![]() |
| আরিফ উল্যাহ চৌধুরী (বর, মানুষ) (কনের ছবি পাওয়া গেলে পরে তা এড করা হবে) |
আমাদের বিয়ের চুক্তিপত্র দলিল বা নিকাহনামা
১. বর-এর নামঃ আরিফ উল্যাহ চৌধুরী (ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা কিছু দিনের মধ্যে এ নাম এফিডেভিট করে সৈয়দ আরিফ উল্যাহ নামকরণ করা হবে)
২. জাতি হিসেবে বরের প্রকৃতিঃ মানুষ
৩. এনআইডি কার্ড অনুযায়ী বরের জন্ম তারিখঃ ০১ জুন ১৯৭৭ খ্রি.
৪. বয়সঃ প্রায় ৪৯ বছর ( ৯ মে ২০২৬ ইং অনুযায়ী)
৫. এনআইডি নম্বরঃ ৫০৬১০৪০২৫৮
৬. পিতার নামঃ মরহুম ছিদ্দিক আহাম্মদ
৭. মাতার নামঃ হালিমা খাতুন
৮. স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রামঃ গোবিন্দপুর, পোঃ হাজীর বাজার, উপজেলাঃ ফেনী সদর, জেলাঃ ফেনী, বাংলাদেশ।
৯. বর্তমান ঠিকানাঃ ঐ
১০. কনের পক্ষ থেকে বরের প্রতি পালনীয় প্রধান প্রধান শর্তাবলীঃ যে সব বিষয়, জিন হিসেবে কনের প্রাকৃতিক স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য অথবা তার একান্ত ব্যক্তিগত বা তাদের সামাজিক বৈশিষ্ট্য (শারীরিক বা মানসিক বা দাম্পত্য বিষয়ক বা অন্য যে কোন দিক দিয়ে), সেসব বিষয়ে দাম্পত্য জীবনে বা ভবিষ্যত জীবনের যে কোন ক্ষেত্রে, কনের স্বাধীন জীবন-যাপনের ক্ষেত্রে, বরের পক্ষ থেকে এ সব বিষয়ে কোনরূপ বাধা-নিষেধ প্রদান করা যাবে না। এ ধরনের বিষয় গুলোতে কনে ও তার আত্মীয়-স্বজন বা নিকটস্থ অন্যান্য জিন সদস্যবৃন্দ সম্পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করবে। যেমন জিনেরা ৩টি রূপে থাকতে পারে, খাওয়া-দাওয়া, বিনোদন বা ঘুমানোগত এবং তাদের দাম্পত্য বিষয়ক বৈশিষ্ট্য ও অন্যান্য। কনে পক্ষের এ ধরনের বৈশিষ্ট্যে যদি কোরআন ও হাদীসে সরাসরি না, না থাকে, তবে বরকেও এ ধরনের বিষয়গুলো যথা সাধ্য পালন করতে হবে। যদি এ ধরনের বিষয়ে বর্তমানে ইসলামী ফতোয়া অনুযায়ী, নাজায়েজ উল্লেখ থাকে; তবে এগুলোকে হ্যাঁ ফতোয়া দেয়ার ও পাওয়ার জন্য পৃথিবীর মানুষদের মধ্যেকার ইসলামী স্কলার বা মুফতি বৃন্দের নিকট আবেদন করতে হবে ও এ ধরনের বিষয় গুলোতে হ্যাঁ ফতোয়া নিয়ে আসার বা একটা যৌক্তিক সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।কনের খাদ্য, জামা-কাপড়, শিক্ষা, চিকিৎসা, বিনোদন, নিরাপত্তা ও সব ধরনের ভরণ-পোষণ এবং তার ব্যক্তিগত, শারীরিক, মানসিক, পারিবারিক, সামাজিক চাহিদা সহ যে কোন ধরনের যৌক্তিক চাহিদা পুরণ, এ বিষয়গুলো স্বামী হিসেবে বরের উপর ন্যস্ত থাকবে। কিন্তু বর যদি তার কোন এক বা একাধিক চাহিদা বা কনের যে কোন বা সবগুলো বা কোন একটি চাহিদা মেটাতে বা দিতেও অক্ষম হয়, তাহলে এ জন্য বর বা বর পক্ষ দায়ী থাকবে না। হ্যাঁ, যদি বর চেষ্টা-তদবীর করে কনেকে নিয়ে আসতে পারতো এবং বরের প্রস্তাবে কনে জিন রাজি হয়ে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হতো, তাহলে বরকে কনের জন্যে সে রকম ভরন-পোষন বা খোর-পোষ ইত্যাদি দিতে হতো, যা সে মানুষ পাত্রী বিয়ে করলে দিতে হতো। যেহেতু এ বিয়েতে কনে নিজ থেকেই বরকে ঘ্রাস করে বা কনে নিজ থেকে প্রস্তাব দিয়ে নিজেই মানুষ-বরের সাথে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে, তাই উক্ত বিয়েতে বর বা বরের পক্ষ থেকে কনের প্রতি কোন ধরনের ভরন-পোষন বা খোর-পোষ প্রদান করতে, বর নিজে বা তার পক্ষ থেকে কেউ বাধ্য থাকবে না। বর কনেকে চোখে পড়ার মতো বা বড় ধরনের কোন শারীরিক-মানসিক আঘাত করতে পারবে না এবং অকারণে কোন আঘাতই করতে পারবে না। উপরোক্ত শর্ত সমূহ যদি বর অমান্য করে তবে কনে বরের বিরুদ্ধে বা বরকে সংশোধন করার লক্ষ্যে স্থানীয় আদালতে বা গ্রাম্য বা স্থানীয় শালিসি ব্যবস্থায় বিচার প্রার্থী হতে পারবে, এবং এ সব বিষয়ে শারীরিক-মানসিক যন্ত্রণা অতিরিক্ত বা সীমাহীন কষ্টদায়ক মনে হলে তখন নিয়মানুযায়ী স্বামীর অনুমতি নিয়ে বিবাহ বিচ্ছেদ বা তালাক দিতে পারবে। এসব বিষয়ে স্ত্রী, স্বামীর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করলে, স্বামীকে অবশ্যই অনুমতি দিতে হবে; অন্যথায় দেশীয় বিচার স্বামীকে মেনে নিতে হবে।
১১. কনের নামঃ খাদিজা সুলতানা
১২. জাতি হিসেবে কনের প্রকৃতিঃ জিন
১৩. বরের পক্ষ থেকে কনের প্রতি পালনীয় প্রধান প্রধান শর্তাবলীঃ কনে জিন হওয়ায় সে মানব আকৃৃতি বা অন্য যে কোন রূপেই থাক না কেন, যখনই স্বামী হিসেবে বর তার বা সাংসারিক যে কোন প্রয়োজনে স্বামীর নিকটে আসার হুকুম দিবে, তখনই সে মানব আকৃতিতে বা তার স্বামী যে আকৃতি বা প্রকৃতি চায় সে আকৃতিতে তৎক্ষণাত তাকে তার স্বামীর কাছে দৃশ্যমান বা অদৃশ্যমান ভাবে হাজির হতে হবে। অর্থাৎ স্বামী যেভাবে চায় সেভাবে হাজির হতে হবে। তবে স্বামীর আদেশ পালন করতে গেলে তখন যদি প্রভূত ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বা ক্ষতি হওয়ার বিষয়ে স্ত্রী নিশ্চিত হতে পারে, তবে তখন স্বামীর আদেশ বা নির্দেশ পালন না করে, পরে সুবিধাজনক সময় স্বামীকে তা বুঝিয়ে বলতে হবে। যদিও জিনেরা বিভিন্ন মানুষের রূপ ধারন করতে পারে, তথাপি কনেকে প্রথম প্রকাশিত হওয়ার দিন থেকে আমরণ একই মানুষের অবয়বে ও একই রূপে প্রকাশিত হতে হবে। অতএব কনেকে প্রথম দিন প্রকাশিত হওয়ার সময় চিন্তা করে প্রকাশিত হতে হবে যে, সে আজ কোন রূপে প্রকাশিত হচ্ছে; যেহেতু এ রূপেই তাকে স্ত্রী হিসেবে তার স্বামীর আমরণ প্রকাশিত হতে হবে; অবশ্য কনে সব সময় কোন্ রূপে প্রকাশিত হবে এ বিষয়টি তাদের স্বামী-স্ত্রীর আলোচনার মাধ্যমেও নির্ধারিত করা যাবে এবং উভয়ের আলোচনায় যে রূপ নির্ধারিত হবে কনেকে তার স্বামীর আমরণ সে রূপেই প্রকাশিত হতে হবে। তার রূপ নির্ধারণের এ বিষয়টি, তাদের উভয়ের ইজাব কবুলের পর, দৃশ্যমান ভাবে মিলিত হওয়ার প্রথম রাতেই তাদের উভয়কে নির্ধারণ করতে হবে। তবে হ্যাঁ, তার যোগ্যতা ও পারদর্শীতা স্বামী বা অন্য কাউকে দেখাতে গিয়ে শুধুমাত্র সে সময়ের জন্য অন্যরূপ ধারন করতে পারবে। তবে যদিও তার পারদর্শিতা রয়েছে, তথাপি স্বামীর অনুমতি ছাড়া সে মানব আকৃতির নির্ধারিত বা বিয়ের প্রথমেই নির্ণীত রূপের বাইরে অন্য কোন রূপ ধারন করতে পারবে না। আবার জিন হিসেবে কনের যতই শক্তি-সামর্থ থাকুক না কেন, কখনোই স্বামীর ন্যায়সঙ্গত কাজ ও আদেশের অবাধ্য হওয়া যাবে না। তার জীবনের সকল কাজে প্রথমত তার স্বামীর সম্মান ও তাঁর হককে অটুট রেখে এরপর পৃথিবীর অন্য যে কোন কাজ করতে পারবে, যদিও তা পৃথিবীর বা পৃথিবীর সকল মানুষ ও জিনের জন্য মহামূল্যবান হোক না কেন! পৃথিবীর সকল মানুষ আর সকল জিনের জন্য উপকারী হলেও, তবুও যদি স্বামী নিষেধ করে, তবে কনে বা কনে পক্ষের অন্য কারো থেকে সে কাজ করা যাবে না। কনের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্যই হচ্ছে তার স্বামীর সম্মান অক্ষুন্ন রাখা ও স্বামীর খেদমত করা।
অন্যদিকে কনেকে মহান আল্লাহু তা’য়ালার ঘোষণা ও তাঁর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মানুষ সব সময় জিন থেকে বেশি মর্যাদা ও সম্মান পাওয়ার অধিকারী হবে, এ বিষয়টি কনেকে তার পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক জীবন সহ ভবিষ্যত জীবনের যে কোন ক্ষেত্রে মেনে চলতে হবে।
কখনো একান্ত প্রয়োজন হলে, ডিভোর্স বা তালাক দেয়ার দরকার হলে, তখন এ তালাক দেয়ার অধিকার কেবলমাত্র বরের থাকবে; কনের এ ধরনের কোন অধিকার থাকবে না। তবে স্বামীর অনুমতি স্বাপেক্ষে, কনে বরকে প্রতি ৩ মাস বা ১২০ দিন পর পর ১ তালাক করে মোট ৩ তালাক দিতে পারবে; মানে চুড়ান্ত ভাবে তালাক দিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে স্ত্রী যদি অনুমতি চায়, তবে স্বামীকে অনুমতি দিতে হবে।
অত্যন্ত দুঃখ আর দূর্ভাগ্য বশতঃ যদি কেউ কাউকে তালাক দেয়, তবে কনে বা কনে পক্ষের কেউ আর বরের শরীরে থাকতে পারবে না।
আল্লাহু তা’য়ালা ও তাঁর রাসূল (সাঃ) রাজী রয়েছেন এ রকম কাজে, কনে ইচ্ছে করলে বা ভালো হবে এ রকম মনে করলে, তবে তার বর বা স্বামীর ব্রেনসহ সম্পূর্ণ শরীর বা শরীরের যে কোন অঙ্গের একসেস নিতে পারবে, মানে তার স্বামীর শরীরের যে কোন অঙ্গকে, তখন তার স্বামীর বিনা অনুমতিতে ইচ্ছেমতো পরিচালনা বা ব্যবহার করতে পারবে। অর্থাৎ তার স্বামীকে, বা স্বামীর শরীরের কোন অঙ্গকে স্বামীর বিনা অনুমতিতে বা তাকে না জানিয়ে বা তাকে অটো ভাবে পরিচালানা করতে পারবে। আবার স্বামী যদি কখনো কোন কাজ করতে না পারে, বা স্বামীর শরীরের কোন অঙ্গ হয়তো ঠিকমতো কাজ করছেনা বা নিস্তেজ হয়ে আছে বা বাত ব্যথা হয়েছে বা জ্বর হয়েছে বা যে কোন প্রতিবন্ধক বা যে কোন রোগ হয়েছে বা কোথাও আঘাত খেয়েছে বা পুষ্টির অভাবে দূর্বল বা একেবারেই হয়তো ক্ষীণ হয়ে আছে, অথবা হয়তো স্বামীর শক্তি বা শিক্ষা বা বুদ্ধিতে বা প্রজ্ঞা বা কৌশলে কুলাচ্ছে না, তখন স্বামীর অনুমতিতে বা বিনা অনুমতিতে তার স্ত্রী গণ ও দাসী গণ মিলে, অথবা অন্যকোন চিকিৎসক জিন বা পরী দিয়ে, তাদের স্বামী বা মালিকের শরীর, মন ও ব্রেন অথবা শরীরের যে কোন অঙ্গে প্রবেশ করে তাকে থেরাপি দিয়ে বা নিজেদের থেকে শক্তি দিয়ে বা প্রয়োজনীয় ফোর্স দিয়ে স্বাভাবিক ভাবে বা অটো ভাবে সাধ্যমত বা প্রয়োজন মতো তাকে পরিচালানা বা কার্জ সম্পাদন করতে পারবে বা তাকে সুস্থ করে তুলতে পারবে। কিন্তুু আল্লাহু তা’য়ালা ও তাঁর রাসূল (সাঃ) রাজী নাই এ রকম কোন কাজে, কনে তাঁর স্বামীর শরীরে আসর করে বা ভর করে থাকতে পারবে না বা তার শরীর. মন ও ব্রেনকে তার ইচ্ছে মতো পরিচালনা করে কোন কাজ সম্পাদন করতে পারবে না এবং এ ধরনের কাজের চিন্তাও তখন কনে করতে পারবে না বা এ ধরনের কাজে তার স্বামীর শরীরের ধারে কাছেও সে যেতে পারবে না।
কনের জন্যে বর বা তার স্বামীর বিনা অনুমতিতে এক মহূর্তের জন্যেও তার স্বামীকে ছেড়ে সে শুধু তার নিজের ইচ্ছায় কোথাও যেতে পারবে না। স্বইচ্ছায় একান্ত প্রয়োজনে কোথাও যেতে হলে অবশ্যই তার স্বামীর অনুমতি নিয়ে এরপর যেতে হবে এবং তার স্বামী জানতে পারেনা বা তার স্বামী জানার সক্ষমতা রাখে না, এ রকম কোন স্থানে যাওয়া কনের জন্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। তবে কোন প্রয়োজনে দূরের কোথাও যেতে স্বামী হুকুম করলে, তখন তাকে যেতে হবে এবং তখন শুধু ঐ কাজটি করেই তকে দ্রুত তার স্বামীকে আদেশিত কাজটি বুঝিয়ে দিতে হবে। স্বামীর মনে কষ্ট যাবে, এ রকম কোন কাজ যত ভালোই হোক না কেন, এমনকি পৃথিবীর সবগুলো মানুষ বা জিনের জন্যেও যদি ভালোও হয়, তথাপি কনে এ ধরনের কোন কাজ করতে পারবে না।
ধর্মীয় প্রয়োজন বা নিজেদের নিরাপত্তাজনীত কোন প্রয়োজন বা মজলুম মানবতার প্রয়োজনে অথবা মানবতার উন্নয়নে কনেকে বা স্ত্রীকে অন্য কোন মানুষ বা অন্য কোন জিন বা অন্য কোন জীব বা জড়ের শরীরে বা তার মন ও ব্রেনে যদি প্রবেশের প্রয়োজন পড়ে, তবে উদ্দেশ্য ও কাজটি যদি ভালো হয়, তাহলেই কেবল সে স্বামীর বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারবে। কিন্তু এসব কাজেও যদি স্বামী নিষেধ করে তাহলে কনে বা স্ত্রী অন্য কারো শরীরে বা তার মন ও ব্রেনে প্রবেশ করতে পারবে না। কিন্তু কাজটি যদি আল্লাহু তা’য়ালা বা তাঁর রাসূল (সাঃ) বা তাঁর স্বামীর হক বিষয়ক প্রয়োজনে হয় বা দ্বীনের অন্য কোন প্রয়োজনে হয়, যা হয়তো তার স্বামীর বুঝে আসতেছেনা বা আসবে না; যদি এ ধরনের কিছু হয়, তাহলে তখন বর বা তার স্বামীর বিনা অনুমতিতেও কনে পৃথিবীর যে কোন স্থানের যে কোন মানুষ বা যে কোন জিন বা যে কোন জীব বা জড়ের শরীর, মন ও ব্রেনে প্রবেশ করতে পারবে।
কিন্তু কারো ক্ষতি করার উদ্দেশ্য থাকলে বা কেউ বিন্দুমাত্র কষ্ট পাবে মনে হলে তখন সে নিজে যেমন পারবে না; এবং এ সব কাজে তার স্বামী অনুমতি দিলেও পারবে না। তবে সকল ক্ষেত্রে আল্লাতু তা’য়ালা এবং তার রাসূল (সাঃ), বা তাদের নিজেদের হক সম্পর্কিত বিষয় হলে তখন পারবে।
তবে দৃশ্যমান বা অদৃৃৃৃৃশ্যমান যে কোন ভাবে স্বামীর অনুমতি থাকুক বা না থাকুক, কোন অবস্থাতেই কারো সতর দেখা যাবে না বা সতর দেখা যাবে বা দেখতে হবে, এ রকম ভাবে কারো শরীরে প্রবেশ করা যাবে না এবং সর্বাবস্থায় ইসলামের পর্দার বিধান মেনে চলতে হবে।
এবং স্বামীকে না জানিয়ে স্ত্রী কখনোই উধাও হয়ে যেতে পারবে না বা হাওয়ায় মিলিয়ে যেতে পারবে না। স্বামী বুঝতে পারে না এ রকম অন্যকোন রূপ ধারন করতে বা স্বামী বা অন্যান্য মানুষেরা ভয় পাবে, বিনা কারণে বা শুধু শুধু ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে এ রকম কোন রূপ বা কোন হিংস্র পশু-পাখি বা সাপ বা এ ধরনের কোন জড় বা জীব পদার্থের রূপ ধারন করতে পারবে না।
উপরোক্ত শর্ত সমূহ যদি কনে অমান্য করে তবে বর কনেকে, উপযুক্ত বা মৃদু শারীরিক বা মানসিক শাস্তি প্রদান করতে পারবে বা একেবারেই অবাধ্য হলে তখন নিয়মানুযায়ী তাকে তালাক দিতে পারবে।
১৪. পিতার নামঃ
১৫. মাতার নামঃ
১৬. স্থায়ী ঠিকানাঃ
১৭. বর্তমান ঠিকানাঃ ঐ
১৮. এ চুক্তিপত্র বা নিকাহনামা বা বিবাহের তারিখঃ
১৯. দেনমোহরের পরিমাণ: ১ কোটি টাকা
২০. সাক্ষী ১ (নাম, তারিখ ও স্বাক্ষর)ঃ
২১. সাক্ষী ২ (নাম, তারিখ ও স্বাক্ষর)ঃ
২২. সাক্ষী ৩ (নাম, তারিখ ও স্বাক্ষর)ঃ
২৩. সাক্ষী ৪ (নাম, তারিখ ও স্বাক্ষর)ঃ
২৪. বর ও কনের উভয়ের ঘোষণা পত্র এবং তাদের স্বাক্ষরঃ
আমরা উভয়ে উক্ত নিকাহনামা বা আমাদের বিয়ের উপরোক্ত চুক্তিনামা, চুক্তির সকল শর্ত সম্পূর্ণ মেনে নিয়ে, এবং চুক্তি অনুযায়ী স্ব-শরীরে উপস্থিত থেকে স্বাধীন ভাবে, সুস্থ মস্তিষ্কে ও কারো দ্বারা প্ররোচিত না হয়ে বা কোন ধরনের শক্তি দ্বারা তাড়িত না হয়ে আমাদের পরষ্পর পরষ্পরকে স্বামী বা স্ত্রী হিসেবে কবুল করলাম। এবং উপরোক্ত চারজন স্বাক্ষী ও উপস্থিত প্রায় ৫০ জন গণ্য-মান্য ব্যক্তির সামনে কাজীর মুখে মুখে পাঠের মাধ্যমে, আমাদের মৌখিক স্বীকৃতি প্রদান করলাম ও এর লিখিত স্বীকৃতি হিসেবে নিম্নে আমরা উভয়ে আমাদের নিজ হাতে স্বাক্ষর প্রদান করলাম।
(ক) বর হিসেবে স্বামীর স্বাক্ষরঃ
(খ) কনে হিসেবে স্ত্রীর স্বাক্ষরঃ
২৫. উক্ত চুক্তিপত্রের লিখকের নাম, ঠিকানা ও স্বাক্ষরঃ হযরত মাওলানা বেলায়েত হোসাইন (দা.বা.), সহ সুপার, উত্তর চাঁদপুর হযরত আবদুল কাদির জিলানী (রহঃ) মাদরাসা, উত্তর চাঁদপুর, লেমুয়া, ফেনী সদর, ফেনী, বাংলাদেশ। এবং
খতিব, বাগের হাট জামে মসজিদ, বাগের হাট, উত্তর ধলিয়া, ফেনী সদর, ফেনী।
লিখকের স্বাক্ষরঃ
২৬. কাজী ও খতিব সাহেবের নাম, ঠিকানা ও স্বাক্ষরঃ
খতিব, হাজীর বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, গোবিন্দপুর, হাজীর বাজার, ফেনী সদর, ফেনী।
কাজী ও খতিব সাহেবের স্বাক্ষরঃ
২৭. উক্ত চুক্তিনামায় ব্যবহৃত স্ট্যাম্পঃ নিকাহনামার এ চুক্তিপত্রটি বাংলা ও ইংরেজী উভয় ভাষায় মোট ২ কপি (১কপি বাংলা এবং ১ কপি ইংরেজী) আকারে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। তাই বাংলায় চুক্তিনামার জন্য ২০০০/- (দুই হাজার) টাকার এবং ইংরেজিতে চুক্তিনামার জন্য ২০০০/- (দুই হাজার) টাকার মোট ৪ (চার হাজার) টাকার সরকারী স্ট্যাম্পের মধ্যে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। প্রতিটি ২০০ টাকা করে মোট ২০টি স্ট্যাম্পের মধ্যে (১০ পাতা করে ২০ পাতা) উক্ত চুক্তিপত্রটি কম্পিউটার কম্পোজ করে প্রিন্ট করা হয়েছে।
২৮. কাবিননামাঃ যেহেতু জিনের সাথে মানুষের বিয়ে রেজিস্ট্রেশনের সরকারি কোন নিয়ম এখন পর্যন্ত নেই, তাই উপর্যুক্ত চুক্তিনামার টেক্সট ফাইল এবং এ চুক্তিনামা অনুযায়ী সম্পন্নকৃত বিয়ের আকদ অনুষ্ঠান ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানের ভিডিও ফাইল আমাদের বিয়ের কাবিননামা হিসেবে ধর্তব্য হবে বলে, এ বিয়ের কাজী জনাব হযরত মাওলানা আইয়ুব আলী (দা.বা.) সাহেব নির্ধারণ করেছেন।
২৯. বর ও কনেকে প্রদানকৃত নথিপত্রঃ উক্ত নিকাহনামা বা চুক্তিনামা দলিলের মূল কপি (বাংলা ও ইংরেজী উভয়) বরের নিকট সংরক্ষিত থাকবে। এবং কনেকে এর একটি ফটোকপি এ বিয়ের কাজী কর্তৃক সত্যায়িত করে প্রদান করা হবে।
৩০. ফেনী সদর-২ আসনের সংসদ সদস্যের প্রত্যয়ন ও তাঁর স্বাক্ষরঃ আমি ফেনী সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য জনাব অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপি, The Grand Sultan Convention Feni, এ প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত জিনের সাথে মানুষের বিয়ে সম্পর্কিত উক্ত প্রীতি ভোজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে নিজকে ধন্য মনে করছি। আমি স্পষ্ট দেখতে পেয়েছি এ বিয়ের কনে মানুষও হতে পারে এবং হাওয়ায় মিলেয়ে উধাও’ও হয়ে যেতে পারে ও বিভিন্ন ধরনের আকৃতি-প্রকৃতি ধারন করতে পারে। এতে আমি সহজেই বুঝতে পেরেছি এ বিয়ে অনুষ্ঠানের কনে একজন জিন, এবং আমি তাকে মহিলা হিসেবে দেখতে পেয়েছি। শুনতে অবাস্তব মনে হলেও, ঘটনাটি সত্য! জিনের সাথে মানুষের বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া, জিন হিসেবে কনের বিভিন্ন আকার-আকৃতিতে প্রকাশিত হওয়া, যা আমি নিজ চোখে প্রত্যক্ষ করেছি, তা সত্যিই আমার কাছে ভালো লেগেছে। আমি জীন ও মানব, এ নব দম্পতির ভবিষ্যত জীবনের সর্বাঙ্গীন উন্নতি কামনা করি।
মাননীয় সংসদ সদস্যের স্বাক্ষর ও সীলমোহরঃ
৩১. ফেনী জেলা প্রশাসকের প্রত্যয়ন ও তাঁর স্বাক্ষরঃ আমি ফেনী জেলার জেলা প্রশাসক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার, The Grand Sultan Convention Feni, এ প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত জিনের সাথে মানুষের বিয়ে সম্পর্কিত উক্ত প্রীতি ভোজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে নিজকে ধন্য মনে করছি। আমি স্পষ্ট দেখতে পেয়েছি এ বিয়ের কনে মানুষও হতে পারে এবং হাওয়ায় মিলেয়ে উধাও’ও হয়ে যেতে পারে ও বিভিন্ন ধরনের আকৃতি-প্রকৃতি ধারন করতে পারে। এতে আমি সহজেই বুঝতে পেরেছি এ বিয়ে অনুষ্ঠানের কনে একজন জিন, এবং আমি তাকে মহিলা হিসেবে দেখতে পেয়েছি। শুনতে অবাস্তব মনে হলেও, ঘটনাটি সত্য! জিনের সাথে মানুষের বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া, জিন হিসেবে কনের বিভিন্ন আকার-আকৃতিতে প্রকাশিত হওয়া, যা আমি নিজ চোখে প্রত্যক্ষ করেছি, তা সত্যিই আমার কাছে ভালো লেগেছে। আমি জীন ও মানব, এ নব দম্পতির ভবিষ্যত জীবনের সর্বাঙ্গীন উন্নতি কামনা করি।
মাননীয় জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষর ও সীলমোহরঃ
৩২. উক্ত নিকাহনামা চুক্তিপত্রের লিখিত ভাষা ও বিচার্য ভাষাঃ
উক্ত বিবাহ চুক্তিনামা দলিলের মূল ভাষা হবে বাংলা। যদিও এ নিকাহনামা দলিলটির একটি কপি ইংরেজি ভাষাতেও করা হবে, তথাপি এ চুক্তিপত্রের কোথাও কোন পক্ষের বা সরকারী, বেসরকারী বা আন্তর্জাতিক ভাবে বা যে কারো কোন কিছু নিয়ে যদি বুঝতে সমস্যা হয়, বা অস্পষ্টতা পরিলক্ষিত হয় বা ভূল বোঝা-বুঝির সৃষ্টি হয়, তাহলে তখন শুধুমাত্র এ দলিলের মূল কপি বাংলা ভাষায় লিখিত দলিল দিয়েই এর সমাধান করতে হবে বা সমাধান করা হবে।
৩৩. উক্ত নিকাহনামা চুক্তিপত্রের গুগল লোকেশানঃ
https://arifstory1.blogspot.com/
বি.দ্র. যদি সরকার, জিন ও মানুষের পারষ্পরিক বিয়ে বন্ধন রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম-কানুন চালু করে, এবং সে অনুযায়ী উপরোক্ত এ বিয়েকে সরকারী ভাবে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য হুকুম করে, তবে এ বিয়ের বরের দায়িত্বে এবং বর সরকারের সমস্ত খরচ বহন করে, তা পালন করতে বাধ্য থাকবে।
-ঃচুক্তিপত্র দলিল সমাপ্তঃ-

0 Comments