং আরেকজন বললো অনুঃ করে দিতে হবে, মানে পিছনে করে দিতে হবে। তখনই আমার মনে হয়েছিলো তাদের কথার মাঝে কেমন যেন অন্য কোন কিছুর ইঙ্গিত বহন করছে। মানে তারা আসলে লাইন লাগাবে না। 

এরপর থেকে কয়েকবার ফখরুদ্দীনকে ব্যক্তিগত ভাবে বলেছি এবং যতবারই তাদের অফিসে গিয়েছি, ততবারই তারা আমায় কালকে আসবো, পরশু আসবো, এ রকম আশ্বাস দিয়ে আজ প্রায় একমাস হলো একবারও আসেনি। এছাড়া যতবারই ফোন করেছি তার কর্মচারীরা আমার মোবাইল খুব একটা রিসিভ করেনি। তার উপর গত কিছু দিন আগে একবার রিসিভ করলেও, আমি যখন বললাম, ঠিক কী কারণে আমাকে আসলে সংযোগটি দেয়া হচ্ছে না? তখন তাদের থেকে আমি একটু গরম মেজাজ অনুভব করি এবং এ সময় কেউ একজন বলে যে, ফখরুদ্দিন ঢাকা গেছে; অথচ সেদিনই বিকেলে আমি ফখরুদ্দিনকে নতুন বাজারে দেখতে পেয়েছি।

যাক ফখরুদ্দীন! এ ধরনের ছলনা মার্কা ব্যবহার আমার নিজ ঘর সহ প্রায় সর্বত্র আমাকে আজ বহু বছর ধরে সইতে হচ্ছে এবং এর কারণ হিসেবে বর্তমানে আমার নিজ শরীরেরই নেগেটিভ ইশারাকেই দেখতে পাচ্ছি; যা এখন আমি বুঝতে পাচ্ছি। তার মানে আমি হয়তো মুখে বলেছি, ‍কিন্ত আমার চোখ, মুখ বা হাত বা আঙ্গুল দিয়ে আমি নিজেই  হয়তো নিষেধ করেছি। তাই আমি স্থায়ী ভাবে মনে কষ্ট নিইনি। এখন তুমি শুধু আমাকে একটি মন্তব্য লিখে দিলেই হবে যে, তোমরা কি আসলে আমার মৌখিক আবেদন পেলেও আমার হাত বা চোখ বা ইত্যাদি থেকে কোন নেগেটিভ সিগনাল পাও? যার জন্য আমি মুখে আবেদন করলেও তোমরা অনেক সময়ই আমার চাহিত বিষয়টি দিতে পারনা? বিষয়টি পরিষ্কার করার অনুরোধ জানাবো! 

এখন কথা হচ্ছে, তোমরা যখন আমাকে লাইন দাওনি বা দিবে না (সদিচ্ছা থাকলে এতোদিন লাগার কথা ছিলো না), তাই আমি বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে ফেলেছি। তাই এখন আমি আবার না বললে, তাহলে আমার এখানে আর লাইন লাগাতে আসবে না।

এ রকম আরেকটি ব্যবহার পেয়েছি, গোবিন্দপুর হাজী জিনাত আলী ভুঁইয়া জামে মসজিদ ও নূরানী মাদ্রাসার সেক্রেটারি জনাব কেফায়েত উল্যাহ ভুঁইয়া সোহেলের কাছ থেকে। তার মাদ্রাসায় একজন শিক্ষক নিয়োগ দিবে শুনে, আমার সংসার টিকিয়ে রাখতে এবং সন্তানদেরকে বাঁচিয়ে রাখতে তার কাছে ছুটে গিয়েছিলাম চাকুরি চাইতে। কী করবো! নিয়তি আমাকে এ রকম করেছে! না হয় এ এলাকার মানুষেরা জানে, আমি এ রকম ছিলাম না। আমারও ছিল একটি সম্ভাবনাময় সুন্দর ভবিষ্যত! 

যাক, চাকুরী চাইতে গেলে, এতে সে প্রথমে রাজি ও খুশি থাকলেও, এবং আমাকে কিছু দিন ঘুরালেও, পরে হয়তো আমারই কোন অদৃশ্য ইশারায় আমায় সে চাকুরিটা দেয়নি! দেখুন আমি কিন্তু স্পষ্ট করেই জানি যে, সে এবং তার বাবা আমার কল্যাণ ও উন্নতি চায়। তাই তার কাছ থেকেও আমি জানতে চাই যে, এবং তার মাধ্যমে অন্যান্য মানুষদেরকেও জানাতে চাই যে, আসলেইকি আমি মুখে একটা বলি, কিন্তু ইশারা ইঙ্গিত বা ভাব ভঙ্গিমায় আরেকটি প্রকাশ করি? আমার এ স্বভাবটি সত্য কিনা!? যদি সত্য হয়, তাকেও এ বিষয়টি ব্যাখ্যা করে একটি মন্তব্য প্রকাশ করে, বলতে ও বিষয়টি মানুষদেরকে জানাতে অনুরোধ করবো যে, কেন সে আমায় চাকুরী দিতে পারেনি! এটা কি আমার বাড়ির পাশের মাদ্রাসা ছিলো না!? আমার কি এতে হক ছিলো না! তাছাড়া এখন কি আমার প্রাণ যায় যায় অবস্থা নয়!? এ অবস্থায় একজন প্রতিবেশী হিসেবে আমার প্রতি তার কি কোন দায়িত্ব নেই!? আমি বিপদে পড়েইতো গিয়েছিলাম, না হয় আমার কি যোগ্যতা একেবারেই নেই? এই এলাকার অনেক ‍গুলো ছাত্রের প্রাইভেট টিউটর কি আমি ছিলাম না!? তাহলে কিসের প্রভাবে আজ আমি এমন হলাম? তার মন্তব্যের মধ্যে এ বিষয়গুলোর একটি সত্য উত্তর পেতে চাই! এবং জাতিকেও বুঝাতে চাই যে, আমাকে হয়তো জিন জাতি গ্রাস করেছে! ‍

হ্যাঁ, এখন আসি এ চিঠি লিখার মূল উদ্দেশ্যে। এ বিষয়ে আমি তেমন বেশি বর্ণনা দিবো না। কারণ আপনারা সবাই আমাকে চিনেন ও জানেন। যেহেতু আজ প্রায় সুদীর্ঘ ২৫ বছরে আমার আচার আচরণে প্রমাণিত হয়েছে যে,  আমার সাথে এবং আমার শরীরে এক বা একাধিক মহিলা জিন বা একটি পুরো জিন সম্প্রদায় থাকে। যে কারণে আপনারা জানেন, আমি আজ নিজ বংশীয় বন্ধন থেকে অনেকটা বঞ্চিত।

একেবারেই একাকী জীবন আমার, চরম অবহেলিত ও অনেক ক্ষেত্রেই জুলুমের শীকার। এবং আমার অর্থ, জমি জমা, চাকুরী, রাজনীতী, মানে মূল্যায়িত হওয়ার মতো আমার কিছুই নেই। অসহায়ত্বের আর সীমা পরিসীমা নেই আমার! অল্প কিছু জমি-জমা যা ছিলো, তা এ জিনজাতকে তাড়াতে গিয়ে শেষ হয়ে গেছে।

 নতুন কেউ আমার বিষয়ে জানতে চাইলে, তাহলে আমার ব্লগ সমূহের মধ্যে  বিভিন্ন সময়ে আমার লিখা কন্টেন্ট সমূহ পড়লে, অনায়াসে বুঝে যাবেন।

আমাকে বুঝতে আপনারা নিম্নোক্ত লিংক সমূহে ক্লিক করে, আমার পূর্বে লিখিত কন্টেন্ট সমূহ পড়তে পারেন-

arifstory1.blogspot.com

অথবা

jinmanb.blogspot.com

এই যে আমার সাথে মহিলা জিন বা জিন সম্পদায় রয়েছে বলে আমার ও আমার এলাকার আম জনতার প্রচলিত যে বিশ্বাস, এ বিষয়ে আমার এলাকার মানুষজন, আপনারা এখন পর্যন্ত বিষয়টি আমাকে বা মানুষদেরকে লিখিত বা মৌখিক ভাবে জানাননি। ফলে আমি আজও বুঝতে পারছিনা যে, আপনারা বা মানুষেরা আসলে আমাকে কিভাবে দেখছেন বা আমাকে আপনারা কিভাবে মূল্যায়ন করছেন। একজন মানুষ সে কী রকম, অনেক সময়ই নিজকে নিজে সে বুঝতে পারেনা। তেমনি ভাবে কোথাও গিয়ে আমার নিজের বিষয়ে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে যে কিছু বলবো, বা ভালো কিছু করতে চেষ্টা করবো, সে ক্ষেত্রেও প্রয়োজন পড়বে, মানুষের রিভিউ বা সমর্থন বা সাপোর্টের বা মানুষের মাঝে আমার গ্রহণযোগ্যতার। তা না হলে কথা বলতেতো আমি আত্মবিশ্বাস বা প্রাণশক্তি পাবো না! এবং মানুষও আমাকে সহজে মেনে নিবে না। নিজের পরিচয়ই যদি প্রকাশ করতে না পারি, সে ক্ষেত্রে আমি আপনাদের জন্য করবো কী, বা কী করতে পারবো বলেন!? বর্ণচোরা কি কখনো কিছু করতে পারে? আর তাই যখন অন্য মনষ্ক হই, তখন আমার নিজের কাছে, এখনো মাঝে-মধ্যে মনে হয়, হ্যাঁ ‍রে, আসলেই কি আমার শরীরে জিন জাতির উদ্ভব হয়েছে!? মাঝে-মধ্যে এও মনে হয়, হ্যাঁ, বুঝলাম হয়েছে, কিন্তু এটা কি আমার নিজের জন্য বা বিশ্ববাসির জন্য বা চারদিকের মানুষের জন্য উপকারী হবে? না অপকারী!? এ বিষয়টি সঠিক ভাবে আমাকে ও মানুষদেরকে বুঝতে হলে, তখন অবশ্যই আমাকে ও মানুষদেরকে বুঝতে হবে, এ বিষয়ে আমার চারপাশের মানুষ আসলে কী বলছে, বা এ বিষয়ে মানুষের কাছে আমাকে কেমন মনে হয়েছে; তা বুঝার। আর মূলত এ জন্যেই, আমি আপনাদের নিকট আমার বিষয়ে একটি মন্তব্য লিখে তা জন সমক্ষে প্রকাশ করতে অনুরোধ করেছি। 

এক্ষণে আমার বিষয়ে আপনি বা আপনারা যদি মন্তব্য করতে চান,  তবে মন্তব্য শুধু এ প্ল্যাটফর্মেই লিখবেন; ফেসবুক বা অন্য কোথাও লিখবেন না। কারণ পোস্টটি যদিও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা হতে পারে, তবুও এর মূল পোস্ট এটিই। তাই অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের মন্তব্য সমূহ হারিয়ে যাবে; কিন্তু এ প্ল্যাটফর্মের মন্তব্য সমূহ সংরক্ষিত থাকবে।

সুতরাং, যারা আমার আবেদনে সাড়া দিয়ে এ পোস্টের মন্তব্য লিখবেন, তদেরকে অনুরোধ জানাবো, আপনারা মন্তব্য লিখার সময় অবশ্যই নিম্ন লিখিত প্রশ্ন/বিষয় সমূহের উত্তর প্রদান করে বা সে অনুসারে আপনার মন্তব্য লিখতে চেষ্টা করবেন। তবে আপনার মন্তব্যে নিম্নোক্ত সবগুলো প্রশ্নের উত্তর ম্যানশন করা আপনার দ্বারা সম্ভব না হলে, তবে যতটুকু সম্ভব, ততটুকু লিখে অন্তত বলুন যে, আমাকে আপনার কাছে, এই এই কারণে জিন বলে মনে হয়েছে। পারলে আমার জিনকে আপনার কাছে কেমন মনে হয়েছে, ভালো, না মন্দ, সেটিও উল্লেখ করবেন।

 কিন্তু না বুঝে বা ‍আবেগে পড়ে কোন ধরনের মন্তব্য করবেন না। আমি আপনাদেরকে এই বলে কোন কথা দিইনি যে, আমাকে একটি ভালো মন্তব্য ‍দিলে আমি আপনাদেরকে এই এই দিবো বা দিতে পারবো। আপনারা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন, বর্তমানে আমার কাছে আমার ঘরের সদস্যদেরকে বাঁচিয়ে রাখতে চাউলের টাকাও ঠিকমতো আমার কাছে নাই। তাই কেউ প্রলুব্ধ হয়ে বা লোভে পড়ে বা ভবিষ্যত জীবনে কোন কিছু আশা করে আমাকে কোন ধরনের মন্তব্য দিবেন না, বা আমার প্রতি এ জাতীয় মুখস্থ কোন আশা রাখবেন না। যেহেতু ভবিষ্যত কেউ জানে না। তাই মনের ভুলে বা কোন কারণে এ জাতীয় কোন আশ্বাসের  কথা কাউকে বলে ফেললেও এসব আমলে নিবেন না। আর আমি মহান আল্লাহ তা’য়ালার সাথে চুক্তি করেও আসিনি এবং যা সম্ভবও নয়। বরং নিজ জীবনের উপর নিজেই সীমাহীন রিক্স নিয়েছি এবং আপনাদের দোয়ার মোহতাজ হয়ে আছি! এ ব্যপারে আমি সকলকে কঠোর ভাবে নিষেধ করছি যে, এসব কারণে কেউ কোন ধরনের কমেন্টস লিখবেন না। এটা শুধুমাত্র যারা আমার সাথে মিশিসেন বা মিশতে পেরেছেন, আমাকে যারা ভালো করে বুঝতে পেরেছেন, কেবলমাত্র তারা কমেন্টস লিখবেন। এমন ভাবেও কেউ কমেন্টস লিখবেন ‍না যে, দশ জন কমেন্টস করেছে বা আপনার বিশ্বস্থ কেউ কমেন্টস করেছে, আমার বিষয়ে ভালো  বলেছে, আর তাই আপনিও একটা ভালো কমেন্টস করলেন; দয়া করে এ ভাবেও কেউ কমেন্টস করবেন না। 

যে আমাকে আসলে বুঝতে পারেনি, আমি  এ ধরনের কাউকে আমার এ পোস্টে আমার জন্য কমেন্টস করতে নিষেধ করছি। 

আবার আমি এমন কাউকে কোন ধরনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি না যে, আমাকে কমেন্টস লিখলে, বা আমার সাথে ভালো ব্যবহার করলে বা আজকে আমাকে কোন কিছু দান করলে, ভবিষ্যতে আপনাকে, বা আপনার প্রতিষ্ঠানে এর চাইতে অনেক বেশি কিছু দান করবো। এ ধরনের লোভে পড়ে কেউ কোন ধরনের মন্তব্য করবেন না।

তবে মনে রাখতে হবে উপকারীর উপকার স্বীকার করা, এটা মুসলিম বা একজন ভালো মানুষ বা একজন ভালো জিন হিসাবে আপনাদের যেমন কর্তব্য, তেমনি আমারও কর্তব্য।

আর এ বিষয়ে বিশ্ব জানুক, আমার বর্তমানকার এ দৈন্যদশায় এবং একেবারেই ফকিরি ও চরম অসহায়ত্ব আর  ‍ঋণগ্রস্থ অবস্থায়; যেখানে অনেকগুলো মানুষ, এমনকি আমার আপনজনেরাও এখনো আমাকে শয়তান বলে উল্লেখ করছে; অর্থনৈতিক দূরাবস্থা ও আরো অনেকগুলো কারণে যেখানে এখনো সমাজের প্রায় সবগুলো মানুষ আমাকে নিয়ে তামাসা চাচ্ছে বা এখনো যেখানে আমার সাথে তেমন কারো ভালো সম্পর্ক নাই (এপ্রিল ২০২৬ ইং); সেখানে আমার পক্ষে, আমার এ পোস্টের যে কমেন্টস গুলো মানুষেরা লিখেছে, তা কখনোই মানুষদেরকে প্রলুব্ধ করে, বা লোভ দেখিয়ে বা যে কোন ভাবে বাধ্য করে, এমনকি কোন সার্ভিস দিয়ে আদায় করা হয়নি। এগুলোর সবগুলোই মানুষের অন্তর থেকে প্রদান করা শতভাগ রিয়েল কমেন্টস।  

প্রশ্ন/বিষয় সমূহ নিম্নরূপ-

১। মন্তব্যের শুরুতে আপনার পরিচয় এবং আমার সাথে আপনার সম্পর্ক কী তা লিখুন। এরপর আপনি আমাকে গভীর পর্যবেক্ষণ করে বা ভালোভাবে বুঝে-শুনে স্ব-জ্ঞানে স্বাধীন ভাবে মন্তব্য প্রদান করছেন, এ বিষয়টি উল্লেখ করবেন।

২। আমার মন, শরীর ও ব্রেনে কি জিনের উদ্ভব হয়েছে? এ প্রশ্নের উত্তরে আপনি যা বুঝতে পারেন ঠিক তা লিখুন। দেখুন আপনি যদি হ্যাঁ উত্তর দেন, তবে এটি বর্তমান বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীদের বিপরীত হবে! জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিপরীত কথা বলার সে রকম ভাবে বুঝতে পারলেই কেবল হ্যাঁ উত্তর দিবেন।

৩। যদি আপনি জিন আছে বলে বিশ্বস্থ ও আশ্বস্থ হন, তবে আপনার কাছে মনে হয়েছে কি, এরা মহিলা জিন? যদি মহিলা জিন বুঝতে পারেন, তবে লজ্জ্যার কিছু নেই, শালীনতা ও ভদ্রতা বজায় রেখে, আপনি বলুন যে, এ বিষয়টি আপনি কিভাবে বুঝতে পারলেন! এবং জনাব/জনাবা, আপনি কি একজন মহিলা বুঝতে পেরেছেন (?),না মহিলা জিনদের বিশাল একটি গোষ্ঠী বুঝতে  পেরেছেন? না, এক বা একাধিক পুরুষ জিন বুঝতে পেরেছেন? না, পুরুষ মহিলা মিলে জিনদের একটি পুরো সম্প্রদায় বুঝতে পেরেছেন? দয়া করে আপনি কী বুঝেছেন, কিভাবে বুঝেছেন, আপনার মন্তব্যের মধ্যে এ বিষয়গুলো ক্লিয়ার করবেন! তবে এতো কিছু না বুঝলে, যতটুকু বুঝেছেন, ততটুকু লিখুন।

৪। উত্তরে যদি আপনি হ্যাঁ বলেন, তবে এ জীনকে বা এ জীন সম্প্রদায়কে কি আপনার কাছে ভালো বলে মনে হয়েছে এবং কেন বা কোন্ যুক্তিতে আপনি এদেরকে ভালো বলছেন তার উল্লেখ করবেন? স্মরণ রাখবেন আমার কাছে মানুষ এখনো প্রায় ৭ লক্ষ টাকা ‍পাবে (এপ্রিল ২০২৬ ইং এর হিসাবে)। আজ প্রায় ৫ বছর হয়ে গেছে এখনো এ টাকা দেয়ার কোন ওয়ে আমি করতে পারিনি। এবং আমার আত্মীয়-স্বজন থেকে শুরু করে অনেকগুলো মানুষ এখনো আমাকে শয়তান জিন বা অকর্মা মনে করে। অতএব আমাকে ভালো বলার আগে একটু চিন্তা ভাবনা করে বলবেন। আবার ভালো না বললেও তা আমার জন্য হয়তো শুভ হবে না।

৫। আপনি যদি আপনার মন্তব্যে, জিন আছে বলে স্বীকৃতি দেন, তবে আপনি কি বুঝতে চেষ্টা করেছেন যে, আমার শরীরে এদের উদ্ভবের বা আগমনের উদ্দেশ্য কী? তারা কি আসলে আমি সহ মানুষদেরকে শুধুই কষ্ট দিতে চায়? না, তাদের রয়েছে আমাকে এবং মানুষদেরকে নিয়ে ভালো কোন পরিকল্পনা? এককথায় এ জিন বা জিন সম্প্রদায়ের আগমনের উদ্দেশ্য বুঝতে চেষ্টা করার জন্য আপনাকে সবিনয়ে অনুরোধ করছি এবং তাদের উদ্দেশ্য যদি বুঝতে পারেন, তবে আপনি যা বুঝেছেন, তা আপনার মন্তব্যের মধ্যে লিখতে আহবান জানাচ্ছি।

৬। আমার শরীরে  উদ্ভব হওয়া এ জিনেরা কি আমার জন্মগত সাথী(?), অর্থাৎ আমার সাথে একই সাথে এ পৃথিবীর মাটিতে জন্মিত? এরা বা এদের বয়স সম্পর্কে কি আপনার কোন আইডিয়া হয়েছে? অর্থাৎ এর বা এদের বয়স কত হতে পারে বলে আপনি মনে করেন? অথবা সে বা তারা কি, আমার জন্মের সময়তেই আসর করা? না, আমার জন্মের ‍পরে কোন একসময় আমাকে আসর করেছে বা গ্রাস করেছে? তাহলে এরা আমায় কেন গ্রাস বা আসর করেছে? অমাকে নিয়ে এদের কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে? সে বা এরা যে জিন, এ বিষয়টি যদি আপনি বুঝতে পারেন, তবে এ সব বিষয় সমূহও বুঝতে চেষ্টা করে মন্তব্যের মধ্যে লিপিবদ্ধ করার জন্য অনুরোধ করছি।

৭। আপনি যদি বুঝতে পারেন যে, আমার শরীরে জিন আছে, তবে আপনি কি এ বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন, এরা কি সবাই মুমেন/মুমেনা জিন? না, শয়তান জিনও আমার শরীরে রয়েছে। বাকী অন্যান্য মানুষের মতো এ রকন না, এক্সট্রা কোন শয়তান জিনের কথা বলছি, যেমনটি এরা আমার শরীরে এসেছে। অর্থাৎ মুুমেন/মুমেনা জিন ব্যতিত আমার শরীরে কোন শয়তান জিনের উপস্থিতি টের পেয়েছেন কিনা? পাইলে মন্তব্যের মধ্যে তা শেয়ার করবেন। 

৮। আপনারা কি আমার চরিত্রে এ জাতীয় বৈশিষ্ট্য দেখেছেন যে, আমি মুখে এক রকম বললেও ‍ইশারা-ইঙ্গিত বা ভাব-ভঙ্গিমায় এর বিপরীত বলি? অথবা ইশারা-ইঙ্গিত বা ভাব-ভঙ্গিমার মাধ্যমে বা বিভিন্ন কৌশলে আপনাদেরকে এমন কোন প্রশ্নের উত্তর দিই যে, যা আমি হয়তো নিজের জ্ঞানেই বুঝতে পারি না। মানে আমার শরীর থেকে অন্য কেউ হয়তো উত্তর দেয়, যা আমার ব্রেন হয়তো বুঝতে পারেনা বা বুঝতে পারলেও আমার অজান্তেই কাজটি, মানে উত্তর দেয়ার বিষয়টি ঘটে; অর্থাৎ আপনি আমাকে কিভাবে জিন বলে শনাক্ত করলেন বা স্বীকৃতি দিলেন; সে বিষয়টি ব্যাখ্যা করে সহজ ভাবে ও পরিষ্কার করে বলতে চেষ্টা করবেন।

৯। আপনি যদি আমার শরীরে জিন সাব্যস্থ করেন, তবে প্রিয় ভাই/বোন আপনি একটি বিষয় কি চিন্তা করেছেন, এটি মানব স্বাস্থ্য ও এ পৃথিবীর জন্য একটি বিরল দৃষ্টান্ত। তাই নয় কি?  তাছাড়া আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে, আল কোরআনের ভাষাকে সত্য রূপে প্রদর্শন করবো এবং বিজ্ঞানের ভাষাকে ভুল প্রমাণিত করবো। সুতরাং আমাদের এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে জাতীয় ও আন্তর্জাতীক ভাবে প্রতিষ্ঠিত কোন্ কোন্ প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারি। এবং এ ক্ষেত্রে আমাকে বা আমাদেরকে কী কী করতে হবে! আপনার জানা থাকলে দয়া করে আপনার মন্তব্যের মধ্যে আমাকে এর একটা সহজ গাইড লাইন দিয়ে ধন্য করবেন। 

১০। আমার বর্তমান পরিস্থিতিতে আমি এখন কী কাজ করলে বা কিভাবে জীবন-যাপন করলে পরিবারের সদস্যদেরকে নিয়ে খেয়ে পরে সম্মানজনক ভাবে বেঁচে থাকতে পারবো এ বিষয়টি উল্লেখ করবেন? ও কিভাবে আমার ঋণ সমূহ শোধ করতে পারবো বলে আপনি মনে করেন; অর্থাৎ আমায় কিছু নছিহত করবেন? কারণ আর কত উপোষ মরতে পারবো বা জুলুম করে যাব!

১১। আমার সাথে থাকা এ মহিলা জিনকে বা জিন সম্প্রদায়কে বাস্তবে তাদের নিজস্ব অবয়বে বা মানব রূপে আমাদের পাশে, আমাদের সাথে নিয়ে আসতে আমাকে বা আমাদেরকে কী করা উচিৎ? এবং এটা কি সম্ভব? সম্ভব না হলে কেন নয়? কোরআন-হাদীসে কি জিন জাতি মানব রূপে বা তাদের নিজস্ব রূপে মানুষের নিকট উপস্থিত হতে নিষেধ আছে? তা না হলে কোরআন-হাদীস কি অসুম্পূর্ণ? এ বিষয়ে আপনার মতামত লিখবেন।

১২। জনাব এম ফখরুদ্দীন ভূঁইয়া ও জনাব কেফায়েত উল্যাহ ভূঁইয়া সোহেল আপনারা কেন আমায় ওয়াইফাই সংযোগ দেননি ও কেন আমায় চাকুরী দিবেন বলেও দেননি তা বলুন। প্লিজ চুপ করে থাকবেন না। বা অন্যান্য মানুষদের মতো আমাকে মিথ্যা করে, বা ছলনা করে অন্য কিছু বুঝিয়ে দিয়েন না! এ রকম ছলনাতো আমার সাথে আরো অনেকেই করেছে, আমি উদাহরন হিসেবে আপনাদের দুজনের নাম উল্লেখ করলাম। এর মাধ্যমে জাতি বুঝুক আসলে মূল সমস্যা কী বা কোথায়! যেহেতু মানবজাতির বেশির ভাগ সদস্যই আজ যে কোন কিছু সিউর করে বুঝতে পারলেও, এমনকি কোন কিছু আমলে পরিণত করে ফেললেও, তারপরও তাদের পক্ষীয় কারো ইশারা-ইঙ্গিতের কারণে ঐ সত্য কথাটিও তারা বলেনা বা ধামাচাপা দেয় বা ‍দিতে চায়। যেমন আমার জীবনে ঘটতেছে; অনেকেই এ সব বিষয়ে আমার সাথে অনেক সময় মিথ্যা বলেছে বা ছলনা করেছে এবং অনেক সময় আমাকে করেছে চরম অপমাণিত। তাই একই ভাবে যদি আপনারাও সত্য কথাটি গোপন রাখতে চান, অর্থাৎ বুঝেও আমাকে জ্বীন হিসেবে যদি স্বীকৃতি না দিতে চান, তবে বুঝিয়ে বলুন, আমার কী দোষ ছিলো! আমার সাথে এ রকম ব্যবহার করে ছিলেন কেন!? 

এ রকম প্রশ্ন করলে আমার নিকট আত্মীয় থেকে শুরু করে সমাজের অনেকগুলো মানুষকে করতে পারি। কিন্তু শুধু আপনাদেরকে করলাম! আমারওতো রক্ত-মাংস আছে ভাই! এসবে আমি কি কোন ব্যাথা পাইনি! না আমি অপমাণিত হইনি! তাই বুঝিয়ে বলুন, কেন আপনারা এবং আমার ঘর, বাড়ি, বংশ, সমাজ সহ ছোট-বড়, ভালো-বখাটে, ধনী-গরীব সকলে আমার সাথে এ রকম করেছিলেন বা করে যাচ্ছেন। এর প্রকৃত কারণ কী!!

প্রিয় ভায়েরা, এখানে আপনারা যারা এ পোস্টের মাধ্যমে আমাকে কমেন্টস করবেন, আপনাদেরকে আমি আশ্বস্থ করছি যে, আমার প্রতি খুব ঘোরতর অসম্মানজনক কোন মন্তব্য না হলে, তাহলে আপনাদের কোন কমেন্টস এর কোন প্রতি উত্তর আমি দিবো না। ফলে আপনারা ‍স্বাধীন ভাবে, আমাকে যে যেমন মনে করেন তা লিখতে পারেন।

আপনাদেরকে জানিয়ে দিচ্ছি যে, এ পোস্টটির লিংক যাকে দেয়া দরকার বলে আমার কাছে মনে হবে বা যাকে দিলে তিনি আমায় একটি ভালো কমেন্টস দিবেন, এ ধরনের ব্যক্তি বা ব্যক্তিবৃৃন্দের ইমো, হোয়াটসএপ, ম্যাসেঞ্জার বা অনলাইনের অন্য কোন মাধ্যমে, ইনশাআল্লাহ্ তার নিকট প্রেরণ করবো এবং সময় সময় এটি ফেসবুক সহ বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হতে পারে। 

জ্বী, এখন কেউ যদি মন্তব্য লিখতে চান, তবে বুঝে-শুনে, চিন্তা-ভাবনা করে উপরোক্ত সম্পূর্ণ পত্রটুকু পড়ে এরপর লিখবেন। কারণ আপনাদের মতামত বা মন্তব্যের ভাষার উপর নির্ভর করবে, জিন হিসেবে বা মানুষ হিসেবে আপনাদের এরিয়াতে আমার বা আমাদের আসার প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা! বা আপনারা আমাকে বা আমাদেরকে আসলেই চান কিনা! অথবা চাইলে কতটুকু চান, বা কী জন্য চান, বা আমি বা আমরা আসবো কিনা, বা আসলে, কখন আসবো, বা আমাকে আসতে হবে কিনা, বা কখন আসতে পারবো, অথবা জিন হিসেবে বা মানুষ হিসেবে আমাকে কী করতে হবে, বা কী করতে হবে না, বা কী করলে আপনারা খুশি হবেন, আর কী করলে আপনারা খুশি হবেন না, অথবা আপনারা আমায় কী করতে বলেছেন, আর কী করতে নিষেধ করছেন, ইত্যাদি বিষয়গুলো।

দেখুন,  বর্তমানে যেখানে আমার অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসার কোন ভাল ব্যবস্থা নেই; চরম অভাব চলছে আমার। সেখানে এর ‍বেশি আর লিখে আপনাদের ধৈয্যের বাঁধ ভাঁঙ্গতে চাই না এবং আমার দ্বারাও আর লিখা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এমনিতেই অনেক লিখেছি। মন-মানসিকতা, অর্থনৈতিক ও শারীরিক এ অবস্থায় যে এতটুকু লিখেছি বা লিখতে পেরেছি, এটাও মহান আল্লাহু তা’য়ালার অশেষ মেহেরবানি ছাড়া আর কিছু না। যারা নিকটে আছেন, তারা বিষয়টি বুঝতে পারছেন নিশ্চয়ই।

 তাই আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ। সকলে ভালো থাকুন, সুন্দর থাকুন, সুস্থ থাকুন। শুভ হোক আপনাদের সকলের জীবন।

বিঃদ্রঃ আপনারা উপরে দেখতে পেয়েছেন, এ চিঠির প্রকাশকাল এপ্রিল ২০২৬ ইং। অতএব এ সময়ের পর ভবিষ্যত জীবনের যে কোন সময়ে যারা আমার সাথে বা আমার শরীরে জিন আছে, এ বিষয়টি বুঝতে পেরে, আমার এ চিঠির উপরোক্ত আবেদন অনুসারে মন্তব্য বা মতামত বা স্বীকারোক্তি লিখবেন, তদেরকে বুঝে নিতে হবে যে, চিঠিটির ভাষা ও এর বিবরণ সমূহ এই সময় ও আমার এ সময়কার অবস্থা অনুযায়ী লিখিত হয়েছে। কিন্তু এর আবেদন, আমার ইন্তেকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। তবে পরবর্তী যে কোন সময়ে, বর্তমানকার স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখার উদ্দেশ্যে, এ চিঠির ভাষা ও বিবরণে কোন কিছুর পরিবর্তন আনয়ন করা হবে না, অর্থাৎ কোন কিছু মুছে ফেলা হবে না ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা। হ্যাঁ, যদি বিশেষ প্রয়োজন পড়ে, তবে সময়ে সময়ে নতুন ডাটা সংযোজন করা হতে পারে। আশা করি বিষয়টি বর্তমান সময়ের পরবর্তীতে পঠিত চিঠিটির পাঠক সমাজ বা পরবর্তী যে কোন সময়ের মন্তব্যকারীগণ সহজে বুঝে নিবেন। সবাইকে ধন্যবাদ।    

 ‍